খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে পেঁয়াজের কেজি ১২ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ভারতে পেঁয়াজের কেজি ১২ টাকা

বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য যখন আকাশচুম্বী তখন ভারতে পেঁয়াজের বাজারে ধস নেমেছে।

পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না বলে ভারত সরকারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ব্যবসায়ীরা।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৬০ টাকা দরে  সেখানে ভারতের কেজিপ্রতি ৬ থেকে ১০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।

অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ১২ টাকাও পড়ছে না প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য।

বুধবার দেশটির লাসাগাঁও অনলাইন মার্কেটে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০ রুপি দরে বিক্রি হয়েছে।

ভারতীয়রা বলছেন, এত কমদামে এর আগে কখনও পেঁয়াজ বিক্রি হয়নি ভারতে। এটিই ভারতে পেঁয়াজের সর্বনিম্ন দর।

পেঁয়াজের দাম এমন পানির দরে চলে আসায় বিপুল পরিমাণে লোকসানে পড়েছেন ভারতীয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।

এমন দরপতনের জন্য সম্প্রতি চলমান পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞাকে দুষছেন তারা।

পেঁয়াজে হুট করে ধস নামার পেছনের কারণ হিসেবে তাদের অভিযোগ, পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্থানীয় বাজারের পেঁয়াজ কোথাও যেতে পারছে না। তাই এমন ধস নেমেছে মসলাটির দামে।

তাই পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন দেশটির কৃষকরা।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, ইতিমধ্যে কৃষকদের আন্দোলনে কর্নাটকে উৎপাদিত পেঁয়াজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। এ বিষয়ে দেশটির হর্টিকালচার কমিশনারের অনুমতি মিলেছে কৃষকদের।

গত ২৮ অক্টোবর থেকে চেন্নাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে প্রতি চালানে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করছেন কর্নাটকের কৃষকরা।

কর্নাটকের পাশাপাশি কলকাতার ব্যবসায়ীরাও পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে তাদের রাজ্য সরকারকে চাপ দিচ্ছেন।

তারা বলছেন, এখন আর পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা রাখার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছি না আমরা। মহারাষ্ট্রে নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে। পেঁয়াজের বাজারে ধস নেমেছে। আমরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

প্রসঙ্গত গত ২৯ সেপ্টেম্বর এক আদেশে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। এর পর থেকেই বাংলাদেশে পণ্যটির দাম দফায় দফায় বাড়তে থাকে। নিম্নমধ্যবিত্তদের ক্রয়ের নাগালের বাইরে চলে যায়।

আজ পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১২০-১২৩ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১৩০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…