খুঁজুন
সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রত্যুষে কেন খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রী’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রত্যুষে কেন খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রী’র

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বিডিআর হত্যাকান্ডের দিনে বেগম খালেদা জিয়া, যিনি দিনের বারোটার আগে ঘুম থেকে উঠেননা, তিনি কেন প্রত্যুষে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে চলে গিয়েছিল ? তিনি কেন এদিন তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার কথা বললেন ? এই রহস্যগুলো বের হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। তাহলেই মুখোশ উম্মেচিত হবে কারা এর পেছনে কলকাঠি নেড়েছিল।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তথ্যমন্ত্রীর চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর পাড়স্থ বাসভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিং করেন।

এসময় সাংবাদিকরা বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার করবেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নানা ধরণের প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন, এই হত্যাকান্ডের পেছনে আরো কারা কারা আছে সেগুলো নিয়ে তারা ক্ষমতায় গেলে তদন্ত করবেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে এটি আমাদেরও প্রশ্ন, যিনি ঘুম থেকে দুপুর বারোটার আগে উঠেননা, অথচ সেদিন খালেদা জিয়া বিডিআর হত্যাকান্ডের আগে খুব সকালে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন কেন ? সেদিন তিনি তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার ফোনে কথা বলেছেন, এটার পেছনে রহস্যটা কি ?

তিনি বলেন, তখন সদ্য সরকার গঠন করেছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, আমাদের সরকারের তখনো দুইমাস পূর্তি হয়নি, প্রায় দেড় মাসের মাথায় এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছিল। এই হত্যাকান্ড সংগঠনের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অস্থিতিশীল করা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে, দেশের ইতিহাসে নয় শুধু পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নিরিখেও এতবড় একটি হত্যাকান্ডের এতগুলো আসামীর বিচার কম হয়েছে। আমাদের দেশের ইতিহাসে এতজন আসামীর বিচার আর হয়নি। বিশ্ব পেক্ষাপটেও এতগুলো আসামীর বিচার কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের মামলার বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন নিয়ে মামলা যে কেউ করতে পারে, মামলা করার অধিকার সবারই আছে, তবে বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে বিএনপিকে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. শাহাদাতকে আমি অনুরোধ জানাবো তার দলের কেন্দ্রিয় নেতাদের প্রশ্ন রাখার জন্য, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুস্থ সবল থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে কেন্দ্রিয় নেতারা কেউ চট্টগ্রামে আসলেননা কেন। এমনকি চট্টগ্রামে যে সমস্ত কেন্দ্রিয় নেতা আছেন তারাও কিন্তু নির্বাচনের সময় তার পক্ষে নামেননি। আমির খসরু মাহমুদকে দুয়েকবার দেখা গেলেও তা প্রেস কনফারেন্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তার দলের স্থানীয় নেতারাও প্রথমে কিছুটা সরব থাকলেও পরবর্তীতে তারা ঘরের মধ্যে চলে যান। এজন্য ডা. শাহাদাতকে বলবো এই প্রশ্নগুলো তার দলের নেতাদের কাছে করে তাদের বিরুদ্ধেও যাতে একটা মামলা করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। ডিজিটাল বিষয়টা আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে ছিলনা, সুতরাং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টিও ছিলনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে যখন একজন সাংবাদিকের চরিত্র হনন করা হয়, একজন গৃহিনীকে যখন অপবাদ দেয়া হয়, একজন সাধারন মানুষ যখন ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন, তিনি কোন আইনে প্রতিকার পাবেন, তখন কোন আইনের বলে সে নিরাপত্তা পাবে, সেজন্য একটা আইনের দরকার। এই জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমিও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি, সেখানে কারা কর্তৃপক্ষের কোন গাফেলতি ছিল কিনা সেটা খুঁজে দেখা যেতে পারে। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার যাতে নাহয় সেটির জন্য আমরা সচেতন আছি, বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যাতে এই আইনের অপব্যবহার নাহয়, সেজন্য তথ্যমন্ত্রণালয় ও আমি ব্যক্তিগত ভাবে সবসময় সচেতন আছি এবং কোনখানে এধরণের ঘটনা ঘটলে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়, বলেন- তথ্যমন্ত্রী।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে খবর দেয়া উচিৎ ডা. জাফরুল্লাহ’র এমন বক্ত্যব্যের বিষয়ে সাংবাকিরা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. জাফরুল্লাহতো নানা কথা বলেন, যেমন করোনার টিকার বিরুদ্ধে খুব সোচ্চার ছিলেন, আবার নিজে করোনার টিকা নিয়ে বলেছেন এই টিকা সবার নেয়া উচিৎ। সুতরাং আজকে জাফরুল্লাহ সাহেব যে কথা বলেছেন দুদিন পর দেখবেন নিজের কথারই তিনি আবার অন্য সুরে কথা বলবেন। সুতরাং এটার উত্তর দেয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা।

