খুঁজুন
সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্ন বস্ত্রের সমাধানের পর গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা -তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
অন্ন বস্ত্রের সমাধানের পর গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা -তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদা, অন্ন বস্ত্র এবং বাসস্থান। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের অন্ন ও বস্ত্রের সমস্যার সমাধান অনেক আগেই করেছেন। এখন গৃহহীনদের মাথা গোাঁজার জন্য ঠাঁই করে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

তিনি বলেন, বাসস্থানের সমস্যা এখনও আমাদের দেশে থেকে গেছে। এই সমস্যাকে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে এবং স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তিতে সমস্ত গৃহহীন মানুষকে ঘর করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এবং দেশে কোন গৃহহীন মানুষ থাকবে না, সেই ঘোষণা দিয়েছেন। ৭০ হাজারের মতো পরিবারের কাছে জমিসহ ঘরের দলিল হস্তান্তর করে সেই ঘোষণা তিনি আজকে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়নের ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভুমিহীন ও গৃহহীনদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জমি ও ঘর প্রদান কর্মসুচি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে তথ্যমন্ত্রীসহ রাঙ্গুনিয়ার উপকারভোগী, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতারা উপভোগ করেন।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) রাজিব চৌধুরীর সঞ্চালনায় দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, এডভোকেট আয়েশা আক্তার।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন, মুজিববর্ষে আমরা গৃহহীনদের ঘর করে দেবো। সেই ঘোষণা শুধু ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি তার রাষ্ট্রযন্ত্র ও দলকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। আজকে একদিনে ৭০ হাজারের মতো ঘর তিনি উদ্বোধন করেছেন।

তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে আজকে যারা ঘর পেয়েছে তারা কখনও ভাবেনি এই ধরণের একটি জমির মালিকানাসহ দুই রুমের একটি ঘর উপহার পাবেন। এই অভাবনীয় কাজ আজকে জাতীর জনকের কন্যা শেখ হাসিনা করেছেন। আমার জানা নেই পৃথিবীর অন্য কোন দেশে এভাবে একই দিনে ৭০ হাজার পরিবারকে ঘর দেওয়া উদ্বোধন হয়েছে কিনা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আগে ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ, এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ, অর্থাৎ আমরা ক্ষুদাকে জয় করেছি। ভরদুপুরে কিংবা সন্ধ্যার পরে শহরের অলিগলিতে কিংবা গ্রাম গ্রামান্তরে “মা আমাকে একটু বাসি ভাত দেন” সেই ডাক এখন আর শোনা যায়না। কারণ বাসি ভাতের সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে অনেক আগে। আজকে কোন ভিক্ষুক চাল ভিক্ষা নেয় না, কারণ চালের প্রয়োজন এখন আর নেই।

তিনি বলেন, দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন, এরপরও কিছু কিছু ভিক্ষুক আছে। তবে শুধু ভিক্ষুক যে বাংলাদেশে আছে তা নয়, অনেক দেশে ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ভিক্ষুক আছে। বাংলাদেশে যদি কেউ ভিক্ষুককে এখন দুই টাকা দেই, ভিক্ষুক তাকে দুইটা গালি দেবে। ৫ টাকা দিলে আপাদমস্তক থাকিয়ে দেখবে, মানুষটা কেমন। লাল রঙের ১০টাকার নোট দিলে মোটামুটি খুশি হবে, তবে পুরাপুরি না। এই হচ্ছে আজকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশে কোন ছেঁড়া কাপড় পড়া ও খালি পায়ে মানুষ দেখা যায়না। আগে আমাদের দেশে বিদেশ থেকে পুরনো কাপড় আসতো, সেগুলো ধোলাই করে হকার্স মার্কেটে বিক্রি হতো। সেগুলো কিনে আমরা পড়ে সাহেব সাজার চেষ্টা করতাম। আর এখন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোষাক বিদেশে রপ্তানি হয়, আর সেগুলো বিদেশের বড় বড় মার্কেটে বিক্রি হয়, এবং সেগুলো পড়ে সেখানকার সাহেবরা তাদের সাহেবগিরি ঠিক রাখে, অর্থাৎ পরিস্থিতি এখন উল্টে গেছে।

