খুঁজুন
, ,

সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে আসুন- ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 25 January, 2021, 6:53 pm
সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে আসুন- ডা: শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচার প্রচারণার শেষ দিনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ও জনপ্রিয় দল হিসেবে জনগণের প্রতি রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা থেকে চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। চট্টগ্রামের জনগণের প্রত্যাশা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। বিএনপিরও প্রত্যাশা সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছে। তিনি নগরবাসীকে সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে আসার আহবান জানান।

আজ সোমবার (২৫ জানুয়ারী) দিনব্যাপী জামালখান, এনায়েত বাজার ও আলকরণ ওর্য়াডে গণসংযোগ চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে পুরাতন বিমান অফিস রোড, আসকার দিঘীর পাড়, হেমসেন লেইন, মোমিন রোড, বৌদ্ধমন্দির, এনায়েত বাজার, তিন পুলের মাথা, আমতল, নিউ মার্কেট মোড়, ষ্টেশন রোড, বিআরটিসি মোড়, বাটালী রোড়, লাভলেইন, কাজীর দেউড়ি হয়ে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

তিনি বলেন- নির্বাচনের প্রচারণায় আমি যে এলাকায় গিয়েছি, বিএনপির প্রতি, ধানের শীষের প্রতি সাধারণ মানুষের জোয়ার দেখেছি। সেই জোয়ার দেখে আওয়ামী লীগের নেতা, মন্ত্রী-এমপিদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের পেছনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় দলবাজ, অতি উৎসাহী কর্মকর্তা এবং নিজেদের দলের গুন্ডা-মাস্তানদের লেলিয়ে দিয়েছে। এপর্যন্ত আমাদের শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। বাসায় বাসায় গিয়ে হয়রানি করছে। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে। গুম-খুনের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমার প্রচারণায় একাধিকবার হামলা হয়েছে। আইনের পোশাক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তা বেআইনি কাজ করছে।

ড: শাহাদাত বলেন, বর্তমানে ভোটের পরিবেশ অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে তারা আদৌ ভোট দিতে পারবে কি না। নির্বাচনকে বানচালের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমরা পরিস্কার বলে দিতে চাই, নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনরায় মানতে বিএনপি প্রস্তুত। ভোটের মাধ্যমে যে রায়ই আসুক বিএনপি স্বাগত জানাবে। কিন্তু বিএনপির পক্ষে গণসমর্থন-গণজোয়ার দেখে ভীত হয়ে ভোট কেড়ে চেষ্টা করলে, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জনরায় পাল্টানোর চেষ্টা করলে চট্টগ্রামের জনগণ মেনে নেবে না। চট্টগ্রামবাসী আওয়ামী লীগের এ অগণতান্ত্রিক আচরণের কঠোর জবাব দেবে।

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের হারাবার কিছু নেই। মামলা-হামলা, গুম-খুন গত ১৪ বছর ধরে আমরা মোকাবেলা করে আসছি। শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আমাদের ভোটকেন্দ্রে থাকতে হবে। মানুষের রায় যাতে কেউ ছিনতাই করতে না পারে, সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাস রুখে দাঁড়াতে হবে। ভোটারদের অনুরোধ করব, আপনারা সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে আসুন। দেশকে গণতন্ত্রের ধারায় নিয়ে যেতে চাইলে আপনাদের ভয় উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মী আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের রক্ষায় নেতাকর্মীরা বুক পেতে দেবে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, নাগরিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য ব্যারিষ্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, বিএনপিনেতা সিহাব উদ্দীন মোবিন, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাঃ সম্পাদক জাকির হোসেন, আলকরন ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী দিদারুর রহমান লাভু, জামাল খান ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবু মহসিন চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী আরজুন নাহার মান্না, মহিলাদলের সাঃ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাঃ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু. বিএনপিনেতা মুজিবর রহমান চেয়ারম্যান, আবদুল বাতেন, সালাউদ্দীন লাতু, আবু আবু আহমেদ চৌধুরী, কাজী শাহজান, আলী আব্বাস খান, তৌহিদুস সালাম নিশাদ, জসিম মিয়া, অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমান জিয়া, আলী মর্তুজা খান, মোঃ সেলিম, জমির উদ্দীন নাহিদ, মোঃ সেলিম, দেলোয়ার হোসেন, দিদারুল আলম, আবদুল জলিল, মোঃ পেয়ারু, আনোয়ার হোসেন, জসিম উদ্দীন, ইদ্রিস বাবুল, আবদুল্লাহ আল মামুন, আকবর হোসেন, এ এফ রুমি, খলিলুর রহমান, সৈয়দ সাফোয়ান আলী, মোঃ জাহেদ, মোঃ জহির।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’