খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র নির্বাচিত হলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে আরো দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
মেয়র নির্বাচিত হলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে আরো দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর হচ্ছে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। এই বন্দর চট্টগ্রামে হলেও এর আশেপাশের এলাকার যাদের ভূমি অধিগ্রহণ করে বন্দর গড়ে ওঠেছে ঐসব এলাকার মানুষ বন্দরে চাকুরী পায়না। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় দুই হাজার পদ খালি রয়েছে। এতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চট্টগ্রামের বন্দর এলাকার মানুষকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে থাইল্যান্ডের পাতায়া বিচ আয়তনে অনেক ছোট। কিন্তু তারা সেখানে ফাইভ স্টার হোটেলসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। সে তুলনায় পতেঙ্গায় তেমন অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি।

তিনি বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে পর্যটকদের জন্য আরো দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে গড়ে তুলবো। আমাদের এই প্রিয় চট্টগ্রামকে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্য সম্মত পর্যটন নগরী,পরিছন্ন, আধুনিক বাণিজ্য নগরী হিসাবে প্রতিষ্টার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিব।

তিনি আজ শনিবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে পথসভায় এ কথা বলেন। তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে লালদিয়ার চর, ১৫ নং নিজাম মার্কেট, ফুলচড়ি পাড়া, নাজিরপাড়া, চড়িহালদা, মাইজপাড়া হয়ে চৌধুরী পাড়ায় এসে পথসভায় বক্তব্য রাখেন।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, চট্টগ্রামবাসী বিএনপির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। বিএনপি চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিজয়ী হওয়ার জন্য। চট্টগ্রামবাসীর ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। তিনি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, চসিক নির্বচনে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সকল ভেদাভেদ ভুলে সাহস নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নিতে হবে। তবেই কাঙ্খিত বিজয় অর্জন সম্ভব হবে।

গণসংযোগের আগে তিনি নগরী হালিশহর বি ব্লক এলাকায় সাধারন মানুষের মাঝে করোনার সুরক্ষা সামগ্রী ও মাস্ক বিতরন করেন। পরে তিনি ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাশেমের বাসভবনের সামনে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক সহ সভাপতি জামাল আহমেদ, আহবায়ক কমিটির সদস্য কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসেম, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লা, বিএনপি নেতা সাবেক কমিশনার মোঃ ইসমাইল, মাহমুদ আলম পান্না, মোশারফ হোসেন ডেপ্টি, কাউন্সিলর প্রার্থী ডা: নুরুল আবছার, মোঃ শাহাবউদ্দিন, জসিম উদ্দিন জিয়া, কাউন্সিলর প্রার্থী জেসমিনা খানম, কামাল পাশা নিজামী, বেলায়েত হোসেন বুলু, ইকবাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ সেলিম, আখি সুলতানা, জিয়াউর রহমান জিয়া মোঃ ইলিয়াছ, শফি মেম্বার, মোশারফ জামাল, আনোয়ার হোসেন আরজু, সাইফুল আলম, মোঃ শফিউল্লাহ, মোঃ সোলায়মান, আবদুস সত্তার কন্ট্রাঃ, আবু জাফর, মনির আহমেদ, আলমগীর কোম্পানী, নাজমুল হুদা চৌধুরী নাজিম, জানে আলম কোম্পানী, মোঃ ইসলাম, মোঃ ইলিয়াস, খোরশেদ আলম, আনোয়ার হোসেন, সেলিম রেজা ও প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…