খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো : ডা: শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশন নিবার্চনের বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে চট্টগ্রামের মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। মানুষের সুখ—দুঃখ বুঝি। করোনাকালে মানুষের পাশে থেকেছি, এখনও সাহায্য সহায়তা করে যাচ্ছি। ফ্রি ট্রিটমেন্ট দিচ্ছি। তাই চট্টগ্রামের মানুষ আমাকে পছন্দ করে। মেয়র নিবার্চিত হলে চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো। পাশাপাশি এই চট্টগ্রামে পর্যটন নগর গড়ে তুলে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবো। কারণ চট্টগ্রাম পর্যটন নির্ভর একটি বিভাগ। এখানে সি—বিচ আছে, ফয়’জ লেক, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটি আছে। এগুলোকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে পর্যটন নগর গড়ে তোলা যায়।

তিনি আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দিনব্যাপী নগরীর ৮ নং শুলকবহর ও ৪২ নং নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

তিনি কেন্দ্রিয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলুসহ নেতৃবৃন্দ নিয়ে নগরীর কাতালগঞ্জ মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করে শেখ বাহারউল্লাহ মসজিদ, বড় গ্যারেজ, বাদুরতলা, বহদ্দারহাট মোড়, শোলকবহর মাদ্রাসা রোড়, মিজার্পুল, জলিল বিল্ডিং, ফরেস্ট গেইট, মুরাদপুর মোড়, বশর মার্কেট, পিলখানা গলি হয়ে বন গবেষণাগার মাঠে গিয়ে শেষ করেন। পরে নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডের গণসংযোগ ২নং গেইট বিপ্লব উদ্যানের মোড় থেকে শুরু করে নাসিরাবাদ পূর্বকোন অফিস, লডর্স ইন হোটেলের পাশের সড়ক হয়ে নাসিরাবাদ সরকারী বালিকা বিদ্যালয় রোড়, আল—ফালাহ গলি, দুই নং গেইট রেলক্রসিং, মেয়র গলি, বেবী সুপার মার্কেট হয়ে রুবি গেইট মোড়ে গিয়ে পথসভায় মিলিত হন।

এসময় ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম পর্যটন নগরী হলে দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের জিডিপি বৃদ্ধি পাবে। উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছতে চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে কল্পনাও করা যায় না। মেয়র নির্বাচিত হলে সচেতন নাগরিকদের পরামর্শকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষাবান্ধব নগরী গড়ে তুলবো।

ডা. শাহাদাত বলেন, বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ধারা উপহার দিতেই নির্বাচনের মাঠে বিএনপি। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছেন। চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যে কাজগুলো করছে, অনতিবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হোক।

ধানের শীষ প্রতিকের মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষে গণসংযোগে অংশ নিয়ে কেন্দ্রিয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলু বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশন নিবার্চনে বিএনপি একজন ভালো মানুষকে মনোনয়ন দিয়েছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন ক্লিন ইমেজের নেতা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান তাকে যোগ্য নেতা হিসেবে চট্টগ্রামবাসীকে সেবা করার জন্য মেয়র হিসেবে প্রার্থী দিয়েছেন। তিনি এই করোনা দুযোর্গে সবসময় আপনাদের পাশে ছিল। আপনারা তাকে ভোট দিয়ে মেয়র নিবার্চিত করুন।

