খুঁজুন
, ,

যাত্রামোহন সেনের ঐতিহাসিক ভবন ভাঙা যাবে না:হাইকোর্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 6 January, 2021, 5:14 pm
যাত্রামোহন সেনের ঐতিহাসিক ভবন ভাঙা যাবে না:হাইকোর্ট

চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানার রহমতগঞ্জ এলাকায় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত যাত্রামোহন সেনগুপ্ত ঐতিহাসিক বাড়িটি ভাঙার বিষয়ে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট।

‘বাংলা কলেজ’ এলাকায় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত ভবনটি রক্ষায় করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ বুধবার (৬ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হাসান এমএইচ আজিম।

পরে বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী হাসান এমএইচ আজিম গণমাধ্যমকে জানান, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত ভবন ভাঙার বিষয়ে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন উচ্চ আদালত। এ আদেশের ফলে ২০০ বছরের পুরানো সেই ভবন ভাঙা যাবে না।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসুদ আলম চৌধুরী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন। এতে সংস্কৃতি সচিব, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ ছয়জনকে বিবাদী করা হয়

এছাড়াও আবেদনে ৫ জানুয়ারি দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। ওই খবরে বলা হয়, চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার রহমতগঞ্জের ‘বাংলা কলেজ’ এলাকায় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত একটি ভবন রক্ষায় বুলডোজারের সামনে বসে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত।

সোমবার ওই জায়গার জনৈক ‘ক্রেতা’ পুলিশ ও লোকবলসহ ভবনটি ভাঙতে আসার খবর পেয়ে  রানা দাশগুপ্ত ছুটে আসেন। জামালখান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারীসহ অনেকেই তার পাশে দাঁড়ান। ভাঙার দৃশ্য দেখে বিদ্যালয়ে ভর্তির ফরম নিতে আসা অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইসহাকের পরিবারের পরিচালনাধীন শিশুদের কিন্ডারগার্টেন ‘শিশুবাগ’র অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান বলেন, প্রিন্সিপাল ইসহাক ১৯৬৬ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু জমি কিনেন এবং কিছু জমি সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে বাংলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আধুনিক শিশুশিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুবাগ।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৮ সালে শিশুবাগ সরকারের অনুমোদন পায়। অর্ধশতাধিক বছরের প্রাচীন এ প্রতিষ্ঠানটিতে চসিক নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র হিসেবেও তালিকাভুক্ত। জনৈক ক্রেতার ডিক্রির বিষয়ে আমাদের করা মামলা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন জানান, একটি দেওয়ানী মামলায় আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট নাজির ডিক্রিপ্রাপ্তদের জমি দখল বুঝিয়ে দিতে গিয়েছিলেন। সিএমপির সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের নির্দেশে আমাদের পুলিশ সদস্যরা সেখানে ছিলেন। দখল বুঝিয়ে দেয়া বা উচ্ছেদ করার কাজে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কোনো ভূমিকা ছিল না।

এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার ঐতিহাসিক স্থাপনা ভাঙার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করে চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র। এরমধ্যে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মাসুদ আলম চৌধুরী।

 

Feb2
Feb2

খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:55 pm
খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া ব্রাজিলের তৈরি দুটি অত্যাধুনিক ৯ এমএম পিস্তল উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের একটি বস্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। ডিবি উত্তরের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

এর আগে, গত রাতে একই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ মোট সাত পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের বস্তি এলাকায় অস্ত্র কেনা-বেচা চলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ব্রাজিলীয় প্রযুক্তির ‘টরাস’ ব্রান্ডের দুটি ৯ এমএম পিস্তল জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রস ব্যাংক ও রেকর্ডপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, অস্ত্র দুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর অংশ।

বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:48 pm
পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর পূর্ব বাকলিয়া এলাকার ১০০০ অসহায় পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে পূর্ব বাকলিয়া চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্র প্রায় ১০০০ পরিবারের হাতে তিনি এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। বিতরণকৃত খাদ্য তালিকার মধ্যে চাল, ডাল, পিয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাবার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, জনগণের কল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করছি।বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সবার সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় মশক নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের সভাপতি আজিজুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে ও মাহবুব সিদ্দিকীর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তৈয়ব। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শাহজাহান সিরাজ, আলি ইউসুফ, আব্দুল্লাহ আল সগীর, পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব আলী আজগর, বিএনপি নেতা সোলেমান সরদার, আলী আজগর, মো. আলমগীর, রৌশানগীর আমীন, কামরুন্নেসা, হাসানুল করিম, মোহাম্মদ সেলিম, আব্বাস আলী, কোহিনুর আক্তার, মো. শাকের, আবদুস সাত্তার, জিসান, সাজ্জাদ, ইমন, ইউনুস, জুনায়েদ, বোরহান, টিপু, নুরুল আবছার, মো. এরশাদ, আইমন, ইমরান, মো. সাকিন, রুস্তম আলী, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।