খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর খুনিসহ ৫২ জনের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বঙ্গবন্ধুর খুনিসহ ৫২ জনের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হচ্ছে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি মোসলেহ উদ্দিন খানের মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সনদ বাতিল হচ্ছে। সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় সরাসরি অংশ নেয় রিসালদার (বরখাস্ত) মোসলেহ উদ্দিন। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খুনির সেনা গেজেট নং-৬৪৩ এবং বিজেও-১৮০২।

পাশাপাশি আরও ৫১ জন অমুক্তিযোদ্ধার সনদ ও গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জামুকার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জানা গেছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের মিশনে অংশ নেয়াদের মধ্যে মোসলেহ উদ্দিন অন্যতম। গুলির শব্দ শুনে বঙ্গবন্ধু যখন বিষয়টি জানার জন্য নিচে নামছিলেন, সেই সময় সিঁড়িতে বঙ্গবন্ধুকে নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করে এই মোসলেহ উদ্দিন। ঠাণ্ডামাথার এ খুনি জেলহত্যা মামলারও আসামি। এরপর অন্য খুনিদের সঙ্গে সেও বঙ্গভবনে দায়িত্ব পালন করে। সেই খুনি মোসলেহ উদ্দিন খানের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

এছাড়া আরও ৫১ জনের মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সনদ বাতিল করা হচ্ছে। এদের মধ্যে দু’জনের লালমুক্তি বার্তায় নাম আছে। বাকিদের বেশির ভাগই বিএনপি-জামায়াত আমলে গেজেট হওয়া মুক্তিযোদ্ধা।

এরা হলেন- নরসিংদী সদরের আবুল ফজল (গেজেট-৩৭৫২, সনদ-ম-১৮৫১৫), মো. জয়নাল (গেজেট-৩৭৫৯, সনদ-ম-১৮৫১৪), কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের মৃত গোলাম মোস্তফা (গেজেট-১৮৩২), মৃত মো. মুখলেছুর রহমান (গেজেট-১৪২৪), নাসিরুল ইসলাম খান (গেজেট-৩৫৭৯) ও কিশোরগঞ্জ সদরের মো. আজিজুল হক (ননী) (গেজেট-৩৩০৩), গাজীপুরের কালীগঞ্জের আবদুল কাদের (সেনা গেজেট-১৭৭১৭, সনদ-৭৪৮৫৫), মো. আলতাফ হোসেন (গেজেট-১৫২৮), কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের মো. ওয়াহিদুর রহমান (গেজেট-৫৯৫৬) ও মরহুম মো. আবদুল মালেক (গেজেট-৬৮৯৬), কক্সবাজার উখিয়ার রুহুল আমিন (গেজেট-২৪৪), ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ডা. এ গাফফার মিয়া যুদ্ধাহত (লাল মুক্তিবার্তা নং-১০৮০৬০০৫৪), বগুড়ার সারিয়াকান্দির মো. সামাদ আলী (গেজেট-২৯৮২, সনদ-১৯৯৯৮৫), নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চাঁদ মোহাম্মদ (গেজেট-৬৭২), মো. ওসমান আলী (গেজেট-৭২৭), মো. জাকির হোসেন (গেজেট-৭২৮), আ. কাদের মোল্লা (গেজেট-৬৮২), আ. রহমান (গেজেট-৭০১), আ. জব্বার (গেজেট-৭০৩), সরদার মো. বয়েত রেজা (গেজেট-৭১৩, সনদ-৭২৬৪৪), মো. শামসুল হক (গেজেট-৬৪১), মৃত সিরাজুল ইসলাম (গেজেট-৬৮৩), মো. আ. গফুর খান (গেজেট-৬৮৪), মো. শফি উদ্দিন (গেজেট-৭১২), মো. নাজিম উদ্দিন (গেজেট-৬৭৫), মো. আ. রব (গেজেট-৫৬৪), মো. জামাত আলী (গেজেট-৬৫৯), মো. আ. সামাদ (গেজেট-৬৮৫), মো. আফজাল হোসেন (গেজেট-৬৮৮), মো. আ. আউয়াল (গেজেট-৫৪৮), মো. রফিকুল ইসলাম (গেজেট-৬৮৬), মৃত আনছার আলী (গেজেট-৬৯৩), মৃত নুরুল ইসলাম (গেজেট-৬৯৬), পাবনা সদরের মো. নাসির উদ্দিন (গেজেট-৩২৫), পাবনার ঈশ্বরদীর মো. তরিকুল ইসলাম (গেজেট-১০৪৬), টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মো. আবদুল বাছেদ করিম (গেজেট-৬০৬) ও সখিপুরের মো. আ. বছির মিয়া (গেজেট-৪১৩৬), নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মৃত ইলিয়াস মিয়া (গেজেট-১৫৩৯), তোফাজ্জল হোসেন (গেজেট-৮৯২), নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মো. শহীদুল্লাহ সরদার (গেজেট-২৭৯), মৃত আলী আকবর (গেজেট-৪৭৫), মনিরুল ইসলাম (গেজেট-৪৭৩), রহমত উল্লাহ (লাল মুক্তিবার্তা নং-০১৪০২০১৬৯), আবদুল মাজেদ (গেজেট-৩৫৫), বরিশালের উজিরপুরের মো. বেলায়েত আলী বিশ্বাস (গেজেট-৪৬৯০), মো. আবদুল হাকিম মোল্লা (গেজেট-৫০৩১), এছাহাক মুন্সি (গেজেট-৫০২৩), আবদুল মাজেদ আলী হাওলাদার (গেজেট-৪৯৭৪), মৃত মো. আ. রহিম (গেজেট-৫৩৫২), হারুন অর রশিদ (গেজেট-৫১৬১) এবং আ. রহমান সরদার (গেজেট-৫৪১০)।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…