যারা ঘর পেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা ঘর পেয়েছেন তারা কখনও চিন্তা করেননি জমিসহ এরকম একটি ঘর পাবে, কিন্তু তারা ঘর পেয়েছেন। এটি কোন সরকার দিয়েছে সেটি মনে রাখতে হবে। এটি দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার, নৌকা মার্কার সরকার, এটি দেশের সবধরনের ভোটের সময়ও মনে রাখতে হবে। ভোটের সময় আসলে অনেক রকমের দল আপনাদের সামনে হাজির হবে, তাদের বলতে হবে কখনো আমাদের খবর নাওনি, বদমাইশরা আবার এসেছো ধোঁকা দিতে, এমন করে তাদের জবাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, যদি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকে, এখন যে গৃহহীনরা ঘর পেয়েছে তা অন্যরা ক্ষমতায় এলে কেড়ে নেবে। নৌকা মার্কার সরকার ক্ষমতায় না থাকলে অন্য কাউকেও এভাবে আর কেউ ঘর করে দেবেনা।

প্রধানমন্ত্রীর আহবানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিজের নির্বাচনী এলাকায় নিজের ও দলের নেতৃবৃন্দের অর্থায়নে এধরণের কমপক্ষে ৫০টি ঘর করে দেবেন বলেও জানান অনুষ্ঠানে।

Feb2

বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে কোর্ট চত্বরে পৌঁছান তিনি। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময় তিনি বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির নবনির্মিত ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজে পৌঁছান তিনি।

ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন এবং সিটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাল খনন কার্যক্রম, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজ পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন এবং বিকেলে পুনরায় শহরে ফিরে আসবেন। বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বগুড়া শহরসহ আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ভিড় করছেন এবং তাকে একনজর দেখতে অপেক্ষা করছেন।

কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, গণমুখী কবিয়াল জনক রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আগামী ০৯ মে ২০২৬ ইং (২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলা) এই মহান আধ্যাত্মিক সাধকের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক মানস চৌধুরী।

সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ বাবু কাজল শীল। সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি। এছাড়াও বক্তব্য দেন সদস্য রমেশ পরিবারের সদস্য এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটন এবং প্রকৌশলী রানা শীল মাইকেল।

সভায় উপস্থিত ছিলেন রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট পরিবারের উত্তরাধিকারী পিকলু সরকার, রণধির শীল, সুব্রত সরকার টার্জেন, সমর শীল ওপেলসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এতে এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটনকে আহ্বায়ক এবং ইঞ্জিনিয়ার রানা শীল মাইকেলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন রমেশ পরিবারের চিত্ত রঞ্জন শীল, কল্পতরু শীল, দুলাল শীল, সুলাল শীল, নেপাল শীল, পিকলু সরকার, সুব্রত সরকার, রণধির শীল, রুপাল শীল, জুয়েল শীল, রাইনেল শীল, সমর শীল, প্রণব চৌধুরী রঞ্জন, তম্ময় শীল, লিংকন চৌধুরী, টিকলু সরকার, শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি ও রমেশ ভক্ত বিজয় শীল, জিকু শীল।

উল্লেখ্য : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম রূপকার, ১৯৪৮ সালে “বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল” উপাধিপ্রাপ্ত এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল রমেশ শীল বাংলা লোকসংস্কৃতি ও গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে অনন্য অবদান রেখে গেছেন তার মহা কর্মযজ্ঞের কিছুটা প্রকাশিত হয়েছে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত রমেশ রচনাবলী বইয়ের মধ্যে।

আসন্ন জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কবিয়াল রমেশ শীলের জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে সভায় প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

সরকার সিআরবিতে হাসপাতাল করবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
সরকার সিআরবিতে হাসপাতাল করবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি : রেলমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সিআরবিতে হাসপাতাল করার কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রীর শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেছেন, সরকার পরিবেশের ক্ষতি করে, চট্টগ্রামবাসীকে অস্থিরতার মধ্যে রেখে, ঝুঁকির মধ্যে রেখে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। তবে যেভাবে ক্ষতি ভাবা হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে তা না। তার চেয়ে আরও বেশি জনবান্ধব, আরও বেশি চট্টগ্রামের জন্য প্রয়োজন। সেগুলো বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান রেলমন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, আমি যেটি জেনেছি, আগের সরকার সিআরবিতে একটি প্রকল্পের জন্য চুক্তি করেছিল। তাদের সঙ্গে সমাধানে যেতে হবে। সম্ভাব্য কি সমাধান হতে পারে, তা সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। তবে কী সমাধান হচ্ছে বা সরকার এখানে হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত করবে কি-না, করলে কী প্রক্রিয়ায় করবে সিটি নিয়ে বলার মতো কোনো অগ্রগতি নেই।

এসময় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সিআরবির বিভিন্ন ভবন পরিদর্শন করেন।