পথসভায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। আমরা জনগণের ভোটে বিশ্বাসী। সন্ত্রাসী কার্যক্রম আমাদের মধ্যে নেই। কয়েকদিন ধরে দেখেছেন, বিভিন্ন ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা কীভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সুষ্ঠু নিবার্চন হলে ইনশআল্লাহ ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস কে খোদা তোতন, কাজী বেলাল উদ্দীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য হারুন জামান, আশরাফ চৌধুরী, মো: কামরুল ইসলাম, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা এম এ হালিম, জসিম উদ্দীন সিকদার, মো: সেকান্দর চৌধুরী, পাচঁলাইশ থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, শোলকবহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাজী শামসুল আলম, সাধারন সম্পাদক ও ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী হাসান চৌধুরী উসমান, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জিন্নাতুন নেছা জিনু,নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা উল্লাহ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মো: হাসান, বিএনপি নেতা, আবদুল হাই, মোজাম্মেল হক হাসান, শাহিদুর রহমান বেলাল, তারেক রশিদ, শাহ আলম চৌধুরী, জাকির হোসেন, অঙ্গসংগঠনের নেতা, তোফাজ্জল হোসেন, মো: মূসা, ইকবাল পারভেজ, মো: আলী সাকি, জিয়াউর রহমান জিয়া, আলী মতুর্জা খান, জমির উদ্দীন নাহিদ, শেখ রাসেল, দিদারুল আলম, মো: মোতালেব, শাহিন উমরান রমজান, নাজিম উদ্দীন, মো: হাসান, আলী আকবর, মো: আফসার, মহসিন কবির আপেল, আলিফ উদ্দীন রুবেল, সালাউদ্দীন সাহেদ, সামিয়াত আমিন জিসান, জনি, ইকবাল জিসান, মো: জুয়েল প্রমুখ।

Feb2

নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে এসএসএফ-এর পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, এসএসএফ যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই সময়ের সঙ্গে বর্তমান সময়ের অনেক পার্থক্য। বর্তমানে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থা ও ব্যবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স ‘এসএসএফ’-এর ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তরুণ বেলা থেকেই এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে নিজের পরিচিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে বর্তমানে প্রতিদিন-প্রতি সময় আমি এসএসএফের কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করছি। তবে এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে আমার পরিচয় নতুন নয়। মরহুমা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তখন থেকেই অর্থাৎ আমার তরুণ বেলা থেকেই আমি এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম নামাজে জানাজা আয়োজনের ক্ষেত্রেও প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে এসএসএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমি এসএসএফকে আমার ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আবারো ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, এইসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি। একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে এসএসএফ-এর পিছিয়ে থাকার কোনোই সুযোগ নেই।

এসএসএফের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নিজের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করতে চান বলে উল্লেখ করে বলেন, সেটি হলো, সরকার প্রধান হিসেবে জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপরই আমার সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা। সুতরাং, নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, একটি সফিসটিকেটেড বাহিনী হিসেবে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে। রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী সরকার প্রধান হিসেবে এসএসএফ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আপনারা জানেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করে সড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমি আমার গাড়িবহরের আকার সীমিত করেছি। ফলে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে এসএসএফকে হয়তো দক্ষতা এবং নিরাপত্তা কৌশলের ওপর বেশি জোর দিতে হচ্ছে। আপনারা যথাসম্ভব সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, আপনাদেরকে ধন্যবাদ।

সরকার প্রধান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায়শই জনসভা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে হয়। এই ধরনের অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিছুটা জটিল। এ ধরণের পরিস্থিতিতে একদিকে সরকার প্রধানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা, অপরদিকে নাগরিক জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত রাখা এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেই এসএসএফকে তাদের নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, এ ধরণের পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু এবং সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এসএসএফের কর্মদক্ষতাও প্রতিভাত হয়ে ওঠে।

তারেক রহমান বলেন, কিছুক্ষণ আগেই আমি এসএসএফ-এর নবনির্মিত অত্যাধুনিক ফায়ারিং রেঞ্জটি উদ্বোধন করেছি। উদ্বোধনী মহড়াও প্রত্যক্ষ করেছি। পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে নবনির্মিত এই ফায়ারিং রেঞ্জ নিঃসন্দেহে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আশা করি, নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন এবং নিজেদের পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে আপনারা এই ফায়ারিং রেঞ্জের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।

