খুঁজুন
, ,

প্রতিকুল পরিবেশেও সাফল্যের শীর্ষে ব্র্যাকের তিনটি চা বাগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 May, 2021, 7:38 pm
প্রতিকুল পরিবেশেও সাফল্যের শীর্ষে ব্র্যাকের তিনটি চা বাগান

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ করোনার লকডাউন, খরা-অনাবৃষ্টির প্রতিকুল পরিবেশেও ব্র্যাকের তিনটি চা বাগান ঈর্ষনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২০ সালে চা শিল্পের সফলতার মধ্যে ব্র্যাকের চা বাগানের অবস্থান ছিলো প্রথম। এ সাফল্য ধরে রাখতে দরকার সরকার ঘোষিত ব্যাংক লোনের অর্থনৈতিক প্রনোদনা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৮৬৩ সালে প্রথম বানিজ্যিক চা বাগানের সুচনা হয় রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা বাগানে। এটির আয়তন ২ হাজার ৪শত ৮৫.৪৬ একর। ১৮৬৪ সালে ফটিকছড়ির কর্ণফুলী চা বাগানের সূচনা হয় ৬ হাজার ৫ শত ৭২.৬৯ একর আয়তন নিয়ে। ১৯৬৪ সালের দিকে কৈয়াছড়া ডলু চা বাগানের যাত্রা শুরু হয় ১ হাজার ৭শত ২৫ একর জমি নিয়ে। ২০০৩ সালের পর এই তিনটি চা বাগানের মালিকানা আসে স্যার ফজলে হাসান আবেদের এনজিও প্রতিষ্টান ব্র্যাকের হাতে। তখন থেকে বাংলাদেশের চা শিল্পের উন্নয়নে এবং চা শ্রমিকদের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশে মোট চা উৎপাদন হয় ৮ কোটি ৬৩ লক্ষ ৯০ হাজার কেজি। তার মধ্যে ব্র্যাকের তিনটি চা বাগানের মোট উৎপাদন ছিল ৩১ লক্ষ ৭২ হাজার ২শত ৫৯ কেজি।

ওই বছর সারাদেশে চা উৎপাদন ২০১৯ সালের তুলনায় ১০.০১% কম। সেখানে ব্র্যাকের পরিচালনাধীন বাগানে উৎপাদন কম ছিল মাত্র ১.৪৬% । ২০২০ সালে বাগান তিনটির উৎপাদিত চায়ের গড় বাজার মূল্য ছিল প্রতি কেজি ২২৯.১৬ টাকা আর বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের জাতীয় গড় বাজার মূল্য ছিল প্রতি কেজি ১৮৯.২৫ টাকা। ব্র্যাক’র চা এর জাতীয় বাজার মূল্যের চেয়ে প্রতি কেজিতে ২১% বেশি ছিলো। ২০২০ সালে নিলাম বাজারে ব্র্যাকের তিনটি বাগানের উৎপাদিত চা বাজার মূল্যের টপ টুয়ান্টিতে ছিল। এর মধ্যে ব্র্যাক কৈয়াছড়া ডলু চা বাগান প্রথম স্থান, ব্র্যাক কর্ণফুলী চা বাগান ষষ্ঠ স্থান এবং ব্র্যাক কোদালা চা বাগান ১৩তম স্থান অর্জন করে।

ব্র্যাক চা কোম্পানী সূত্র জানায়, ব্র্যাক কৈয়াছড়া ডলু চা বাগান পরপর দুই বছর (২০১৯,২০২০) নিলাম বাজারে প্রথম স্থান অর্জন করে। চা উৎপাদনে ১ মিলিয়ন প্লাস বাগানের মধ্যে ব্র্যাক কর্ণফুলী চা বাগান বাজার মূল্যে ১ম স্থানে রয়েছে। কোম্পানী হিসাবে চায়ের বাজার মূল্যের অবস্থানের দিক থেকে ব্র্যাক ১ম স্থানে রয়েছে। ব্র্যাকের আওতাধীন তিনটি চা বাগানে প্রতি বছর ১৫০ একর এর উর্দ্ধে নতুন চা আবাদ সম্প্রসারন করা হয়।

চট্টগ্রাম চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু জানান, ব্র্যাকের চা বাগানের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা সুষ্ঠ ও সুচারু ভাবে সম্পাদনের জন্য নিজস্ব হাসপাতাল/ডিসপেনসারির ব্যবস্থা রয়েছে। শ্রমিকদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করার জন্য বাগানের অভ্যন্তরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ব্র্যাকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কয়েকটি স্কুল রয়েছে। বাগানের মহিলা শ্রমিক ও শিশুদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ব্যাপারে ও তাদের সার্বিক কল্যানে দুই জন মহিলা ওয়েলফার অফিসার রয়েছে। ব্র্যাকে চা বাগানের শ্রমিক ও শিশুদের জন্য ক্রেস হাউজ আছে এবং তাদেরকে প্রতিদিন পুষ্টি জাতীয় খাবার সরবরাহ করা হয়।

ব্র্যাক কর্ণফূলী চা বাগানের ম্যানেজার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, জলবায়ু মোকাবিলার ধারাবাহিকতায় চা বাগান গুলিতে প্রচুর পরিমানে ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছ রোপন করেছে ব্র্যাক। কীটনাশক, বালাইনাশক এবং আগাছা দমনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পদক্ষেপ নিয়ে থাকে যাতে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব না পড়ে। এদিক বিবেচনা করে পরিবেশ বান্ধব বালাইনাশক ও আগাছানাশক ঔষধ ব্যবহার করে আসছে। ব্র্যাকের তিনটি বাগানে প্রচুর পরিমানে আগর গাছ রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে প্রথম আগর গাছ রোপনের উপর প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কার-২০০৯ এ ভূষিত হয়েছে।

কর্ণফুলী চা বাগান সূত্র জানা গেছে, ২০২০-২০২১ সালে চা বাগানগুলো তীব্র খরার সম্মুখীন হচ্ছে। বাগান গুলিতে বৈদ্যুতিক সুবিধার আওতায় সেচ (আন্ডার গ্রাউন্ড ইরিগেশন) এর সুব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু বাগানগুলোতে বিদ্যমান জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় সেচ প্রদানের জন্য পানির তীব্র সংকট হচ্ছে। চা বাগানগুলো বিগত ২০ বছরের মধ্যে এরকম তীব্র খরার সম্মুখীন হয়নি। তাই বর্তমানে বাগান গুলোতে জলাশয় বৃদ্ধি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা অতীব জরুরী।

এ ব্যাপারে ব্র্যাক চা বাগানের ডিজিএম মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ চা বোর্ড এর মাধ্যমে নতুন জলাশয় ও সেচ ব্যবস্থা উন্নয়ন সহযোগীতা প্রয়োজন। বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক বাগান মালিকদেরকে প্রনোদনা ঋণের ব্যবস্থা করা হলে ব্র্যাকের চা বাগানগুলো আরও উন্নতি সাধন করবে এবং বিগত বছরের তুলনায় আরো চা উৎপাদন করে দেশীয় চায়ের বাজারে ভাল অবস্থান সৃষ্টি করবে।

Feb2
Feb2

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:05 pm
ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

নগরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাহাড়তলী বাজারে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা মাহবুব আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 September, 2026, 10:51 pm
সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

দেশের অধস্তন আদালতের ৯৯ জন বিচারককে একযোগে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই সিভিল জজসহ মোট ৯৯ বিচারককে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব বদলি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দায়িত্বভার নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। তবে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে থাকা বিচারকদের প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।