খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসপাতাল চাই, কিন্তু সিআরবির বদলে নয়: ড. অনুপম সেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
হাসপাতাল চাই, কিন্তু সিআরবির বদলে নয়: ড. অনুপম সেন

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, আমরা প্রাণ-প্রকৃতিকে ভালোবাসিনি বলেই করোনার মতো একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপে মানবজাতি বিপন্ন প্রায়। মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য জীববৈচিত্র্য এবং প্রকৃতিগত ভারসাম্য অপরিহার্য।

চট্টগ্রাম নগরীর ভূপ্রাকৃতিক অবস্থানকে আমরা হত্যা করতে বসেছি। সিআরবিতে প্রাকৃতিক এ ঐশ্বর্য বিপন্ন করে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নির্মাণ অপচেষ্টা আর একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ হয়ে নেমে আসবে। এর বিরুদ্ধে এখন থেকেই সর্বাত্মক গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সম্প্রতি সিআরবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচিত এক রাজনৈতিক নেতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। আপনি আমাদের ইন্ধনের কথা বলছেন, দেখি আপনিতো সংসদ সদস্য, সংসদে দাঁড়িয়ে এ স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের জন্য জিডিপির ২ পারসেন্ট বরাদ্দের পরিবর্তে ৬ পারসেন্ট অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যে অর্থ সাধারণের চিকিৎসা খাতে ব্যয় হবে। আমিও হাসপাতাল চাই, কিন্তু তা কোনোভাবেই সিআরবির বদলে নয়।

রোববার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সিআরবিতে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সেন এসব কথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, মীরজাফরেরা আজও সক্রিয় আছে। তারা পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করেছে। একুশে আগস্ট আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছে। আজ সেই মীরজাফরেরা চট্টগ্রামের ফুসফুস সিআরবি ধ্বংসের চক্রান্ত করছে। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, বীর চট্টলার নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী যে লাঠি হাতে নিয়েছিলেন, তার মধ্যে অনেক লাঠি আমার কাছে রেখে গেছেন। সেই লাঠিগুলো মা-বোনদের হাতে তুলে দেব। তারপর নাগরিক সমাজের সঙ্গে সিআরবি রক্ষায় এখানে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর শক্তিশালী ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান ও সৌন্দর্যহানি করার জন্য মহল বিশেষ দীর্ঘকাল ধরে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। নগরীর পাহাড় কর্তন এবং পুকুর, ডোবা-নালা ভরাট করে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে জলাবদ্ধতার মতো একটি অভিশাপ আজ প্রকট হয়ে উঠেছে। একইভাবে চট্টগ্রামের ফুসফুস বলে পরিচিত সিআরবিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য মহল বিশেষের প্রভাব ও চক্রান্ত আজ আমাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের জন্য হাসপাতাল হোক এবং এ হাসপাতাল করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর, রেল এমনকি সিটি করপোরেশনের অব্যবহৃত অনেক জায়গা আছে। সে সব জায়গায় বড় বড় হাসপাতাল হতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত ও নিবন্ধিত সিআরবিতে নয়। আশা করি আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই বিষয়টি অবহিত করতে পারলে তিনি কখনোই সিআরবিতে হাসপাতাল হোক চাইবেন না। কারণ তিনি প্রকৃতিবান্ধব এবং বৈশ্বিক জলবায়ু দূষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিশ্ব খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।

তাই আমাদের কিছুতেই আশাহত হলে চলবে না। আমরা যারা মানুষের সুখ, দুঃখ, বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের মনে রাখতে হবে সত্য সবসময় চিরজাগ্রত।

তিনি প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছেন। কিন্তু স্থান কোথায় হবে তা তিনি উল্লেখ করেননি। অবাক লাগে সিআরবিতে এ হাসপাতাল করার পেছনে যারা উঠে পড়ে লেগেছেন তাদের স্বার্থটা কী? আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না বর্তমান সরকারকে গণবিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি অশুভ শক্তি চক্রান্ত করছে। এ চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবোই।

নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাবেক ছাত্রনেতা মো. শাহজাহান চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান, স্বপন মজুমদার প্রমুখ।

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নীলু নাগের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন মমতাজ খান, মালেকা চৌধুরী, হাসিনা আক্তার টুনু, শারমিন ফারুক, হুরে আরা বিউটি, লায়লা আক্তার এটলী, আঞ্জুমান আরা, তসলিমা নূরজাহান রুবি, আয়েশা ইব্রাহিম, উম্মে হাবিবা গিয়াস, জেনিফার আলম, কান্তা ইসলাম মিনু।

উপস্থিত ছিলেন আয়েশা আক্তার পান্না, নন্দিতা দাশগুপ্তা, শিরীন আখতার শিল্পী, রোমান ওয়াসিম, লাভলী বেগম, মনোয়ারা বেগম মনি, ফেরদৌস আরা, আয়েশা আলম, অ্যাডভোকেট সীমা আকতার, সোমা চৌধুরী, শিল্পী বড়ুয়া, শেলী দে, ময়না বেগম, অ্যাডভোকেট জোবাইদা সরওয়ার চৌধুরী, মনীষা সেন, সানিয়া কবির সানি, চেমন আরা, আয়েশা বেগম প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…