খুঁজুন
, ,

পাবজিসহ সব ক্ষতিকর অনলাইন গেম বন্ধে নির্দেশ হাইকোর্টের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 16 August, 2021, 1:06 pm
পাবজিসহ সব ক্ষতিকর অনলাইন গেম বন্ধে নির্দেশ হাইকোর্টের

অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ সব ক্ষতিকর গেম অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে সব অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেম তথা লাইকির মত সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস বন্ধের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

গত ২৪ জুন সব অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেম তথা লাইকির মতো সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার এ রিট দায়ের করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং পুলিশের আইজিকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৯ জুন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেম সব ধরনের অনলাইন গেম এবং অ্যাপস বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, এবং ফ্রি ফায়ার এর মতো গেম গুলিতে বাংলাদেশের যুব সমাজ এবং শিশু-কিশোররা ব্যাপকভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছে। যার ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়ে পড়ছে মেধাহীন। এসব গেমস যেন যুব সমাজকে সহিংসতা প্রশিক্ষণের এক কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে টিকটক, লাইকি অ্যাপসগুলো ব্যবহার করে দেশের শিশু কিশোর এবং যুব সমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে এবং সারাদেশে কিশোর গ্যাং কালচার তৈরি হচ্ছে। টিকটক অনুসারিরা বিভিন্ন গোপনীয় জায়গায় পুল পার্টির নামে অনৈতিক বিনোদনসহ যৌন কার্যক্রমে লিপ্ত হচ্ছে। এছাড়াও সম্প্রতি নারী পাচার এবং বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের ঘটনায়ও ঘটছে। যেটা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং দেশের জনস্বার্থ, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের পরিপন্থী। এছাড়াও দেশের শিশুরা বিভিন্ন অনলাইন গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।

নোটিশে বলা হয়, এ বিষয়টি মনিটর করার জন্য এবং সময়ে সময়ে শিশুদের জন্য উপযোগী এবং যথাযথ অনলাইন গেমগুলোকে সুপারভাইজ করার জন্য একটি মনিটরিং টিম গঠন করা অত্যন্ত জরুরি। তাই সব অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেমস এবং টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভের মতো ক্ষতিকারক অ্যাপসগুলোকে অবিলম্বে অপসারণ করা এবং সব লিংক বন্ধ করার অনুরোধ করা হয়। একই সঙ্গে এই সব বিষয় মনিটরিং করবার জন্য এবং শিশুদের উপযোগী যেসব অনলাইন গেমস রয়েছে সেগুলি সুপারিশ করবার জন্য একটি একটি মনিটরিং, ইভালুয়েশন এবং সুপারিশ কমিটি গঠন করার জন্য অনুরোধ করা হয় নোটিশে। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন বলে জানান আইনজীবীরা।

সম্প্রতি নেপালে পাবজি নিষিদ্ধ করে দেশটির আদালত। একই কারণে ভারতের গুজরাটেও এ গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। এমনকি গেমটি খেলার জন্য কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বাংলাদেশেও পাবজি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল, পরে আবার চালু করা হয়।

এন-কে

Feb2
Feb2

হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 3:31 pm
হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে চার বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, মিছিল, সমাবেশ ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক।

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৪৪ ধারা কার্যকর করতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে এনসিপি প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করে। একই সময়ে বিএনপিও কর্মসূচি দেওয়ায় শহরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।

জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা, জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 2:51 pm
জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা, জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ

আপিল বিভাগে একই বিষয়ে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সেই তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করায় দেশের অন্যতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিচারপতি মাহমুদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী এক মাসের মধ্যে জরিমানার ৫ কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দিতে হবে। পরে এ অর্থ জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, একই বিষয়ে পূর্বে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেন এবং বিষয়টি আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। কিন্তু এ তথ্য গোপন রেখে জিপিএইচ ইস্পাত নিম্ন আদালতে নতুন মামলা দায়ের করে এবং পরবর্তীতে আবারও হাইকোর্টে রিট আবেদন করে নিষেধাজ্ঞা চায়।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতকে জানান, কোম্পানিটি চলমান আপিল, পূর্বের রিট এবং আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশের বিষয়টি গোপন রেখে আদালতের কাছে আবেদন করেছে, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি অসৎ আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিষয়টি পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট মন্তব্য করেন, বিচারাধীন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে আদালতের শরণাপন্ন হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ আদালতের সময়ের অপচয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের শামিল। এ কারণেই আদালত জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি ওই অর্থ জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ দেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে কোনো পক্ষ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে আদালত এমন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। হাইকোর্টের এ আদেশ বিচারিক স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ, হুমকিতে বনের অতন্দ্র প্রহরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 7:17 am
বিশ্ব বাঘ দিবস আজ, হুমকিতে বনের অতন্দ্র প্রহরী

