খুঁজুন
, ,

৮ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর একশ’ দিনের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 31 October, 2019, 7:56 pm
৮ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর একশ’ দিনের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা আজ বিকেলে গণভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

দেশব্যাপী জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে গঠিত জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় দেশব্যাপী এই জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বর্ষব্যাপী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের একশ’ দিনের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে বলেও সভায় জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন বিভাগ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের এই কাউন্ট ডাউনের উদ্বোধন করবেন।

সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রেজেন্টেশন উপভোগ করেন এবং এ সম্পর্কে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় দেশব্যাপী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

এর মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, গৃহায়ন এবং গণপূর্ত মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিও ছিলেন।

এছাড়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, বিদ্যুৎ, জ্বলানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসেইন, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান, অভিনেতা হাসান ইমাম এবং শামসুজ্জামান খানও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 2:53 pm
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জুন শনিবার ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, আগামীকাল ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন মিরসরাই কাঠাছড়ায় বাদ যোহর ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। তিনি ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”, এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে।

তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন,

এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।

ইরানের অপেক্ষা বাড়াল ভিএআর, নকআউটে মিসর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 1:03 pm
ইরানের অপেক্ষা বাড়াল ভিএআর, নকআউটে মিসর

মোহাম্মদ সালাহর মিসর জয়ের দেখা না পেলেও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে। শনিবার সিয়াটলে ‘জি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে শেষ ৩২-এ উঠেছে আফ্রিকার দলটি।

একই সময়ে নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম।

ম্যাচের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত মিসরের। মাত্র পঞ্চম মিনিটে মাহমুদ সাবেরের গোলে এগিয়ে যায় তারা। বিশ্বকাপে এটি ছিল মিসরের ইতিহাসে দ্রুততম গোল।

তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ইরান পেনাল্টি পেলেও মেহেদি তারেমির দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। কিন্তু ফিরতি বলে ১৪ মিনিটে রামিন রেজাইয়ান গোল করে সমতা ফেরান।
বিরতির পর ম্যাচে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইরান।

৫৭ মিনিটে কোচ হোসাম হাসান অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে তুলে বিশ্রাম দিলেও মিসরের রক্ষণ ছিল দৃঢ়। শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইরান। তারেমির হেড পোস্টে লাগে, সাঈদ এজাতোলাহির শেষ মুহূর্তের শটও পোস্টে প্রতিহত হয়।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে খলিলজাদেহ বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছিল ইরান। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়।

শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। এই ড্রয়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘জি’-এর রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় মিসর। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে বেলজিয়াম নিউজিল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়। তিন পয়েন্ট নিয়ে ইরানকে এখন অপেক্ষা করতে হবে সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলোর হিসাবের দিকে।