খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাওয়ার আছে নেটওয়ার্ক নেই; ফটিকছড়িতে রবি’র বেহাল অবস্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
টাওয়ার আছে নেটওয়ার্ক নেই; ফটিকছড়িতে রবি’র বেহাল অবস্থা

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: চরম ভোগান্তিতে আছেন ফটিকছড়ির রবি’র গ্রাহকেরা। ঢাকঢোল পিটিয়ে ৪.৫ জি সুবিধার চটকদার বিজ্ঞাপন দিলেও এই ধরনের সেবার ধারে কাছেও নেই তারা। রবি জোন হিসেবে পরিচিত ফটিকছড়ি উপজেলার প্রায়ই মানুষ রবি নাম্বার ব্যবহার করলেও রবি’র ভোগান্তিতে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সাধারণ গ্রাহক। গ্রাহকসেবায় অনেক পেছনের কাতারে তারা। ঘন ঘন নেটওয়ার্ক আসা যাওয়া, কলড্রপ, নো নেটওয়ার্ক কভারেজ, কল ফেইলড, ফোন করলেই বিনা কারণেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সংযোগ। আবার অনেকের মোবাইল ব্যালেন্স থেকে বিনা নোটিশে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়তো আছেই।

গত কয়েকদিন ধরে এ সমস্যা চরম আকারে হলেও রবি কর্তৃপক্ষ সমস্যা সমাধানে স্থায়ী কোন পদক্ষেপ নেয়নি। মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বিপর্যয় চরম আকারে চলে যাওয়ায় সব ধরণের মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এতে করে অফিসিয়াল কাজকর্ম করাও দুরূহ ব্যাপার হয়ে পড়েছে। তবে তুলনামুলক কিছুটা হলেও সচল গ্রামীণ ফোন ও অন্যান্য অপারেটরগুলো।

জাহেদুল আলম নামে রবি’র এক গ্রাহক জানান, নিজের ঘরের ভিতরও রবি’র নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।

জয় চক্রবর্তী অন্য একজন গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, রবি’র খুব বাজে অবস্থা বাসা থেকে টাওয়ার এর দূরত্ব ১০০ মিটার তারপর ও এতো বাজে নেট বলার মতো না।

রবি’র নেটওয়ার্কের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর জানান, গত দুইদিন ধরে রবি গ্রাহকরা চরম দুর্ভোগে আছি।করোনাকালিন সময়ে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও আমাদের অনলাইনে ক্লাস চলছে।অথচ রবি’র সঠিক নেটওয়ার্ক না থাকায় বিভিন্ন তথ্য পেতে নানামুখী সমস্যায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

মো: ইসলাম নামে আরো একজন গ্রাহক জানান, রবির নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ের ফলে কোন কাজকর্ম করাই সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এখন অন্য অপারেটর ব্যবহার করার চিন্তা করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফটিকছড়ি এরিয়ায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো: আইনুল হোসেন বলেন, আমি গ্রাহকের সব অভিযোগ নিলাম।আমরা গতবছর কোভিডের ভিতরে ফটিকছড়ি ও ভূজপুর থানা মিলে ২৮টি টাওয়ার দিছি। আরো সাতটি স্থাপন করা হবে। আমরা গ্রাহকের সুবিধার্থে এসব টাওয়ার স্থাপন করছি। আমি আপনার (প্রতিবেদক) অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে নিলাম।কাঙ্ক্ষিত সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি।

২৪ ঘণ্টা/জুনায়েদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…