খুঁজুন
সোমবার, ২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চতুর্থ ধাপে ৫৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
চতুর্থ ধাপে ৫৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

চতুর্থ ধাপে নির্বাচনের জন্য ৫৬ পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বোর্ডের সভা শেষে প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়ন পেলেন যারা:

ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় আঞ্জুমান আরা বেগম, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরসভায় মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট পৌরসভায় মোফাজ্জল হোসেন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামে রাশেদুল ইসলাম, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, কালাইয়ে রাবেয়া সুলতানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, রাজশাহীর নওহাটায় হাফিজুর রহমান, গোদাগাড়ীতে উদ্দিন বিশ্বাস, তানোরে ইমরুল হক, তাহেরপুরে আবুল কালাম আজাদ, নাটোর পৌরসভা চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রফিকুল ইসলাম, আলমডাঙ্গায় হাসান কাদের, যশোরের চৌগাছায় নুর উদ্দিন আল মামুন, বাঘারপাড়ায় কামরুজ্জামান, বাগেরহাটে খান হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরায় শেখ নাসিরুল হক, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিপুল চন্দ্র হালদার, বরিশালের মুলাদীতে শফিউজ্জামান, বানারীপাড়ায় সুজন চন্দ্র শীল, টাঙ্গাইলের গোপালপুরে রফিক-উল-হক, কালিহাতীতে নুরুন্নবী, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে আনোয়ার হোসেন, হোসেনপুর এ আবদুল কাইয়ুম, করিমগঞ্জে মুসলেউদ্দিন, মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিম আব্দুস সালাম, নরসিংদীতে আশরাফ হোসেন সরকার, মাধবদীতে মোশারফ হোসেন, রাজবাড়ীতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, গোয়ালন্দে নজরুল ইসলাম, ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিমাই চন্দ্র হালদার, মাদারীপুরের কালকিনিতে এফএম হানিফ, শরীয়তপুর ডামুড্ডা কামাল উদ্দিন আহমেদ, জামালপুরের মেলান্দহ শফিক জাহেদী রবিন, শেরপুর পৌরসভা গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া, শেরপুরের শ্রীবরদীতে মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া, ময়মনসিংহের ফুলপুর শশধর সেন, নেত্রকোনায় নজরুল ইসলাম খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তাকজিল খলিফা, কুমিল্লার হোমনায় নজরুল ইসলাম, দাউদকান্দিতে নাঈম ইউসুফ, চাঁদপুরের কচুয়ায় নাজমুল আলম, ফরিদগঞ্জে আবুল খায়ের পাটোয়ারী, ফেনীর পরশুরামে নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নোয়াখালীর চাটখিলে নিজামুদ্দিন, সোনাইমুড়ীতে নুরুল হক চৌধুরী, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেজবাহউদ্দিন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মোহাম্মদ জাবেদ, পটিয়ায় আইয়ুব বাবুল, চন্দনাইশে মাহবুবুল হক, সিলেটের কানাইঘাটে লুৎফর রহমান, চুনারুঘাটে সাইফুল আলম, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শামসুল আলম, রাঙ্গামাটিতে আকবর হোসেন চৌধুরী এবং বান্দরবনে মোহাম্মদ ইসলাম বেবি।

Feb2

সামনে কঠিন সময়, তেলের দাম বেড়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
সামনে কঠিন সময়, তেলের দাম বেড়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, কঠিন সময়। যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম বেড়ে যাবে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সেগুলো সয়ে নিয়ে আমাদের আগাতে হবে।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নেহা নদী পুন:খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, যুদ্ধ লেগেছে সে কারণে তেলের সরবরাহ কম, কিন্তু পাম্প ভাঙচুর করা সমীচীন নয়। মবকে আমরা কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেব না।

তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। কেউ দুর্নীতি বা অনিয়ম করলে তাকে ক্ষমা করা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং এলাকায় মাছ ও হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের প্রতিটি টাকা যেন যথাযথভাবে জনগণের কল্যাণে ব্যয় হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দলের নেতারা এবার বেহেশতে নিতে পারলো না। আমরা কাজ করে বেহেশতে যাবো। ধর্মকে ব্যবহার করা যায় না। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ ধার্মিক। তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না । আমরা কাজ করতে এসেছি। কাজ করে যাবো। একটি রাজনৈতিক দল মা-বোনদের বেহেশতে নেওয়ার কথা বলে ভুলিয়ে দেয়। এসবে ভুলবেন না। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া বেহেশতে যাওয়া যাবে না। সৎ থাকতে হবে, হালাল রুজি খেতে হবে। না হলে বেহেশতে যাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, গম ঝড় বৃষ্টিতে পড়ে গেছে। আলু বৃষ্টিতে শুয়ে পড়েছে। আমাদের কৃষকের ভাগ্য এটাই। এসব সমস্যা আমরা বুঝি। নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কৃষি ঋণ মওকুফের। আমরা করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সাহায্য হবে এমন কাজগুলো করছেন। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে কয়েক কোটি নারীকে কার্ড দেওয়া হবে। এটার মাধ্যমে তারা সহযোগিতা পাবে। আমাদের সব প্রজেক্টগুলো সম্পন্ন করা হবে। গোটা দেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে।

নেহা নদীর পুনঃ খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়া জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলল হোসেন, জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটি তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় বিষয়টি উল্লেখ করেছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরতরা। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এর আগে, ‘পেট্রোল পাম্পের তেল বিক্রিতে নিরাপত্তার প্রয়োজন’ বলে সংগঠনটি জানায়। তবে জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। পাম্পগুলোতে তেল বিক্রির সময় কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে তাদের দাবি।

সংগঠনটির দাবি, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। তাদের আরেকটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক হিসাবে এই মজুত কয়েকদিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিকে তারা এক ধরনের লুটতরাজ বলে উল্লেখ করেছেন।

একেকজন দৈনিক একাধিকবার তেল নিতে আসছেন বলে অভিযোগ করে তারা জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে তেল বিক্রি করছে পাম্পগুলো। কিন্তু অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে ১০ বারের মতো তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার অনেকেই আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েই বারবার তেল নিতে আসছেন। এতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পাম্পে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে মব সৃষ্টি করে পেট্রোল পাম্প খুলিয়ে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সব পেট্রোল পাম্প মালিকদের ভাগ্যেই ঘটতে চলেছে। এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই।

সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে; ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঈদের আগের দিন রাতে অনেক পেট্রোল পাম্পে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য মাত্র ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়নি। জোর করে পাম্প খুলে সেই জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তাই পাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত না করলে ডিপো থেকে তেল লিফটিং (সংগ্রহ) বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামানোই লক্ষ্য: মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামানোই লক্ষ্য: মীর হেলাল

আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিট’ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, অটোমেশন ও ই-সেবা চালুর মাধ্যমে মানবিক নগদ লেনদেন কমিয়ে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

রোববার (২২ মার্চ) সকালে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে অটোমেশন বাড়ানো, ই-পেমেন্ট চালু এবং অফিসগুলোতে সরাসরি নগদ লেনদেন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী ভূমি অফিসে ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ ই-পে সিস্টেম চালু হয়েছে, যেখানে কোনো ক্যাশ লেনদেন হয় না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামের প্রতিটি ইউনিয়নে ভূমি সেবা না থাকাটা দুঃখজনক। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো প্রতিটি ইউনিয়নে এই সেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি আইন মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সংস্কার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পিত সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়কে একটি স্বচ্ছ, জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

এসময় মীর হেলালের পিতা সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।