খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হানিফ সাহেব আপনি বসুরহাট নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন: কাদের মির্জা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
হানিফ সাহেব আপনি বসুরহাট নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন: কাদের মির্জা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে আগের মন্তব্যের বিষয় ইঙ্গিত দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘হানিফ সাহেব আপনি নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন। আমি আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

রোববার সকালে বসুরহাট পৌরসভা অফিসে নির্বাচনীপরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল কাদের মির্জা বিপুল ভোটে নির্বাচনের বিষয়ে বলেন, আমি ভয়কে জয় করেছি। আমার বিজয়টি আমার কাজের ফসল। আমাদের নেতারা, বড় নেতাদের তেল মারে, তাদের এলাকার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। গরিব বাবা-মা মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেন না, তারা কী তাদের ১০ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন। একটা মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে, তাদের কি কোনো সহযোগিতা করছেন। এদের কি এলাকার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ আছে।

তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় আসলে কিছু কিছু নেতা টাকা-পয়সা দিয়ে নমিনেশনটা নেত্রীকে সুপারিশ করে নেয়। এরা নমিনেশন নিয়ে আর এলাকার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখেন না। তারা এলাকার কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে থাকেন না, উন্নয়নের সঙ্গে থাকেন না। তারা কোনোটার সঙ্গেই নেই।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, অনেক এমপি আছেন, নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করেন না। শত ভাগ না পারলেও অন্তত ৭০ থেকে ৮০ ভাগ যদি প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করতেন, তা হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন যে নির্বাচনগুলো হচ্ছে সব নির্বাচনই জয়ী হতো।

তিনি বলেন, আজ দাগনভূঁইয়া ও বাংলাদেশের যে নির্বাচনগুলো হয়েছে তা দুঃখজনক। আর এ পরিবর্তনগুলো কে আনবে? খালেদা জিয়া এখন সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে বাসায় শুয়ে আছে, ছেলে (তারেক রহমান) হলো দুর্নীতিবাজ, বাংলাদেশে এলেও তার পক্ষে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আর জামায়াতে ইসলামী আছে, তাদের কোনো রেজিস্ট্রেশন নাই। জামায়াত হলো কোল বালিশ; কোল বালিশ হিসেবে আরও ৫০ বছর থাকতে হবে, তাদের ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই।

তারা এ পরিবর্তন আনতে পারবে না। এ পরিবর্তন আনতে পারবে একমাত্র বাংলার প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার সেই সৎ সাহস আছে। সে প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করেন বলে জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের মির্জা বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীতে ৩-৪টা আসন আমাদের। ওবায়দুল কাদের সাহেবের উন্নয়ন এবং ওনার নীতিনৈতিকতার কারণে এখানে আগের চাইতে উনার জনসমর্থন অনেক বেড়েছে। উনি এখানে নির্বাচিত হবেন।

তিনি বলেন, হাতিয়ায় আমাদের সাংগঠনিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। সেখানেও অপরাজনীতি আছে আমি অস্বীকার করব না। সেখানে যে খুনাখুনির রাজনীতি এটিও আমরা ঘৃণা করি। বেগমগঞ্জের আসনটা বর্তমান এমপি সাহেব মোটামুটি চালাচ্ছে। চাটখিল-সোনাইমুড়ী আসনে ইব্রাহীম সাহেব অনেক ভালো চালাচ্ছেন। যতটুকু তথ্য আমি নিয়েছি, এর বাহিরে বৃহত্তর নোয়াখালীতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় আর একটিতেও আওয়ামী লীগ জয় পাবে না।

এসব আসনে নির্বাচিত হতে হলে তারা যে অপকর্ম করে, এগুলো থেকে সরে আসতে হবে। টেন্ডারবাণিজ্য, চাকরিবাণিজ্য থেকে আরম্ভ করে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করাসহ যত অপকর্ম তারা করেন, এগুলো তারা ভালোভাবে জানেন, এগুলো বন্ধ করতে হবে বলে জানান কাদের মির্জা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এলাকার দু-একজন কুলাঙ্গারের সহযোগিতায় ফেনীর দাগনভূঁইয়া ছেলেরা আমার বাড়িতে চারবার আক্রমণ করেছে। আমি নিজাম হাজারীকে বলে কোনো বিচার পাইনি। এরা সেখানে কি করে খোঁজখবর নিয়ে দেখেন।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, স্বপন মিয়াজী সেখানে নমিনেশন নিয়েছে, খোঁজখবর নিয়ে দেখেন তারা সেখানে কি করে। এ বিয়ষগুলো আমাদের নেতা (ওবায়দুল কাদের) বিবেচনায় আনা দরকার। যেহেতু ওনার এলাকা। উনি শুধু বৃহত্তর নোয়াখালীর নেতা নয়; চট্টগ্রাম বিভাগে আমার মনে হয় এই প্রথম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছে। এ বিভাগে আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না। এ বিভাগে ওনার (ওবায়দুল কাদের) দায়িত্ব আছে।

এ বিষয়গুলোর ব্যাপারে তাকে (ওবায়দুল কাদের) নজর দিতে হবে। তাকে নেত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে সঠিক তথ্যটা তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব নীতিনৈতিকতা নিয়ে রাজনীতি করে। এদের সঙ্গে লড়াই করার মতো বা এদের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থানে যাওয়ার মতো শারীরিক অবস্থাও নেই আর ওই মানসিকতাও তিনি পোষণ করেন না।

অস্ত্রের রাজনীতি কোম্পানীগঞ্জ থেকে চিরবিদায় নেবে। বিরোধী দলের যাদের কাছে অস্ত্র আছে, সে বিষয়ে আমি তাদের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করব। তাদের দুজনের কথা আমি বিএনপি প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরীকে জানিয়েছি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…