২০০২ সালের পর এসএসএফের রেড বুক সময়ের চাহিদানুযায়ী পুনরায় সংস্কার করে বর্তমানে আরও আধুনিক এবং সময়োপযোগী করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই ‘রেড বুক’ এসএসএফের কার্যপদ্ধতি এবং কর্মপদ্ধতির নীতিমালা প্রদানের পাশাপাশি আইনি সুরক্ষাও নিশ্চিত করেছে। আপনাদের জন্য রেড বুকে উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে অনুসরণ করা অবশ্য জরুরি। তবে রেড বুকের নির্দেশনার পাশাপাশি সময় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নেরও সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসএসএফের মতো বিশেষায়িত বাহিনীর জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি চেইন অব কমান্ড এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান এবং দেশে-বিদেশে রাষ্ট্রঘোষিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সঙ্গে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। সুতরাং, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে দেশের অন্য সকল নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমেই এসএসএফকে নিরাপত্তা কৌশল নিশ্চিত করতে হয়। আমি মনে করি, সমন্বয় যত বেশি দক্ষতার সঙ্গে করা যায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তত বেশি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, অবশ্যই আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবেন। তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণ যাতে দুর্ব্যবহারের শিকার না হয় সে দিকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকবেন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এসএসএফ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন।

পটিয়ায় মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: প্রতিবেশীসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: প্রতিবেশীসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

আবদুল্লাহ আল নোমান পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার একটি ময়লার ভাগাড়ে যৌথ অভিযানে ডিবি ও থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা।

পুলিশ জানায়, তাদের বসতঘরের পেছনের ময়লার ভাগাড় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে অপহৃত শিশুর পরিবারের শয়নকক্ষের বিছানায় একটি হাতে লেখা মুক্তিপণের চিঠি পাওয়া যায়। চিঠিতে শিশুটিকে ফেরত পেতে ৩০ মিনিটের মধ্যে ৩ লাখ টাকা এবং পরিবারের একজনের আনলক করা মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট স্থানে রেখে যেতে বলা হয়েছিল। ঘটনাটি জানার পর পুলিশ চিরকুটটি আলামত হিসেবে জব্দ করে তদন্ত শুরু করে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু জায়হান। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে প্রথমে পরিবারের ধারণা ছিল, সে পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুকুরে তল্লাশি চালিয়েও কোনো সন্ধান না মেলায় পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। একই সময়ে উদ্ধার হয় মুক্তিপণের সেই চিঠি।

নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে প্রতিবেশীরাই শিশুটিকে অপহরণ করে। পরে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্তরাই পরিবারের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার নাটকও করেছিল।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, ভোরে অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের ডোবা সংলগ্ন স্থান থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

উজবেকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চ চেনাল কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
উজবেকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চ চেনাল কলম্বিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবার চমক দেখানোর স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল উজবেকিস্তান। তবে নবাগতদের সেই রঙিন স্বপ্নকে লাতিন আমেরিকার মাঠের কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিল কলম্বিয়া। উজবেক ডিফেন্সের সব প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা লাতিন ছন্দে আক্রমণ চালাতে থাকে কলম্বিয়া। এরপরও প্রথম গোলে র জন্য ৪০ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় তাদের। এসময় গোল করে দলকে লিড এনে দেন ড্যানিয়াল মুনোজ। লুইস দিয়াজের দেওয়া পাসে গোলটি করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

ম্যাচে ফিরতে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ বাড়াতে থাকে উজবেকিস্তান। সেই সুবাদে ৬০তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। গোলটি করেন আববোসবেক ফয়জুললভ।

কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলটির। এরপর উজবেকিস্তানের জালে আরও দুবার বল পাঠায় কলম্বিয়া। ৬৫তম মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন লুইস দিয়াজ। আর ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে ব্যবধান ৩-০ করেন জেমিনটন ক্যাম্পাজ।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থান অনেকটাই মজবুত করল কলম্বিয়া। সর্বোচ্চ তিন পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান তাদের। আর টেবিলের তলানিতে রয়েছে উজবেকিস্তান।