খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা থেকে বাঁচতে লকডাউন, জীবন বাঁচাতে চাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১, ৯:০২ অপরাহ্ণ
করোনা থেকে বাঁচতে লকডাউন, জীবন বাঁচাতে চাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা

রফিক তালুকদর : করোনা ঠেকাতে ‘লকডাউন’। তাতে করোনার প্রকোপ হয়তো কিছুটা কমলো, কিন্তু ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, শ্রমিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে ত্রাহি অবস্থা আমরা দেখেছি, তাতে আমাদের এই অর্থনীতি লকডাউনের চাপ কতটা নিতে পারবে তা সত্যিই ভাবনার বিষয়।

শোনা যাচ্ছে লকডাউনে রপ্তানিমুখী শিল্পসহ বেশকিছু জরুরী প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে, ফলে সেইসব খাতে ক্ষতি হবে কম। কিন্তু নানান পণ্য উৎপাদনকারী ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্টান ও উদ্যোক্তা যারা ঈদসহ নানান উৎসবকে ঘিরে তাদের পণ্য বিক্রয়ের পসরা সাজান, তারা পড়বেন মারাত্মক বিপাকে। সেই সাথে আছে রেস্টুরেন্ট, পরিবহনসহ নানান রকম আইসিটি সম্পৃক্ত সেবা -যারা তাদের কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন না। এই সকল উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত আছে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মচারী। এসকল খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষে তাদের শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন কতদিন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব?

বড় বড় উদ্যোক্তাদের যেখানে শ্রমিকের বেতন/পাওনা মেটাতে সরকারের সাহায্য নিতে হয়, সেখানে এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা কিভাবে তা চালিয়ে যাবেন?

গতবছরের প্রণোদনা প্যাকেজের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বন্টন হয়েছে খুব ধীরগতিতে। তাতেও আবার অনেক উদ্যোক্তা সেই সুবিধা পাননি। বিশেষ করে যাদের ব্যাংকের সাথে লেনদেন নেই কিংবা যাদের ব্যবসার ক্ষতি অনেক বেশি হয়েছিল সেইসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা কিন্তু এই প্রণোদনার আওতার বাইরেই রয়ে গেছেন।

আবার যারা প্রণোদনার ঋণ সুবিধা পেয়েছিলেন, তারা যদি এখন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে না পারেন, তাহলে ঋণের টাকা ফেরত দিবেন কিভাবে, সেটিও চিন্তার বিষয়।

দিনমজুর, রিক্সাওয়ালা, দোকানপাট মার্কেটের কর্মী, দারোয়ান, কুলি, মুচি, ঝালমুড়ি বিক্রেতা -এইসব সাধারন মানুষগুলো কতদিন এভাবে চলতে পারবেন?

এটা পরিস্কার যে,এই লকডাউনের পরেই কিন্তু করোনা বিদায় হচ্ছেনা।

বৈশ্বিক এই মহামারীর সাথে আমাদের চলতে হবে আরও কয়েক মাস কিংবা বছর, এভাবে দিনের পর দিন লকডাউন থাকলে তার অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করা অনেক মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়।
তাই সার্বিক পরিস্হিতি মোকাবেলায় সরকারকে নিতে হবে সুদুরপ্রসারি এক পরিকল্পনা।

যেমন অতি দরিদ্র,খেটে খাওয়া মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য ব্যাবস্হা করতে হবে পুরো বছর জুড়েই, আওতা বাড়াতে হবে খাদ্য বিতরণেরও।

যেসকল খাতকে লকডাউন এর আওতায় রাখা হয়েছে অর্থাৎ যারা তাদের ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা কাজ করতে পারছেন না তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে। এদের মধ্যে যারা ইতোমধ্যে ঋণ নিয়েছেন তা ফেরত দেয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে দিতে হবে। আর যে সকল খাত লকডাউন এর আওতার বাইরে আছে অর্থাৎ যারা তাদের উৎপাদন কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন, তাদেরকে আর কোন নতুন প্রণোদনা দেয়া যাবে না।

স্বাস্থ্য বিধি মানার বিষয়ে বাস্তবিক কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে, দরিদ্র মানুষের মধ্যে মাস্ক ও সাবান বিতরণ করতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং এর গুরুত্বের বিষয়ে ব্যাপকভাবে প্রচার প্রচারণা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে, এতে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি যুক্ত করতে হবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও। আগামী অন্তত ৩মাস কোনভাবেই স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যাপারে শিথিলতা আনা যাবে না, বন্ধ রাখতে হবে সব ধরণের সভা সমাবেশ ও সামাজিক অনুষ্টান সমূহ। এটি পালন করতে পারলে হয়ত সহসাই আবার লকডাউন দেয়ার প্রয়োজন হবেনা।

এদেশে অনেক স্বচ্ছল(বিত্ত্ববান) মানুষ আছেন যারা মাসের-পর-মাস ঘরে থাকতে পারবেন, কোন কাজ না করলেও তাদের জন্য স্বাভাবিক জীবনযাপনের গতি ধরে রাখতে কোন সমস্যা হবে না।

কিন্তু স্বল্প আয়ের জনগোষ্টির পক্ষে তা কিছুতেই সম্ভব না । সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী বিত্ববানদেরকেও এই কঠিন দুঃসময়ে এগিয়ে আসতে হবে। দাঁড়াতে হবে নিম্নমধ্যবিত্তের পাশে।

সর্বোপরি মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে আরওবৃদ্ধি ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় এগিয়ে নিতে হবে।

লেখক- সংবাদকর্মী, সমাজকর্মী।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…