খুঁজুন
, ,

নিজস্ব শিপইয়ার্ডে আমরা যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবো : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 30 December, 2020, 1:13 pm
নিজস্ব শিপইয়ার্ডে আমরা যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবো : প্রধানমন্ত্রী

আগামীতে নিজস্ব শিপইয়ার্ডে যুদ্ধজাহাজ তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সরকারে আসার পর খুলনা শিপইয়ার্ড সেটা নৌবাহিনীর হাতে তুলে দিই। সেটা প্রথম যখন সরকারে এসেছিলাম তখন। আমাদের ডকইয়ার্ড চট্টগ্রামে এবং নারায়ণগঞ্জে, সেটা আমরা নৌবাহিনীর হাতে তুলে দিই। লক্ষ্য হলো নিজস্ব শিপইয়ার্ডে আমরা আমাদের যুদ্ধ জাহাজও তৈরি করবো। যার কাজ ইতোমধ্যে আমরা কিছু কিছু শুরুও করেছি। তাছাড়া কক্সবাজারের পেকুয়াতে আমরা সাবমেরিন ঘাঁটি নির্মাণ করছি।

আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের নেভাল একাডেমিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মিডশিপম্যান ২০১৮ আলফা এবং ডিইও ২০২০ ব্রাভো ব্যাচের শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়ে নবীন কর্মকর্তাদের সালাম গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুজিববর্ষে একটি পরিবারও গৃহহীন থাকবে না, বিশ্বে বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে চলতে পারে তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে সমুদ্রসীমা ও সম্পদকে কাজ লাগাতে কাজ করছে সরকার।”

শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবার জন্য ইতোমধ্যে নৌবাহিনীতে মোট ২৭টি যুদ্ধ জাহাজ সংযোজন করেছি। ২০১৭ সালে আমরা নৌবহরে ২টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন সংযোজন করি। ফলে, আমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি পূর্ণ ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছি।

‘আমরা নৌবাহিনীতে এভিয়েশন সিস্টেম থেকে শুরু করে সব কিছু করে দিয়েছি। পাশাপাশি আমাদের প্রশিক্ষণটাকে আরও উন্নত করার জন্য “বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স” নির্মাণ করে দিই। নৌবাহিনীর সদস্যদের আবাসন সমস্যা দূর করার জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ করে দিয়েছি।’

বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না, শান্তি চায় উল্লেখ করে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, আমাদের সব সময় লক্ষ্য, আমাদের দেশটা স্বাধীন দেশ। বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবো। আমরা আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার সব রকম প্রস্তুতি নেবো। কিন্তু কারো সঙ্গে যুদ্ধ নয়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই পররাষ্ট্র নীতি নিয়েই আমরা চলবো।

‘আমরা শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। কিন্তু আমাদের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেন সব ধরনের উদ্যোগ থাকে এবং প্রশিক্ষণ থাকে। সেভাবে আমরা আমাদের প্রতিটি বাহিনীকে গড়ে তুলছি। ’

১৯৭৪ সালের ১০ ডিসেম্বর নৌবাহিনী দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দেওয়া একটি ভাষণের উদ্বৃতি দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন ‘যে জাতি নিজেকে সম্মান করতে পারে না, আত্মমর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সে জাতি দুনিয়ায় কোনোদিন বড় হতে পারে না। সেজন্য আজকে আমরা আত্মমর্যাদাবিশিষ্ট জাতি হিসেবে, আত্মমর্যাদা নিয়ে বাস করতে চাই। আমরা অন্য কারো ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। অন্য কেউ আমাদের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক তাও আমরা সহ্য করবো না। আমরা এই নীতিতেই বিশ্বাসী। ’

নবীন অফিসারদের জাতির পিতার নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতার এই নির্দেশটা সব সময় মেনে চলতে হবে। আমাদের নবীন অফিসার তোমরা জাতির পিতার আদর্শ মেনে চলবে। তিনি জাতির জন্য সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন।

সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের যে বিশাল সমুদ্র রাশি তার সম্পদটা যেন আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে পারি সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

দেশে সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। মুজিব বর্ষে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।
শহরের সুযোগ-সুবিধা গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে দিতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

প্রাকৃতিক দুযোর্গসহ দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে নৌবাহিনী সদস্যদের সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জন্মশতবার্সিকীর আয়োজন সীমিত করা হয়েছে। ২০২১ স্বাধীনতার সুবর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে যেখানে জনসমাগম হবে না ।

অনুষ্ঠানে কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পুরস্কার তুলে দেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল।

Feb2
Feb2

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:31 pm
প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির কথা স্বীকার করলেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির চেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন। শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:16 pm
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮৫ টাকা। গত মাসে যা ছিল ১৫৯৮ টাকা।

আজ বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আজ সন্ধ্যা থেকেই যা কার্যকর হবে।

এর আগে, জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। আগস্ট মাসে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৭০ টাকা। যদিও জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে দাম প্রতিকেজি ১৩২ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

একইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে এর দাম ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এ ছাড়া, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৫ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।