খুঁজুন
, ,

নগরীতে চোরাইকৃত ছয় সিএনজি সহ ছয় চোরাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 August, 2021, 10:10 am
নগরীতে চোরাইকৃত ছয় সিএনজি সহ ছয় চোরাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের অভিযানে চোরাইকৃত ছয় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা সহ চোরচক্রের ছয় চোরাকে আটক করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

বুধবার (১১ আগষ্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর মনছুরাবাদস্থ গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সালাম কবির সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ রায়হান (৩০), মোঃ হানিফ (৩০), মোঃ আবু তাহের (৩৫), মোঃ মনির হোসেন (৪৮), মোঃ রুবেল মিয়া (২৭) ও মোঃ নিজাম উদ্দিন প্রঃ মিজান(৩৯)। এসময় তাদের হেফাজতে থাকা চোরাইকৃত ছয়টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মোহাম্মদ সালাম কবির এর সার্বিক দিক নির্দেশনা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মোঃ আরাফাতুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মোঃ আরিফ হোসেনের তত্ত্বাবধানে, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে, বিশেষ টিম-০১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিএমপি’র চান্দগাঁও থানাসহ মহানগর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চোরচক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেন। এসময় তাদের হেফাজত হতে চোরাইকৃত ছয়টি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়। চোরাইকৃত গাড়ির মূল্য অনুমান ৩৩ লক্ষ টাকা। এসব সিএনজি চালিত অটোরিকশা চুরি করার পর ভুয়া নাম্বার প্লেইট কাগজপত্র তৈরি করে নগরে চলাচল বেচা বিক্রি করে। এসবের সাথে আর যারা জড়িত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন জায়গা হতে সিএনজি অটোরিক্সা চুরি করে গাড়ির ইঞ্জিন চেসিস নাম্বার ও রং পরিবর্তনসহ জাল কাগজপত্র তৈরী করতঃ সাধারন মানুষের নিকট বিক্রয় করে আসছে। ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিএমপি’র চান্দগাঁও থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সালাম কবির।

এন-কে

Feb2
Feb2

আবারও জাপানের উদ্দেশে উড়ল বিমানের ফ্লাইট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 8:48 am
আবারও জাপানের উদ্দেশে উড়ল বিমানের ফ্লাইট

দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা-নারিতা রুটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই রুট আর বন্ধ করার প্রশ্নই আসে না। আশা করি এবার রুটটি লাভজনক হবে এবং ইতোমধ্যে উদ্বোধনী ফ্লাইটের পাশাপাশি ফিরতি ও পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর বুকিংও সম্পন্ন হয়েছে। এতে জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।

মিট এন্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আজকের ঢাকা – নারিতা ফ্লাইট আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারে আমি অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জাপানপ্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সেজন্য ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য ঢাকা – নারিতা ফ্লাইট চালু করেছিলেন। আজ আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ফ্লাইটটি যাত্রী সাধারণের জন্য পুনরায় চালু করলাম।

এরপর মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট। আজ ২৭ জুলাই রাত ২ টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি৩৭৬ ফ্লাইটটি জাপানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

দীর্ঘ বিরতির পর আজ শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 8:30 am
দীর্ঘ বিরতির পর আজ শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষা আবার শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রায় তিন সপ্তাহ পর পরীক্ষার হলে ফিরছে এ বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে দেশের অন্য নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বোর্ডের রুটিন অনুযায়ী, আজ নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে হবে খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্রের পরীক্ষা।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হবে ইসলামের ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (তত্ত্বীয়) এবং তাজভিদ দ্বিতীয় পত্র (মুজাব্বিদ মাহির বিভাগ) পরীক্ষা। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-১ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বন্যা–পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার দুর্ভোগ বিবেচনায় গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। একই সিদ্ধান্তের আওতায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার অবশিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছিল।

পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দেন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত থাকা অবশিষ্ট পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে। সে অনুযায়ী পরীক্ষার্থীরা বর্তমানে কার্যকর নিয়মিত রুটিন অনুসারেই অবশিষ্ট পরীক্ষায় অংশ নেবে। তবে স্থগিতাদেশ জারির আগে যেসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরবর্তী সময়ে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে পুনরায় নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বন্ধ ছিল। তবে ওই সময়েও চট্টগ্রাম বোর্ডের বাইরে দেশের অন্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অব্যাহত ছিল।

চলতি বছর দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থী ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, যাঁরা ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সারা দেশে এ পরীক্ষার জন্য মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

পানির পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ, ‘সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ বললেন এসপি মাসুদ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 7:16 am
পানির পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ, ‘সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ বললেন এসপি মাসুদ’

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, রাস্তা কেটে দেওয়া বা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো সম্পূর্ণ ‘অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম’। দেশের ও সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে নিয়মিত মামলা রুজু করা হচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে মোবাইল ফোনে দেওয়া এক মন্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, আলীনগরের যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ মিলিয়ে প্রায় তিনশ সদস্য রয়েছেন। তাদের জন্য পাশের ডিপটিউবওয়েলের সংযোগস্থলে বিষ বা বিষজাতীয় কিছু পুশ করেছিল দুর্বৃত্তরা। পরে অপারেটর সকালে পানি ও টাংকি চেক করতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে সবাইকে সতর্ক করেন।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা কেটে দেওয়া বা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো এই ধরনের বারবার ঘটনা সম্পূর্ণ অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম (সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ)। দেশের ও সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুরে দফায় দফায় নাশকতা

রাষ্ট্রের ভেতরে ‘আলাদা রাষ্ট্র’ খ্যাত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এলাকাছাড়া করতে দফায় দফায় এমন জঘন্য নাশকতা চালাচ্ছে অপরাধী চক্র। গতকাল রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পুলিশ ক্যাম্প ও স্থানীয় একটি স্কুলের যৌথ পানি সরবরাহের পাইপলাইনে সুপরিকল্পিতভাবে কীটনাশক বা বিষ প্রয়োগের পর তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হলে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এর আগে, জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় যৌথ বাহিনীর সদ্য প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্প লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছিল সন্ত্রাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যাতায়াত ও অভিযান বাধাগ্রস্ত করতে মূল সড়কের বিভিন্ন অংশ বুলডোজার দিয়ে কেটে ফেলা হয়, যাতে সাঁজোয়া যান বা দ্রুতগতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে পৌঁছাতে না পারে। এমনকি সে সময় সশস্ত্র হামলা চালিয়ে নির্মাণাধীন চৌকির দেওয়াল ও বিভিন্ন অবকাঠামোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

পাহাড়ি এই অপরাধ সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ও যৌথ বাহিনীকে হটাতে এর আগেও ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ এবং বিদ্যুৎ ও পানির লাইন কেটে দেওয়ার মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল চক্রটি।