খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ৪৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন ১৫৯ মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
করোনায় ৪৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন ১৫৯ মৃত্যু

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু কমছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নিম্নমুখী। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১৫৯ জন মারা গেছেন। একদিনে মৃত্যুর হিসাবে এই সংখ্যা ৪৭ দিন অর্থাৎ দেড় মাসের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন।

চলতি বছরের ৪ জুলাই একদিনে এর চেয়ে কম মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওইদিন ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়। ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৫৯ জনকে নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪ হাজার ৮৭৮ জনে।

এর আগে গতকাল বুধবার (১৮ আগস্ট) ২৪ ঘণ্টায় মারা যান ১৭২ জন। তার আগের দিন ১৭ আগস্ট ১৯৮ জন মারা যান। এছাড়া গত ১৬ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়।

এদিকে, নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ছয় হাজার ৫৬৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১০ জনে।

এর আগে গতকাল বুধবার (১৮ আগস্ট) একদিনে নতুন করে সাত হাজার ২৪৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন। তার আগের দিন ১৭ আগস্ট শনাক্ত হয় সাত হাজার ৫৩৫ জন। এছাড়া গত ১৬ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় ছয় হাজার ৯৫৯ জন রোগী শনাক্ত হয়। সেই হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও কমছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৭২১টি ল্যাবরেটরিতে ৩৭ হাজার ৪২৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে নমুনা পরীক্ষা করা ৩৭ হাজার ২২৬টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৮৫ লাখ ৫৯ হাজার ৫৪টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৬ দশমিক শূন্য ৯১ শতাংশ।

একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ১০ হাজার ১৫৩ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ১৮১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১৫৯ জনের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী একজন, দশোর্ধ্ব দুইজন, বিশোর্ধ্ব তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২০ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৩৫ জন, ষাটোর্ধ্ব ৮৬ জন মারা যান।

বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রামে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ১৩ জন, খুলনায় ১২ জন, বরিশালে ১০ জন, সিলেটে ২৩ জন, রংপুরে আটজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Feb2

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু মহামতি গৌতম বুদ্ধ তার অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি দিয়েছিলেন। এই পঞ্চশীল নীতি হলো প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা। প্রেম, অহিংস এবং সর্বজীবে দয়াও বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা।

তিনি বলেন, যেই কয়টি জিনিস এখানে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যিনি যার ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারব।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানান।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক প্রত্যেকেই যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে তেমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না, অতীতেও আমরা তা করিনি। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, যা একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমিও জোর দিয়ে আবারও একই কথা বলতে চাই- ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সব ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিলো না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার আমার, আমাদের সবার।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সবাই ‘আমরা বাংলাদেশি’।

চট্টগ্রাম পানির নিচে নয়, ভারী বৃষ্টিতে সাময়িক জলজট হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম পানির নিচে নয়, ভারী বৃষ্টিতে সাময়িক জলজট হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম নগরীর সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরঞ্জিত প্রচার চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের পুরোনো ছবি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বাস্তবে নগরী পানির নিচে তলিয়ে যায়নি; ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িক জলজট সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সংসদে বিষয়টি উত্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত চট্টগ্রামে এসে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যা সমাধানে কাজ করতে। আমি গতকাল রাত থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি। যেভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, বাস্তবে তেমন ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখিনি।”

তিনি আরও বলেন, “হঠাৎ ৮০ থেকে ৯০ মিলিমিটার ভারী বৃষ্টি হলে স্বাভাবিকভাবেই পানি সরতে কিছুটা সময় লাগে। এটিকে জলাবদ্ধতা বলা যাবে না, এটি সাময়িক জলজট। প্রকৃত জলাবদ্ধতা তখনই বলা যায়, যখন তিন-চার দিন পানি নেমে না যায়।”

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, নগরীর ৩৬টি খালের মধ্যে কয়েকটি খালে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় পানি জমেছিল। বিশেষ করে রিটার্নিং ওয়াল ও অস্থায়ী প্রতিবন্ধকতার কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তবে সিটি কর্পোরেশন, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করেছে।

তিনি জানান, বর্ষাকালের আগে আপাতত ড্রেন ও খাল উন্নয়নকাজ সীমিত রাখা এবং চলমান কাজের ব্যারিকেড ও রিটার্নিং ওয়াল অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্ষা শেষে আবার উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ উন্নতি হয়েছে। চলমান প্রকল্পের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হলে স্থায়ী সমাধান আরও দৃশ্যমান হবে। আগামী বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রামবাসীকে ২০২৪ সালের পরিস্থিতিতে ফিরতে হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “অস্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে বিশেষজ্ঞদের নকশা অনুযায়ী খাল, সুইসগেট ও নিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নয়ন করা হচ্ছে। স্বাভাবিক বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হবে না, যদিও অতিভারী বর্ষণে কয়েক ঘণ্টার জলজট তৈরি হতে পারে।”

সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে মেয়রের নেতৃত্বে সব সেবা সংস্থাকে নিয়ে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করবে। তিনি বলেন, “যেসব এলাকায় চলমান প্রকল্পের কারণে সাময়িক জলজট হয়েছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা কথা বলব এবং সহযোগিতার চেষ্টা করব।”

মেয়র দাবি করেন, গত এক বছরে চট্টগ্রামের প্রায় ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “৩০ বছরের একটি সমস্যা সমাধানে আমরা সিডিএ, সেনাবাহিনী, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে কাজ করছি। প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে সমন্বিত কমিটি গঠিত হলে কাজের গতি আরও বাড়বে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।”

অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে জাহাজ কুইচি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে জাহাজ কুইচি

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছেছে হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ কুইচি। আজ দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে এর লোকাল এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন। এপ্রিল মাসে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় চালান। গত ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন ও ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এসেছিল আরও দুটি জাহাজ।

দৈনিক ১২০০ টন চাহিদা হিসেবে এই এক মাসে আসা ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে চলা যাবে দুই মাসেরও বেশি সময়।

প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, বহির্নোঙ্গরে অকটেন ও ডিজেল নিয়ে অবস্থান করছে আরও পাঁচটি জাহাজ। এছাড়া বুধবার তিনটি জাহাজ বার্থিং করে তেল খালাস শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরে ডলফিন জেটি মাত্র তিনটি। তাই চাইলেও সবগুলো জাহাজকে একসঙ্গে বার্থিং দেয়া সম্ভব নয়। এদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় কার্গো খালাসে একটু বেগ পেতে হচ্ছে।