খুঁজুন
, ,

‘চট্টগ্রামের উন্নয়নে ঢাকায় লবিং গ্রুপ থাকা চাই’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 1 February, 2021, 11:43 pm
‘চট্টগ্রামের উন্নয়নে ঢাকায় লবিং গ্রুপ থাকা চাই’

চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে ঢাকায় বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর একটা লবিং গ্রুপ থাকা উচিত বলে মত দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের পরামর্শক কমিটির সদস্যরা।

আজ সোমবার সকালে তাঁরা প্রশাসকের সাথে এক জুম কনফারেন্সে মিলিত হন। কনফারেন্সে প্রশাসক সুজন সভাপতিত্ব করেন।

বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড.আবদুল করিম, জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, শিক্ষাবিদ হসিনা জাকারিয়া বেলা, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট টিমের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির কর্মকর্তা আকরাম খান, প্রকৌশলী প্রবীর সেন, স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক সদস্য কমোডর জোবায়ের, মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মুফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া।

চসিক প্রশাসক বলেন, জুম কনফারেন্সে অংশগ্রহনকারী পরামর্শক কমিটির সকল সদস্য ৬ মাসের দায়িত্বে চট্টগ্রাম নগরীতে যে অভাবনীয় পরিবর্তন এনেছেন, তা সকলের জন্য অনুসরনীয় হয়ে থাকবে। পরামর্শক কমিটির সকল সদস্য প্রশাসককে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর এই কর্মযজ্ঞের সাথে তাদের সম্পৃক্ত করায়।

সভাপতির বক্তব্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন,স্বল্প সময়ের মেয়াদকালে আমি চেষ্টা করেছি চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন,পরিবেশবান্ধব, মানবিক ও চিত্তের শহরে পরিণত করতে। আমি সকল কর্মকাণ্ডে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছি। সফলতার বিচার ভার নগরবাসীর হাতে। চসিকের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সকল গণমাধ্যম কর্মীরা আমাকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য তাদের ধন্যবাদ। তারা পাশে না থাকলে আমার পক্ষে কাজ করা সম্ভব হতো না। তিনি বলেন, আমি সৌভাগ্যবান একঝাঁক যোগ্য মানুষকে আমার পরামর্শক হিসেবে পেয়েছিলাম। প্রশাসক ৫ ফেব্রুয়ারি নতুন নির্বাচিত মেয়রের হাতে দায়িত্ব ভার অর্পণ করার আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. আবদুল করিম প্রশাসকের এই পরামর্শক কমিটি রাখা না রাখার বিষয়ে নব নির্বাচিত মেয়রের সাথে ব্যক্তিগতভাবে প্রশাসককে আলাপ করার বিষয়ে মতামত দেন। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর সার্বিক পরিবর্তনে প্রশাসক যে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন তার প্রতিফলন নগরবাসী প্রত্যক্ষ করেছে বলে উল্লেখ করেন। ড. করিম প্রশাসকের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে নব নির্বাচিত মেয়রকে তাঁকে সাথে নিয়ে কাজ করার পক্ষে মত দেন।

শিক্ষাবিদ হাসিনা জাকারিয়া বেলা বলেন, জনগণের জন্য কিছু করতে হলে জনগণের সাথে মিশে যেতে হয়। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আপনি সেই কাজ সফলভাবে করতে পেরেছেন। আপনি চসিকের শিক্ষা বিভাগে যে অব্যবস্থাপনা দেখেছেন আশাকরি নব নির্বাচিত মেয়র অপ্রয়োজনীয় কলেজগুলো বন্ধ করে পাশ্ববর্তী কলেজের সাথে একত্রিকরণ করে পরিচালনার ব্যবস্থা নিবেন। এতে কর্পোরেশন আর্থিকভাবে সাশ্রয় হবে।

দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত নব নির্বাচিত মেয়রের জন্য প্রশাককে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ রেখে যাওয়ার মত দেন। তিনি বলেন, প্রশাসক হিসেবে আপনি প্রমান করেছেন উদ্যোগী ও আন্তরিক হলে অল্প সময়েও ভাল কাজ করা যায়।

