খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজার হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে পালাচ্ছেন কেন?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
হাজার হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে পালাচ্ছেন কেন?

উন্নত জীবন-যাপনের আশায় প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব অনুপ্রবেশকারী ইউরোপে প্রবেশ করেন তাদের মধ্যে শীর্ষে আছেন বাংলাদেশিরা। এমনকি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দারিদ্র্যপীড়িত মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশসমূহের অনুপ্রবেশকারীদের থেকেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বেশি।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটেনের জাতীয় দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।

এতে বলা হয়েছে, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিও ইউরোপে অনুপ্রবেশ করছেন। পূর্ব ইউরোপের গভীর অরণ্য, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে উন্নত দেশগুলোতে প্রবেশের এই যাত্রায় মারাও যাচ্ছেন তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে ইউরোপে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইতালিতে প্রবেশের জন্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছেন ৩ হাজার ৩০০ জনের বেশি বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে যাত্রাপথে সাগরে ডুবে মারা গেছেন ১ হাজারের বেশি।

ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তারা বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে প্রতিবছর যত মানুষ ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, গত প্রায় ছয় বছর ধরে তাদের মধ্যে শীর্ষে আছেন বাংলাদেশিরা।

২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে যদিও অন্যান্য বছরের তুলনায় ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের সংখ্যা বিগত বছরগুলোর চেয়ে কম ছিল, কিন্তু তারপরও যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান, সিরিয়া ও উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া ও মরক্কোর তুলনায় গত বছর বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি।

দ্য টেলিগ্রাফ সম্প্রতি এ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করেছে। তাদের অনুসন্ধানের মূল বিষয়- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে অন্যতম, প্রতিবছরই জিডিপি বাড়ছে। এমনকি করোনা মহামারির কারণে ২০২০-২১ সালে প্রতিবেশী দেশ ভারতের জিডিপি যেখানে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা আছে; সেখানে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়ার সম্ভাবনা আছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। তাহলে কেন প্রতি বছর হাজার হাজার বাংলাদেশি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াচ্ছেন।

উন্নত জীবনের স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গ

ইউরোপে বসবাস করা মানেই উন্নত জীবন, বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর মধ্যে এমন একটি ধারণা বদ্ধমূল থাকাকে প্রতি বছর ইউরোপে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে মনে করেন বাংলাদেশভিত্তিক উন্নয়নসংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম হাসান।

বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন সংস্থার এই কর্মকর্তা টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘বাংলাদেশের সিলেটসহ কিছু জেলার মানুষের মধ্যে একটি বদ্ধমূল ধারণা আছে। সেটি হলো- আপনি যদি কোনোভাবে ইউরোপে যেতে পারেন, তাহলেই জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে যারা অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের জন্য রওয়ানা হন, তাদের অধিকাংশের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং তাদের একটি বিপুল অংশ লিবিয়া থেকে নৌপথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবেশের চেষ্টা করেন উল্লেখ করে শরিফুল হাসান বলেন, ‘আমরা এই যুবকদের বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেছি- এটা কোনো স্বপ্নপূরণের যাত্রা নয়; বরং মৃত্যু অভিমুখে যাত্রা। কিন্তু তারা এসব কথায় কান দিতে প্রস্তুত নন।’

চট্টগ্রামের বাসিন্দা আলফাই আলি হোসেন সজীব (২৩) জানিয়েছেন তার স্বপ্নভঙ্গের কথা। দ্য টেলিগ্রাফকে তিনি বলেন নির্মাণশিল্পের কাজে যোগ দিতে ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য এক দালালকে এককালীন ৬ হাজারেরও বেশি ইউরো (৫ লাখ ৯৭ হাজারেরও বেশি টাকা) দিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু দেশটির রাজধানী জাগরেবে যাওয়ার পর ওই দালালচক্রের অপর সদস্যরা তাকে একটি কক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের যাত্রীদের সঙ্গে বন্দি রেখেছিল। টেলিগ্রাফকে সজীব বলেন, ‘তারা আমাকে আরও আড়াই লাখ টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছিল। প্রতিদিন তারা আমাকে নির্যাতন করত, মারধর করত এবং খাবারও দিত অনিয়মিত।’

শরিফুল হাসান বলেন, ‘যারা কোনোভাবে ইউরোপে অনুপ্রবেশে সক্ষম হয় এবং সেখানে কাজ জোটাতে পারে, তারা দেশে টাকা পাঠায়। সেই টাকায় তার পরিবারের সদস্যরা স্বচ্ছল জীবনযাপন করে, আবাসিক ভবন তৈরি করে। অধিকাংশ মানুষ এই চাকচিক্য দেখে প্রভাবিত হয়।’

‘কিন্তু বিপুলসংখ্যক অনুপ্রবেশকারী যে যাত্রাপথে মারা যায়, কিংবা সেখানে প্রবেশের পর কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে; সেসব ঘটনা এই মানুষেরা গুরুত্ব দেয় না।

মধ্যবিত্ত পরিবারের বিনিয়োগ

প্রতিবছর ইউরোপে যেসব বাংলাদেশি প্রবেশ করেন, তাদের প্রায় সবাই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক আহমেদ মুশফিক মোবারক। টেলিগ্রাফকে তিনি বলেন, ‘ইউরোপে প্রবেশের জন্য প্রচুর টাকাপয়সা খরচ করতে হয় এবং তাদের (অনুপ্রবেশকারী) পরিবার সেই টাকার যোগান দেয়। এ থেকে সহজেই ধারণা করা যায়, এই অনুপ্রবেশকারীদের প্রায় সবাই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা লোকজন।’

‘তারা এই বিষয়টিকে দেখছে একপ্রকার বিনিয়োগ হিসেবে। আগে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবার জমি বা বাড়ি নির্মাণের জন্য অর্থলগ্নি করত, এখন তারা নতুন খাত হিসেবে ইউরোপ প্রবেশকে বেছে নিয়েছে।’

‘বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকরা যদিও বরাবরই বলে আসছেন, দারিদ্র্যের কারণে এই প্রবণতা বাড়ছে এবং দেশে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়লে এটি কমে যাবে। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক তৎপরতা ও উন্নয়ন যেমন বাড়ছে, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতিবছর ইউরোপে অবৈধ অনুপ্রবেশের হারও।’

বিষয়টি সমাধানে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন উল্লেখ করে শরিফুল হাসান টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষদের সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বয় প্রয়োজন। পাশাপাশি, দালালদের ও ভুয়া রিক্রুটিং এজেন্সির সদস্যদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। পরস্পরকে দোষারোপ না করে ইউরোপ এবং বাংলাদেশ- উভয়কেই এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।’

এন-কে

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।