Feb2

বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে কোর্ট চত্বরে পৌঁছান তিনি। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময় তিনি বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির নবনির্মিত ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজে পৌঁছান তিনি।

ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন এবং সিটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাল খনন কার্যক্রম, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজ পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন এবং বিকেলে পুনরায় শহরে ফিরে আসবেন। বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বগুড়া শহরসহ আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ভিড় করছেন এবং তাকে একনজর দেখতে অপেক্ষা করছেন।

কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, গণমুখী কবিয়াল জনক রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আগামী ০৯ মে ২০২৬ ইং (২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলা) এই মহান আধ্যাত্মিক সাধকের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক মানস চৌধুরী।

সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ বাবু কাজল শীল। সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি। এছাড়াও বক্তব্য দেন সদস্য রমেশ পরিবারের সদস্য এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটন এবং প্রকৌশলী রানা শীল মাইকেল।

সভায় উপস্থিত ছিলেন রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট পরিবারের উত্তরাধিকারী পিকলু সরকার, রণধির শীল, সুব্রত সরকার টার্জেন, সমর শীল ওপেলসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এতে এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটনকে আহ্বায়ক এবং ইঞ্জিনিয়ার রানা শীল মাইকেলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন রমেশ পরিবারের চিত্ত রঞ্জন শীল, কল্পতরু শীল, দুলাল শীল, সুলাল শীল, নেপাল শীল, পিকলু সরকার, সুব্রত সরকার, রণধির শীল, রুপাল শীল, জুয়েল শীল, রাইনেল শীল, সমর শীল, প্রণব চৌধুরী রঞ্জন, তম্ময় শীল, লিংকন চৌধুরী, টিকলু সরকার, শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি ও রমেশ ভক্ত বিজয় শীল, জিকু শীল।

উল্লেখ্য : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম রূপকার, ১৯৪৮ সালে “বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল” উপাধিপ্রাপ্ত এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল রমেশ শীল বাংলা লোকসংস্কৃতি ও গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে অনন্য অবদান রেখে গেছেন তার মহা কর্মযজ্ঞের কিছুটা প্রকাশিত হয়েছে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত রমেশ রচনাবলী বইয়ের মধ্যে।

আসন্ন জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কবিয়াল রমেশ শীলের জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে সভায় প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

সরকার সিআরবিতে হাসপাতাল করবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
সরকার সিআরবিতে হাসপাতাল করবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি : রেলমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সিআরবিতে হাসপাতাল করার কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রীর শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেছেন, সরকার পরিবেশের ক্ষতি করে, চট্টগ্রামবাসীকে অস্থিরতার মধ্যে রেখে, ঝুঁকির মধ্যে রেখে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। তবে যেভাবে ক্ষতি ভাবা হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে তা না। তার চেয়ে আরও বেশি জনবান্ধব, আরও বেশি চট্টগ্রামের জন্য প্রয়োজন। সেগুলো বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান রেলমন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, আমি যেটি জেনেছি, আগের সরকার সিআরবিতে একটি প্রকল্পের জন্য চুক্তি করেছিল। তাদের সঙ্গে সমাধানে যেতে হবে। সম্ভাব্য কি সমাধান হতে পারে, তা সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। তবে কী সমাধান হচ্ছে বা সরকার এখানে হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত করবে কি-না, করলে কী প্রক্রিয়ায় করবে সিটি নিয়ে বলার মতো কোনো অগ্রগতি নেই।

এসময় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সিআরবির বিভিন্ন ভবন পরিদর্শন করেন।