খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুর-হাজিগঞ্জ ও গৌরীপুর জেলা সড়ক ২টি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত হতে যাচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুর-হাজিগঞ্জ ও গৌরীপুর জেলা সড়ক ২টি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত হতে যাচ্ছে

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিনিধি : লক্ষ্মীপুরের বাগবাড়ি হতে উৎপন্ন পালেরহাট কালিবাজার মীরগঞ্জ রামগঞ্জ ফকির বাজার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ হয়ে কুমিল্লার কচুয়া গৌরীপুর পর্যম্ত জেলামহাসড়ক দুইটিকে একত্রিকরণ করে ‘আঞ্চলিক মহাসড়কে’ উন্নীত হতে যাচ্ছে। এতে করে ঢাকামুখী যানবাহনগুলো স্বল্প সময়ে এই সড়কে রাজধানীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে।

গেলো বছরের নভেম্বরের ২৬ তারিখে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পিটিশন বিভাগের সদস্য ও চাঁদপুর-১ আসনের সাংসদ ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর প্রেরিত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ হতে প্রাপ্ত ডিওপত্রে অত্র জেলা সড়ক দুইটির গুরুত্বারোপ করেন। এ পত্রের আলোকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মহাসড়ক বিভাগ পরিকল্পনা শাখার (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) উপসচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক ৮ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগকে পরিপত্রের মাধ্যমে সড়কটির উপর টেকনিক্যাল সার্ভে রিপোর্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশ দেন।

জেলা মহাসড়ক থেকে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীতকরণ করা হলে বর্তমান ১৮ ফুটের সড়ক ২৪ ফুটে উন্নীতকরণ করা হবে।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ বলেন-‘আমরা চিঠি পাওয়ার পর টেকনিক্যাল রিপোর্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনার পাইল মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি। ফাইল পাস হয়ে এলে দ্রুতই আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নীতকরণ কাজ শুরু হবে।

লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মোঃ মোজাম্মেল হক(২) বলেন-‘আঞ্চলিক মহাসড়ক করনের বিষয়ে চিঠি পেয়ে আমি সড়ক পরিদর্শন করেছি। লক্ষ্মীপুর অংশের ৩৮ কিলোমিটার সড়কে আঁকাবাঁকা বেশি । আমাদের প্রস্তাবনায় আমরা সড়কের আঁকাবাঁকা গুলোর ‘যেসব স্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ সেগুলোকে সহজীকরণ করার বিষয়ে প্রস্তাবনা করেছি।’

আঞ্চলিক মহাসড়ক হলে উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে এবং রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম হবে। একদিকে জরুরী রোগী পরিবহন যেমন সহজ হবে তেমনি এতদঞ্চলের কাঁচা শাকসবজি আমদানি-রপ্তানিতে সময় ও খরচ কম লাগবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…