খুঁজুন
, ,

সুপার কাপ জিতে মৌসুম শুরু করলো চেলসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 August, 2021, 9:35 pm
সুপার কাপ জিতে মৌসুম শুরু করলো চেলসি

সুপার কাপ জয় দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করলো চেলসি। স্প্যানিশ গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা বদলী হিসেবে খেলতে নেমে চেলসিকে মৌসুমের প্রথম শিরোপা উপহার দিয়েছেন। গতকাল বেলফাস্টের উইন্সডোর পার্কে ভিয়ারিয়ালকে টাই ব্রেকারে ৬-৫ গোলে পরাজিত করে উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা জিতেছে চেলসি। নির্ধারিত সময়ের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র ছিল।

২০১৮ সালে একজন গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্ব রেকর্ড ফি’তে স্ট্যামফোর্ডে ব্রীজে যোগ দেবার পর থেকেই মূল একাদশে জায়গা হারিয়ে ফেলেছিলেন কেপা। কাল অবশ্য কোচ থমাস টাচেলকে হতাশ করেননি ২৬ বছর বয়সী এই স্প্যানিয়ার্ড। অতিরিক্ত সময়ে এডুয়ার্ড মেন্ডির স্থানে খেলতে নেমেই চেলসির ভাগ্য বদলে দিয়েছেন। দুই বছর আগে লিগ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে সাবেক কোচ মরিজিও সারির অধীনে বদলী বেঞ্চে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কেপা আলোচনায় এসেছিলেন।

কিন্তু এবার কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়ে একে একে এইসা মান্ডি ও রাওল আলবিওলের শট রুখে দিয়ে চেলসিকে শিরোপা উপহার দিয়েছেন। টাচেল বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি স্বাভাবিক ছিল। বার্নলির বিপক্ষে গত মৌসুমে এফ এ কাপের প্রথম ম্যাচের পরেই আমরা গোলরক্ষক নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। পেনাল্টি রক্ষার দিক থেকে কেপার পরিসংখ্যান অন্য সবার থেকে ভাল। গোলরক্ষক কোচ আমাকে এই তথ্যগুলো দিয়েছে। আমরা খেলোয়াড়দের সাথেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। মেন্ডি বিষয়টি মেনে নেয়ায় আমি দারুন খুশী।’

গত মে মাসে পোর্তোর ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটিকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ঘরে তুলেছেন চেলসি। টাচেলের পাঁচ মাসের মেয়াদে কাল তারা দ্বিতীয় শিরোপা পেল। প্রাক-মৌসুম অনুশীলনেও টাচেলের অধীনে ৪২ সদস্যের দল দারুনভাবে নিজেদের প্রস্তুত করে তুলেছেন। তারকা সমৃদ্ধ এই দলে এখন ইন্টার মিলান থেকে রোমেলু লুকাকুর আসা সময়ের ব্যপার। ৯৭ মিলিয়ন ক্লাব রেকর্ড পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দিতে ইতোমধ্যেই লন্ডনে পৌঁছেছেন এই বেলজিয়ান তারকা।

কাল ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের দারুনভাবে প্রমান করেছেন ব্লুজরা। ইউরো ২০২০ ফাইনালে খেলা ম্যাসন মাউন্ট, বেন চিলওয়েল, রেসে জেমস ও জর্জিনিও প্রাক-মৌসুম অনুশীলনে দেরীতে যোগ দেয়ায় মূল দলে জায়গা পাননি। কিন্তু তারপরেও প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় চেলসি। হাকিম জিয়েচ তার প্রাক-মৌসুম ফর্ম ধরে রেখে ২৭ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন। ডানদিক থেকে কেই হাভার্টজের লো ক্রসে জিয়েচ কোন ভুল করেননি। যদিও কাঁধের ইনজুরির কারনে বিরতির ঠিক আগে এই মরোক্কান বদলী বেঞ্চে যেতে বাধ্য হন।

রোমান আব্রামোভিচ দায়িত্ব নেবার পর বদলে যাওয়া চেলসির জন্য গত ২০ বছরে এটি ২০তম শিরোপা হলেও ভিয়ারিয়াল মে মাসে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ইউরোপা লিগের ফাইনালে পরাজিত করে প্রথম বড় কোন শিরোপার দেখা পেয়েছিল। উনাই এমেরির দল এক গোলে পিছিয়ে থেকে ধীরে ধীরে খোলসের থেকে বেরিয়ে আসে। বিরতির আগেই সমতায় না ফেরাটা তাদের জন্য দূর্ভাগ্য ছিল। এমেরি বলেছেন, ‘ভিয়ারিয়ালের বর্তমান দলটি নিয়ে আমি দারুন গর্বিত। আমরা জানি কিভাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হয়।’

