খুঁজুন
, ,

নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 18 January, 2021, 4:51 pm
নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশন নিবার্চনের বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে চট্টগ্রামের মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। মানুষের সুখ—দুঃখ বুঝি। করোনাকালে মানুষের পাশে থেকেছি, এখনও সাহায্য সহায়তা করে যাচ্ছি। ফ্রি ট্রিটমেন্ট দিচ্ছি। তাই চট্টগ্রামের মানুষ আমাকে পছন্দ করে। মেয়র নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো। পাশাপাশি এই চট্টগ্রামে পর্যটন নগর গড়ে তুলে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবো। কারণ চট্টগ্রাম পর্যটন নির্ভর একটি বিভাগ। এখানে সি—বিচ আছে, ফয়’জ লেক, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটি আছে। এগুলোকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে পর্যটন নগর গড়ে তোলা যায়।

তিনি আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দিনব্যাপী নগরীর ৮ নং শুলকবহর ও ৪২ নং নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

তিনি কেন্দ্রিয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলুসহ নেতৃবৃন্দ নিয়ে নগরীর কাতালগঞ্জ মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করে শেখ বাহারউল্লাহ মসজিদ, বড় গ্যারেজ, বাদুরতলা, বহদ্দারহাট মোড়, শোলকবহর মাদ্রাসা রোড়, মিজার্পুল, জলিল বিল্ডিং, ফরেস্ট গেইট, মুরাদপুর মোড়, বশর মার্কেট, পিলখানা গলি হয়ে বন গবেষণাগার মাঠে গিয়ে শেষ করেন। পরে নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডের গণসংযোগ ২নং গেইট বিপ্লব উদ্যানের মোড় থেকে শুরু করে নাসিরাবাদ পূর্বকোন অফিস, লডর্স ইন হোটেলের পাশের সড়ক হয়ে নাসিরাবাদ সরকারী বালিকা বিদ্যালয় রোড়, আল—ফালাহ গলি, দুই নং গেইট রেলক্রসিং, মেয়র গলি, বেবী সুপার মার্কেট হয়ে রুবি গেইট মোড়ে গিয়ে পথসভায় মিলিত হন।

এসময় ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম পর্যটন নগরী হলে দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের জিডিপি বৃদ্ধি পাবে। উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছতে চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে কল্পনাও করা যায় না। মেয়র নির্বাচিত হলে সচেতন নাগরিকদের পরামর্শকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষাবান্ধব নগরী গড়ে তুলবো।

ডা. শাহাদাত বলেন, বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ধারা উপহার দিতেই নির্বাচনের মাঠে বিএনপি। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছেন। চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যে কাজগুলো করছে, অনতিবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হোক।

ধানের শীষ প্রতিকের মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষে গণসংযোগে অংশ নিয়ে কেন্দ্রিয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলু বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশন নিবার্চনে বিএনপি একজন ভালো মানুষকে মনোনয়ন দিয়েছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন ক্লিন ইমেজের নেতা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান তাকে যোগ্য নেতা হিসেবে চট্টগ্রামবাসীকে সেবা করার জন্য মেয়র হিসেবে প্রার্থী দিয়েছেন। তিনি এই করোনা দুযোর্গে সবসময় আপনাদের পাশে ছিল। আপনারা তাকে ভোট দিয়ে মেয়র নিবার্চিত করুন।

পথসভায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। আমরা জনগণের ভোটে বিশ্বাসী। সন্ত্রাসী কার্যক্রম আমাদের মধ্যে নেই। কয়েকদিন ধরে দেখেছেন, বিভিন্ন ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা কীভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সুষ্ঠু নিবার্চন হলে ইনশআল্লাহ ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস কে খোদা তোতন, কাজী বেলাল উদ্দীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য হারুন জামান, আশরাফ চৌধুরী, মো: কামরুল ইসলাম, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা এম এ হালিম, জসিম উদ্দীন সিকদার, মো: সেকান্দর চৌধুরী, পাচঁলাইশ থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, শোলকবহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাজী শামসুল আলম, সাধারন সম্পাদক ও ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী হাসান চৌধুরী উসমান, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জিন্নাতুন নেছা জিনু,নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা উল্লাহ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মো: হাসান, বিএনপি নেতা, আবদুল হাই, মোজাম্মেল হক হাসান, শাহিদুর রহমান বেলাল, তারেক রশিদ, শাহ আলম চৌধুরী, জাকির হোসেন, অঙ্গসংগঠনের নেতা, তোফাজ্জল হোসেন, মো: মূসা, ইকবাল পারভেজ, মো: আলী সাকি, জিয়াউর রহমান জিয়া, আলী মতুর্জা খান, জমির উদ্দীন নাহিদ, শেখ রাসেল, দিদারুল আলম, মো: মোতালেব, শাহিন উমরান রমজান, নাজিম উদ্দীন, মো: হাসান, আলী আকবর, মো: আফসার, মহসিন কবির আপেল, আলিফ উদ্দীন রুবেল, সালাউদ্দীন সাহেদ, সামিয়াত আমিন জিসান, জনি, ইকবাল জিসান, মো: জুয়েল প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।