খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি : সুজন

বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী প্রবাসীদের বিশেষ নাগরিক মর্যাদা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) বিকালে জামালখানস্থ একটি বেসরকারী সংস্থার কার্যালয়ে চট্টগ্রামের জেলা ও বিভিন্ন উপজেলায় বসবাসরত প্রবাসীদের সাথে বিমান বন্দরে যাত্রী হয়রানি, বিভিন্ন ধরনের দুর্ভোগ এবং ভোগান্তি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় সুজন বলেন, প্রবাসীরা হচ্ছে দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তারা আনুষ্টানিকভাবে জাতীয় অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে এমনকি অনানুষ্টানিকভাবেও তাদের অবদান প্রচুর। বিদেশের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী চাকুরী এবং ব্যবসা বানিজ্য করে বিপুল পরিমান টাকা পয়সা উপার্জন করছে। তাদের কষ্টার্জিত টাকাগুলো বৈধ পথে দেশে পাঠাতে গেলে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাই হুন্ডি কিংবা অনানুষ্টানিক মাধ্যমে টাকাগুলো দেশে পাঠাতে হয়। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়েই দেশের অর্থনীতির চাকা চলমান রয়েছে।

বিদেশ বিভুঁইয়ে পরিবার পরিজন থেকে যোজন যোজন মাইল দূরে থেকে প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে প্রতিনিয়ত। অথচ সেই প্রবাসীরা নিজ দেশে সবচেয়ে অবহেলিত, নির্যাতিত এবং নিগৃহীত। যখন তারা জীবিকার তাগিদে দেশের বাইরে যান তখন বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকতাগণ তাদের সাথে নির্মম অমানবিক নির্যাতন করে থাকে। এমনকি আইনসিদ্ধভাবে বিদেশ গমণকারীদেরও আর্থিক উৎকোচ দিয়ে বিমান বন্দর অতিক্রম করতে হয়।

এছাড়াও প্রবাসীরা যখন সাময়িক বিনোদনের জন্য দেশে ফিরে আসে তখন বিমান বন্দরে তাদেরকে পদে পদে হয়রানি এবং সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায়শই বিমানবন্দরের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রবাসীদের সাথে চোর ডাকাতের মতো আচরন করে।

বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে শুরু করে বোর্ডিং লাউঞ্জ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ধাপে প্রবাসী যাত্রীরা হয়রানির শিকার হন। তাছাড়া বিদেশ ফেরত যাত্রীরা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মালামাল সংগ্রহের পর্যাপ্ত সময়সূচীও পান না ফলতঃ একজন যাত্রীকে মালামাল সংগ্রহের জন্য দুই থেকে তিনবার বিমান বন্দরে আসা যাওয়া করতে হয়। অনেক সময় প্রবাসীরা ব্যাগেজের তালা ভাঙ্গা পান যাতে পন্যও খোয়া যায়। কথাবার্তা ছাড়াই পরীক্ষার নামে প্রবাসীদের ব্যাগেজ খুলে নষ্ট করে ফেলা হয় এবং প্রায়শই অসৌজন্যমূলক আচরন করা হয়। এ সব অযাচিত হয়রানি থেকে বাঁচতে নগদ টাকা দিয়ে মুক্ত হন প্রবাসীরা। তাছাড়া প্রবেশ এবং বাহিরের সময় আনসার বাহিনীর সদস্যরাও বিভিন্নভাবে প্রবাসীদের হয়রানি করে। প্রবাসীদের ব্যাগ লাগেজ এবং অন্যান্য জিনিসপত্রের উপর অযাচিত হস্তক্ষেপ করে। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর স্থানীয় থানা পুলিশ পূণরায় চেকিং এর নামে অযথা প্রবাসীদের হেনস্থা করে যেন একেকজন প্রবাসী একেকটি সোনার ডিম পাড়া রাজহাঁস।

তিনি প্রবাসীদের জন্য ভিআইপি এবং সিআইপিরা যেভাবে সেবা পেয়ে থাকে ঠিক একইভাবে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আলাদা কাউন্টার স্থাপন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান।

দেশের প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত পন্য ছাড়া নানাবিধ পন্য যাতে প্রবাসীরা সহজেই আনার অনুমতি পান সে ব্যবস্থা করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। এছাড়া বিদেশী দূতাবাসগুলোও প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে কিনা তা মনিটরিং করারও আহবান জানান।

তিনি বিদেশে যে সকল চাকুরীর চাহিদা রয়েছে সে সকল চাকুরীতে প্রবাসীদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরি নিশ্চিত করার জন্য ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট স্থাপনের দাবী জানান।

তাছাড়া প্রবাসীদের সন্তানদের লেখাপড়ার সুবিধার্থে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কোটা বরাদ্ধেরও আবেদন জানান। জনাব সুজন অনতিবিলম্বে দেশের সকল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রবাসী যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ করার জন্য জোর দাবী জানান।

তিনি আরো বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয়ভাবে বিভিন্ন অবদানের সাথে যারা যুক্ত তাদেরকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছেন ঠিক তেমনিভাবে প্রবাসীদেরও বিশেষ মর্যাদা প্রদানের জন্য আকুল আবেদন জানান। এছাড়া প্রবাসীদের প্রবাসী কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ৬০ বৎসরের বয়সসীমা সিথিল করার অনুরোধ জানান জনাব সুজন।

সভা শেষে প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া এবং সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতের জন্য একটি প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ গঠন করা হয়। সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি উক্ত পরিষদের সমন্বয় করবেন। সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রবাসীদের সাথে আরো ব্যাপক যোগাযোগের মাধ্যমে আগামী মাসে একটি বৃহৎ আকারে কনভেনশন করার ঘোষনা দেন।

পরবর্তীতে প্রবাসীদের বিভিন্ন অভাব অভিযোগ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলে অবহিত করেন।

এ সময় বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ.জে.এম জাহাঙ্গীর, জাকের হোসেন, এস.এম মুছা মিরদাদ, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক মোঃ আবু হেনা, হোসেন সৈয়দুর জামাল চৌধুরী, কামাল উদ্দিন আহাম্মদ, সহিদ উল্লা চৌধুরী, গোলাম মোস্তফা, জাকের হোসেন, জামাল উদ্দিন, মোঃ ইসহাক, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন, মোরশেদ আলম, সমীর মহাজন লিটন প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…