দুই অর্ধে আলবার্তো মোরেনো ও জেরার্ড মোরেনোর দুটি শট পোস্টে লেগে ফেরত আসলে হতাশ হতে হয় ভিয়ারিয়ালকে। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য চেলসির ওপর চড়াও হয়ে খেলা শুরু করে স্প্যানিশ দলটি। টাচেলও বাধ্য হয়ে মাউন্ট, জর্জিনহো ও আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসেনকে মাঠে নামান। কিন্তু তারপরও শেষরক্ষা হয়নি। ৭৩ মিনিটে ডিয়ার সাথে বল আদান প্রদান করে মেন্ডিকে পরাস্ত করেন মোরেনো। লিগ শুরুর আগে কোন ম্যানেজারই চাননি অতিরিক্ত আরো ৩০ মিনিট খেলতে। অতিরিক্ত সময়ে অবশ্য অপেক্ষাকৃত ভাল খেলেছে চেলসি। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ ও মাউন্টের দুটি প্রচেষ্টা দারুনভাবে রুখে দেন ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক সার্জিও আসেনহো।

হাভার্টজের শট রুখে দিয়ে আসেনহো টাই ব্রেকারে ভিয়ারিয়ালকে স্বপ্নের শুরু এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী ছয় শটে চেলসিকে আর থামানো যায়নি।

এন-কে

Feb2

উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে ইতিহাসে প্রথমবার নকআউটে ডিআর কঙ্গো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 9:08 am
উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে ইতিহাসে প্রথমবার নকআউটে ডিআর কঙ্গো

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গো এবার এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস লিখল। উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে দলটি। কেপ ভার্দের পর তারাই এই আসরের দ্বিতীয় বড় চমক হিসেবে রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা পেল।

শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না কঙ্গোর জন্য। মাত্র দশ মিনিটেই উজবেকিস্তানের তারকা ফরোয়ার্ড এলদোর শোমুরোদভ কঙ্গোর গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দুর্দান্ত লব শটে এগিয়ে দেন তার দলকে। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল কঙ্গোর স্বপ্ন হয়তো শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের দল যেন আলাদা রূপ নিয়ে মাঠে নামল। শারীরিক লড়াইয়ে পুরোপুরি দাপট দেখাল কঙ্গো।

৬৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় কঙ্গো। ইউয়ান উইসা বক্সে ঢুকতেই উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভ ফাউল করেন তাকে। রেফারি পেনাল্টি দেন। উইসা নিজেই শান্তভাবে স্পটকিক নেন এবং গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভকে ভুল দিকে পাঠিয়ে সমতা ফেরান।

দশ মিনিট পরেই এগিয়ে যায় কঙ্গো। মেশাক এলিয়ার জোরালো শট ডিফ্লেকশন খায়। সেই সুযোগে ফিস্তন মায়েলে চটপট ফ্লিক করে বল পাঠান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে নিকট পোস্টে। ২-১ এগিয়ে যায় কঙ্গো।

স্টপেজ টাইমে সমতার জন্য মরিয়া হয়ে সামনে ছুটছিল উজবেকিস্তান। সেই সুযোগে কাউন্টার অ্যাটাকে উইসা বক্সের কিনারায় বল পেয়ে সুন্দর কার্লিং শটে বল পাঠান নিচের কোণে। ৩-১ হয়ে যায় স্কোর, কঙ্গোর বেঞ্চ ফেটে পড়ে উৎসবে।

গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে ১-১ গোলে ড্র করিয়েছিল কঙ্গো। সেই সাফল্যের পর এবার নকআউটে উঠে রীতিমতো ইতিহাস গড়ল তারা।

কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 8:27 am
কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল

গ্রুপসেরা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ব্যবধানেই ড্র হয়েছে। আর এই ড্রয়ের মাধ্যমে কলম্বিয়া গ্রুপসেরা ও পর্তুগাল রানারআপ হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখলো।

৩ ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্রয়ে কলম্বিয়ার সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট। সমান তিনটি ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে পর্তুগিজরা। এদিকে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে কঙ্গো। এই তিন দলই ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে দু’দল। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে কর্দোবার একটি দারুণ অন-টার্গেট শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিওগো কোস্তা।

এরপর ৩০ মিনিটে কলম্বিয়ার পক্ষে একটি পেনাল্টির জোরালো আবেদন উঠলে তা ভিএআর রিভিউয়ের মাধ্যমে নাকচ করে দেন রেফারি।

অন্যদিকে, ব্রুনো ফার্নান্দেস ও জোয়াও ফেলিক্সরা মাঝমাঠ থেকে চমৎকার কিছু আক্রমণ তৈরি করেন। ম্যাচের বিরতির ঠিক আগে পর্তুগালের একটি বিপজ্জনক আক্রমণ নষ্ট করে দেন কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার ডাভিনসন সানচেজ।

নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে কলম্বিয়ার হয়ে বল জালে জড়ান ইওয়ান উইসা। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয় গোলটি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়ে দু’দল।

ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:42 am
ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। তবে সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ বা নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ক্রোয়াটরা। ঘানার বিপক্ষে এই রোমাঞ্চকর জয়ে রানারআপ হিসেবেই পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে লড়তে থাকে দুই দল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। অবশেষে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।