খুঁজুন
, ,

হাসপাতাল চাই, কিন্তু সিআরবির বদলে নয়: ড. অনুপম সেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 August, 2021, 1:51 am
হাসপাতাল চাই, কিন্তু সিআরবির বদলে নয়: ড. অনুপম সেন

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, আমরা প্রাণ-প্রকৃতিকে ভালোবাসিনি বলেই করোনার মতো একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপে মানবজাতি বিপন্ন প্রায়। মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য জীববৈচিত্র্য এবং প্রকৃতিগত ভারসাম্য অপরিহার্য।

চট্টগ্রাম নগরীর ভূপ্রাকৃতিক অবস্থানকে আমরা হত্যা করতে বসেছি। সিআরবিতে প্রাকৃতিক এ ঐশ্বর্য বিপন্ন করে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নির্মাণ অপচেষ্টা আর একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ হয়ে নেমে আসবে। এর বিরুদ্ধে এখন থেকেই সর্বাত্মক গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সম্প্রতি সিআরবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচিত এক রাজনৈতিক নেতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। আপনি আমাদের ইন্ধনের কথা বলছেন, দেখি আপনিতো সংসদ সদস্য, সংসদে দাঁড়িয়ে এ স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের জন্য জিডিপির ২ পারসেন্ট বরাদ্দের পরিবর্তে ৬ পারসেন্ট অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যে অর্থ সাধারণের চিকিৎসা খাতে ব্যয় হবে। আমিও হাসপাতাল চাই, কিন্তু তা কোনোভাবেই সিআরবির বদলে নয়।

রোববার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সিআরবিতে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সেন এসব কথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, মীরজাফরেরা আজও সক্রিয় আছে। তারা পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করেছে। একুশে আগস্ট আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছে। আজ সেই মীরজাফরেরা চট্টগ্রামের ফুসফুস সিআরবি ধ্বংসের চক্রান্ত করছে। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, বীর চট্টলার নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী যে লাঠি হাতে নিয়েছিলেন, তার মধ্যে অনেক লাঠি আমার কাছে রেখে গেছেন। সেই লাঠিগুলো মা-বোনদের হাতে তুলে দেব। তারপর নাগরিক সমাজের সঙ্গে সিআরবি রক্ষায় এখানে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর শক্তিশালী ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান ও সৌন্দর্যহানি করার জন্য মহল বিশেষ দীর্ঘকাল ধরে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। নগরীর পাহাড় কর্তন এবং পুকুর, ডোবা-নালা ভরাট করে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে জলাবদ্ধতার মতো একটি অভিশাপ আজ প্রকট হয়ে উঠেছে। একইভাবে চট্টগ্রামের ফুসফুস বলে পরিচিত সিআরবিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য মহল বিশেষের প্রভাব ও চক্রান্ত আজ আমাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের জন্য হাসপাতাল হোক এবং এ হাসপাতাল করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর, রেল এমনকি সিটি করপোরেশনের অব্যবহৃত অনেক জায়গা আছে। সে সব জায়গায় বড় বড় হাসপাতাল হতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত ও নিবন্ধিত সিআরবিতে নয়। আশা করি আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই বিষয়টি অবহিত করতে পারলে তিনি কখনোই সিআরবিতে হাসপাতাল হোক চাইবেন না। কারণ তিনি প্রকৃতিবান্ধব এবং বৈশ্বিক জলবায়ু দূষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিশ্ব খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।

তাই আমাদের কিছুতেই আশাহত হলে চলবে না। আমরা যারা মানুষের সুখ, দুঃখ, বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের মনে রাখতে হবে সত্য সবসময় চিরজাগ্রত।

তিনি প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছেন। কিন্তু স্থান কোথায় হবে তা তিনি উল্লেখ করেননি। অবাক লাগে সিআরবিতে এ হাসপাতাল করার পেছনে যারা উঠে পড়ে লেগেছেন তাদের স্বার্থটা কী? আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না বর্তমান সরকারকে গণবিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি অশুভ শক্তি চক্রান্ত করছে। এ চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবোই।

নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাবেক ছাত্রনেতা মো. শাহজাহান চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান, স্বপন মজুমদার প্রমুখ।

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নীলু নাগের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন মমতাজ খান, মালেকা চৌধুরী, হাসিনা আক্তার টুনু, শারমিন ফারুক, হুরে আরা বিউটি, লায়লা আক্তার এটলী, আঞ্জুমান আরা, তসলিমা নূরজাহান রুবি, আয়েশা ইব্রাহিম, উম্মে হাবিবা গিয়াস, জেনিফার আলম, কান্তা ইসলাম মিনু।

উপস্থিত ছিলেন আয়েশা আক্তার পান্না, নন্দিতা দাশগুপ্তা, শিরীন আখতার শিল্পী, রোমান ওয়াসিম, লাভলী বেগম, মনোয়ারা বেগম মনি, ফেরদৌস আরা, আয়েশা আলম, অ্যাডভোকেট সীমা আকতার, সোমা চৌধুরী, শিল্পী বড়ুয়া, শেলী দে, ময়না বেগম, অ্যাডভোকেট জোবাইদা সরওয়ার চৌধুরী, মনীষা সেন, সানিয়া কবির সানি, চেমন আরা, আয়েশা বেগম প্রমুখ।

Feb2
Feb2

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:31 pm
প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির কথা স্বীকার করলেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির চেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন। শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:16 pm
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮৫ টাকা। গত মাসে যা ছিল ১৫৯৮ টাকা।

আজ বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আজ সন্ধ্যা থেকেই যা কার্যকর হবে।

এর আগে, জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। আগস্ট মাসে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৭০ টাকা। যদিও জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে দাম প্রতিকেজি ১৩২ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

একইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে এর দাম ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এ ছাড়া, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৫ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।