খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেবাবঞ্চিত রোগীরা ফিরে যাচ্ছে বাড়ীতে,রায়পুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ছুটি না নিয়ে অনুপস্থিত ২ স্বাস্থ্যকর্মী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
সেবাবঞ্চিত রোগীরা ফিরে যাচ্ছে বাড়ীতে,রায়পুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ছুটি না নিয়ে অনুপস্থিত ২ স্বাস্থ্যকর্মী

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃলক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২ কমিউনিটি ক্লিনিকের দুই কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থেকে মাসে মাসে বেতন-ভাতা গুনছেন।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকার কথা থাকলেও চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ-ক্লিনিকগুলো খুলতে খুলতে সকাল ১০টা বাজিয়ে দেয়।আবার দুপুর ১টা না বাজতেই বন্ধের তোড়জোড় শুরু করে।সরকারি দেওয়া ঔষধ আমাদের দেওয়া হয়না।কোনো কোনো সময় ঔষধ নেই বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয় রোগীদের।

বেশীরভাগ সময়ই অনুপস্থিত থাকেন কর্মরত উত্তর চরবংশী কমিউনিটি ক্লিনিক সিএইচপি মো: মহসিন ও পূর্ব চরবংশী কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচপি মো: শহীদুল ইসলাম।

নিয়ম অনুযায়ী কমিউনিটি ক্লিনিকে সপ্তাহে দুইদিন একজন উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার, ছয়দিন একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) এবং তিন দিন একজন স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) ও একজন পরিবার কল্যাণ সহকারী উপস্থিত থাকার কথা।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দুটি কমিউনিটি ক্লিনিকের রুম তালাবন্ধ পাওয়া যায়।
সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখা মিলেনি সিএইচপি মো: মহসিন মিয়া ও সকালচসাড়ে ১১টা থেকে ১ টা পর্যন্ত মো: শহীদুল ইসলাম ও তাদের কোনো সহকর্মীর। সরকারি ছুটি ব্যাতীত কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকার কথা না থাকলেও অনুপস্থিত রয়েছেন এই দুই সিএইচপি।

এবিষয়ে মহসিন মিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান,আমি রায়পুরে আছি।আমাদের এফডাব্লিউ এর শামসুন্নাহর রয়েছে, উনাকে থাকার জন্যে বলেছি ।উনী কি আছি এখানে? উনার সাথে কথা বলা যাবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন,’আমি উনাকে ফোন করতেছি।’

উনী তো এখানে নেই। কোথায় গিয়েছন? সুদুত্তরে বলেন, মাঠ পর্যায়ে হয়ত কোথাও গিয়েছে। ছুটি নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, বাবুল ডাক্তারের কাছে নিয়েছি।

এদিকে পূর্ব চরবংশী কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচপি শহীদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে একাধিকার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন বলেন, যদি কেউ কর্মক্ষত্রে অনুপস্থিত থাকেন,তাহলে সেক্ষেত্রে ছুটি নিতে হবে।জরুরী প্রয়োজনে কোথায় যেতে হলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সভাপতিকে অবহিত করতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকের লোকজন ঠিক মত কাজ করছেন কিনা তা দেখার জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।কমিটির দায়িত্বে থাকেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

ইউপি সদস্য রুকন দেওয়ান বলেন, মোহসিন এর আগে যতবার ছুটি কাটিয়েছে তা অবগত করেছে।এই সপ্তাহে ছুটির বিষয়ে কোনো কিছু সে জানায়নি।

এদিকে গত ১ সপ্তাহ যাবত যে সকল স্বাস্থ্যকর্মী ছুটির জন্য আবেদন করেছে, তাদের মধ্য এই দুজনের নাম নেই।

তথ্য অনুযায়ী, গ্রা‌মের মানু‌ষের জন্য প্রাথ‌মিক স্বাস্থ্য প‌রিচর্যা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, বিনামূ‌ল্যে ওষুধ, পু‌ষ্টি, গর্ভবতী, প্রসূ‌তি ও নবজাত‌কের সেবার ব্যবস্থার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি সাবেক ওয়ার্ডে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করার লক্ষ্যে মাঠে নামে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকার।

২০০১ সাল পর্যন্ত ১০ হাজার ৭২৩টি ক্লিনিক চালু করে সে সময় সরকার। তবে ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসার পর আবার চালু করা হয় কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সর্বস্তরের মানুষ ক্লিনিক থেকে সেবা নেয়। তবে সেবা গ্রহণকারীদের ৫০ শতাংশ দরিদ্র বা অতিদরিদ্র।সেবাগ্রহীতাদের ৭৭ শতাংশই নারী।প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে দুই মাস অন্তর সরকারিভাবে ২৭ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হয় প্রতিটি ক্লিনিকে। আর একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) মূল বেতন ১০ হাজার ২০০ টাকা। সর্বসাকুল্যে পান ১৬ হাজার ৭০০ টাকা। যা প্রতিমাসের বেতন ইএফটির মাধ্যমে চলে যায় চাকুুুরীজীবির একাউন্টে। সবকিছুু ঠিকমতো পেলেও নিয়মিত কর্মক্ষেত্রে যোগ দিচ্ছেন না স্বাস্থ্যকর্মীরা।

এ বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আশফাকুর রহমান মামুন বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…