জীববৈচিত্র্যের আধার সুন্দরবন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বন রয়েল বেঙ্গল টাইগারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। এই বাঘ বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু বন ধ্বংসের কারণে আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া, খাদ্য সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, চোরা শিকারের কারণে অস্তিত্বের হুমকিতে পড়েছে বনের এই অতন্দ্র প্রহরী।

আজ ২৯ জুলাই, বিশ্ব বাঘ দিবস। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ’। প্রতি বছর নানা কর্মসূচিতে দিবসটি পালন করা হলেও এবার তেমন কোনো আয়োজন নেই। সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের পক্ষ থেকে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, র‌্যালি ও আলোচনা সভা করা হবে।

বাঘ জরিপের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। ২০১৮ সালে ১১৪টির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সবশেষ ২০২৪ সালের ক্যামেরা ট্র্যাপিং জরিপে বাঘের সংখ্যা পাওয়া যায় ১২৫টি। বন বিভাগের হিসাব বলছে, প্রতি ১০০ কিলোমিটারে বাঘের ঘনত্ব প্রায় ২ দশমিক ১৭টি।

সুন্দরবন রক্ষায় ‘আমরা’র সমন্বয়কারী নুর আলম শেখ জানান, ২০২১-২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে ৯১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পিটিয়ে বা শিকার করে হত্যা করা হয়েছে ৫৮টি। ৩০টির মৃত্যু হয়েছে বার্ধক্যজনিত বা অসুস্থতাজনিত কারণে। আর তিনটির মৃত্যু হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগে। তিনি বলেন, একদিকে হরিণ শিকারিদের দাপট, অন্যদিকে বনদস্যুদের বনে অবাধ বিচরণ; দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে বাঘের আবাসস্থল। হরিণ শিকারের ফাঁদে কখনো কখনো বাঘ আটকা পড়ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক সামিউল হক বলেন, সুন্দরবনে অবাধে বিচরণের জন্য একটি পুরুষ বাঘের টেরিটরি প্রয়োজন ৬০ থেকে ১৫০ বর্গকিলোমিটার। আর স্ত্রী বাঘের জন্য প্রয়োজন ২০ থেকে ৬০ বর্গকিলোমিটার। সুন্দরবনে হরিণ আর বুনো শূকরের মতো শিকার পর্যাপ্ত থাকলে ছোট এলাকায়ও বাঘ টিকে থাকতে পারে। তাই বাঘের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কমাতে হবে হরিণ শিকার।

তিনি আরও বলেন, বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে হবে। শিকার বা পাচার রোধে আইনের সংশোধন করতে হবে। চোরা শিকারিদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে হবে। একই সঙ্গে ক্যামেরা ট্র্যাকিং এবং রেডিও কলারের মাধ্যমে বাঘের গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আবদুল্লা হারুন জানান, মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় বাঘের মৃত্যু না হলেও এটি বাঘের বংশ বৃদ্ধি কমার একটি বড় কারণ। এ ছাড়া বাঘ নিরাপদ আবাসস্থল নিয়ে বিপাকে পড়ে। তাই বাঘের বংশ বৃদ্ধি ও বিচরণ নিশ্চিতে সুন্দরবনে অবাধে মানুষের বিচরণ কমাতে হবে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বাঘের সংখ্যা বাড়াতে হরিণ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ১৩৫ হরিণ পাচারকারীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

সম্প্রতি বন রক্ষায় করণীয় শীর্ষক একটি নাগরিক সংলাপে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে কয়েকটি দস্যুদল আত্মসমর্পণ করেছে। হরিণ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর আগে হরিণ শিকারির ফাঁদে আটকে আহত হওয়া একটি বাঘকে উদ্ধার করে ছয় মাস চিকিৎসা শেষে আবার পাঠানো হয়েছে সুন্দরবনে। তিনি বলেন, বাঘ হলো সুন্দরবনের প্রধান প্রাণী। তাই সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বাঘের অস্তিত্ব রক্ষা জরুরি।