খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন সিদ্ধান্ত যান চলাচলে, খুলছে পর্যটন কেন্দ্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১, ১:০১ অপরাহ্ণ
নতুন সিদ্ধান্ত যান চলাচলে, খুলছে পর্যটন কেন্দ্র

লকডাউন শিথিলের পর এবার পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে মোট আসনের অর্ধেকের বেশি কোনো ভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। আগামী ১৯ আগস্ট থেকে খোলা থাকবে পর্যটন কেন্দ্রসহ সব বিনোদন কেন্দ্র। এছাড়া সড়কে অর্ধেক যানবাহন চলার নিয়মও তুলে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে ১১ আগস্ট থেকে লকডাউন শিথিল করে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস, ব্যাংক থেকে শুরু করে গণপরিবহন, শপিং মল, দোকানপাট খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বলা হয়েছে, ১০ তারিখ পর্যন্ত যে লকডাউন রয়েছে তা পরদিন ১১ আগস্ট থেকে শিথিল করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ওই দিন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি, বেসরকারি সব ধরনের অফিস ও ব্যাংক খোলা থাকবে।

শপিংমল, বাজার ও অন্যান্য দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব গণপরিবহন চলবে আসন সংখ্যার সমান যাত্রী নিয়ে। তবে সড়কপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যানবাহন মালিক ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে মোট পরিবহনের অর্ধেক চালু করা হবে।

অর্ধেক আসন খালি রেখে রাত ১০টা পর্যন্ত হোটেল রেস্তোরাঁগুলো খাবার পরিবেশন করতে পারবে। সব প্রকার শিল্প কারখানা চালু থাকবে।

কিন্তু সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। তবে জনসমাগম হয় এমন অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বলা নেই।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের উর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে জুলাই মাসের এক তারিখ থেকে দুই দফায় ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন দেওয়া হয়। ঈদ উদযাপনের জন্য ২৩ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করা হয়। এর আটদিন বিরতির পর আবারও ১৪ দিনের লকডাউন দেওয়া হয় এবং তা আরও পাঁচ দিন, ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এন-কে

Feb2

আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোরা ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বড়ুয়া পাড়ায় গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও ভিকটিমের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত খুনী রিমন এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার পুত্র। নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়ার সাথে ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়া একটি চাকু নিয়ে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া (৪০) ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত এনি বড়ুয়ার ছোট ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৪) গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মাসুদ আলমের সার্বিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও আনোয়ারা থানা পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাতদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তদন্তকালে জানা যায়, ঘটনার পর আসামি দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানা এলাকাসহ সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে গতকাল রোববার (১৪ জুন) রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়াা প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্তে আজ ১৫ জুন সোমবার সকালে নগরীর ষোলশহরের ২ নম্বর গেটস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। তার দেয়া তথ্যমতে জানা যায়, ভিকটিমের বাড়িতে সংরক্ষিত সুজন বড়ুয়ার ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে সে একটি চাকু নিয়ে বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

এসপি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির দেখানো মতে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের খাল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পটিয়া রেললাইনের পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া এনি বড়ুয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধারের মাধ্যমে ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহে তদন্তকারী দল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

দুর্গম এলাকা, আসামির আত্মগোপনের কৌশল এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত গোপন করার চেষ্টা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পেশাদার তদন্ত, নিরলস পরিশ্রম, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত অভিযানের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ বসতি উচ্ছেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ বসতি উচ্ছেদ

চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসা মোড় থেকে বহদ্দারহাট মোড় পর্যন্ত ফ্লাইওভারের নিচে গড়ে ওঠা অবৈধ বাসস্থান ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

সোমবার (১৫ জুন) পরিচালিত এ অভিযানে ফ্লাইওভারের নিচে নির্মিত বিভিন্ন অস্থায়ী বসতি ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

চসিক সূত্র জানায়, নগরীর সৌন্দর্য সংরক্ষণ, জনস্বার্থ রক্ষা এবং ফ্লাইওভারের নিচের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ সময় অধিকাংশ বাসিন্দাকে সেখানে পাওয়া না গেলেও, উপস্থিত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখল করে বসতি স্থাপন থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার (ডেপুটি হাইকমিশনার) পাওয়ান বাঢ়েকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার ঘটনায় এই তলব করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে ডেকে নিয়ে বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাতে পারে।

ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা
উল্লেখ্য, গেল ১৪ জুন সন্ধ্যায় জাহেদ উর রহমান দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তবে ইমিগ্রেশন জটিলতার কারণে দিল্লিতে ঢুকেননি তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরছেন। তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট এ ভ্রমণ করেননি।