খুঁজুন
, ,

সমৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে নৌকার বিজয়ের বিকল্প নেই : রেজাউল করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 December, 2020, 11:27 pm
সমৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে নৌকার বিজয়ের বিকল্প নেই : রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সমর্থনে ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কেন্দ্র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক-সচিব ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভা বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চসিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, তৃণমূল যত বেশী শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বিজয়ের নিশ্চয়তা ততই সুদৃঢ়। ওয়ার্ড ও ইউনিট নেতৃবৃন্দ এবং কেন্দ্র কমিটিগুলো প্রার্থীর সাথে ভোটারের সংযোগ তৈরী করতে পারে সবচেয়ে বেশী। আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যানে রাজনীতি করে, মানুষের অধিকার, গনতন্ত্র ও উন্নয়নের রাজনীতি করে। আওয়ামী লীগের প্রতিক নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে, গনতন্ত্র পেয়েছে, সমৃদ্ধি পেয়েছে। সমৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে নৌকার বিজয়ের বিকল্প নেই। সকলকে এ বিজয়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে ও চট্টগ্রামের মানুষকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নে বড় বড় প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে তিনি তার প্রমান রেখেছেন। চট্টগ্রামের নাগরিক সেবায় তিনি আমাকে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। মেয়র নির্বাচিত করার চুড়ান্ত ক্ষমতা ভোটার ও জনগণের। চট্টগ্রামের মানুষ উন্নয়ন চায়, উন্নয়নের নেত্রীকে ভালবাসেন। মেয়র পদে নৌকায় ভোট দিয়ে চট্টগ্রামবাসীকে প্রমান করতে হবে, চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে এবং চট্টগ্রামবাসীর প্রতিনিধি হিসাবে আমাকে এটি প্রমান করতে হবে। এজন্য আমি সকলের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করছি। মেয়র নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতাকে কাজে লাগিয়ে আমি চট্টগ্রামকে আধুনিক সেবামান সম্পন্ন, স্বাস্থ্যকর, পরিচ্ছন্ন, সমৃদ্ধ মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আলী নেওয়াজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক ইউনুস কোম্পানী।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মুসা এমএ, আকবর আলী আকাশ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহিন আকতার রোজি।

উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাফর আহম্মদ চৌধুরী, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম. আবুল কালাম আজাদ, এড. মোহাম্মদ মুছা, শোয়েব খালেদ, নুর মোহাম্মদ, আবুল হাশেম কন্ট্রাক্টর, এম.সিরাজুল ইসলাম, মাসুদ করিম টিটু, মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, এড মোস্তাফা নাজিম পাশা, মোঃ গোলাম আজম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মোঃ সরওয়ার আলম, সরওয়ার উদ্দিন, তৌহিদুল আলম সোহেল, মোঃ শামসুল আলম, শফিউল ইসলাম শামীম, মোঃ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ রফিক, মোঃ হারুন, জিয়াউর রহমান, খায়রুল বশর বাসেক, তারেক সুলতান, মোঃ সেলিম, সুজাউদ দৌল্লাহ বাবুল, মোহাম্মদ মহসিন, নির্মল দাশ, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।