বিজি এমইএ নেতা এম ছালাম চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে প্রশাসককে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে তাঁকে আগামীতে আরো উচ্চ পদে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন আপনার দেখানো পথ অনুসরণ করলে নব নির্বাচিত মেয়রও সফল হবেন।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান চট্টগ্রামে প্রশাসকের ৬ মাসের দায়িত্বকালে নগরীতে অভাবনীয় পরিবর্তন হয়েছে জানিয়ে বলেন, নতুন নির্বাচিত মেয়রসহ সব মহলের নগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ গুলোকে খেলার উপযোগী করার উদ্যোগ নিতে বলেন। তিনি প্রয়োজনে নগরীর খেলার মাঠের সংস্কারে সরকারি সহয়তাসহ,বাফুফে ও বিসিবি থেকে উন্নয়নে সহযোগিতা করা যায় বলে ঊল্লেখ করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা কমোডর জোবায়ের বলেন, প্রশাসক সুজন দেখিয়েছেন কিভাবে স্বল্প সময়ে সৃষ্টিশীল কাজ করতে হয়। প্রশাসক সুজনের মধ্যে নেতৃত্বের সবগুণ আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কমোডর জোবায়ের বলেন, পরামর্শক কমিটির সদস্যরা সোচ্চার ছিল বলে নগরীতে প্রশাসকের দায়িত্বকালে দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে।

প্রকৌশলী প্রবীর সেন বলেন, প্রশাসক স্বল্প সময়ে অনেকটাই সফল। তবে নগরীর যানজট, হকার সমস্যা যত্রতত্র ভ্যানগাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার সমস্যার সমাধান হলে চট্টগ্রাম নগরী আরো সুন্দর হতো। তবে প্রশাসক এসব সমস্যা চিহ্নিত করে যে কাজ শুরু করেছেন তা, আশাকরি নতুন নির্বাচিত মেয়র সম্পন্ন করবেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসার পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ওয়াসাকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ প্রায় ৩০-৪০ কোটি লিটার তরল বর্জ্য প্রতিদিন হালদাতে গিয়ে পড়ে কর্ণফূলীর পানিকে দূষিত করছে। তাই এই দূষণ ঠেকাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে ওয়াসাকে। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পাশের ও চকবাজার সিরাজদৌল্লা রোডের ব্রিজের নির্মাণ কাজ দ্রুত সময়ে শেষ করার মতামত দেন। কারণ এই এলাকাগুলো জনবহুল ও ব্যস্ততম এলাকা। তিনি সরকারি সুফল গুলো জনগণ পাচ্ছে না দেখে তা ফিরিয়ে দিতে সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো উদ্যোগী হয়ে কাজ করতে বলেন।

স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন কাজের মাধ্যমে অল্প সময়ের জন্য হলেও স্থায়ীভাবে আমাদের মনে আসন করে নিয়েছেন। দেশে তাঁর মত মেধাবী ও ভিশনারী রাজনৈতিক নেতার অভাব রয়েছে। তিনি হাতে কলমে দেখিয়েছিলেন কিভাবে কাজ করতে হয়। আমরা চাই আগামীতেও তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে রক্ষা করার চেষ্টা করতে।

Feb2
Feb2

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।

সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:12 pm
সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সারা বাংলাদেশসহ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি মিলিয়ে সর্বমোট যুবদলের ৮২টি ইউনিট কমিটি বিদ্যামান। ঢাকার পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত হওয়ার পরও সভাপতি দিপ্তী সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এর নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী খুব সুন্দর সুচারুরূপে পালন করে আসছে। সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি গত ২৫ আগষ্ট পুনর্বহাল করা হয়।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সম্মুখ মাঠে “সমসাময়িক বিষয়াবলী ও সাংগঠনিক স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে” চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন। যুবদল সবচেয়ে সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশবিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে অতীতের ন্যায় প্রস্তুত। তিনি এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি।

উক্ত কর্মীসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াস, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, এডভোকেট ফিরোজ, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, মো. এরশাদ উল্লাহ, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, ইকরামুল হক ছুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, রাজন খান, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, কমল জ্যৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হুদা মিন্টু, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সালাহউদ্দিন, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম শিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ খোরশেদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, এ কে আজাদ, মো. সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, মহানগর সদস্য হাবিবুল্লাাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, মাহমুদ খান জনি, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আইয়ুব আলী, জাহেরু মাসুদ, আজিজ চৌধুরী, আবদুল করিম, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, মো. সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, আক্তার হোসেন, সাইফুল আলম, সাদেক আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, রাসেল খান, সদস্য সচিব আবু তৌহিদ, সোলেয়মান হোসেন মনা প্রমুখ।