খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইয়াসমিন হত্যা: জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল প্রধান আসামি বাবলু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ইয়াসমিন হত্যা: জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল প্রধান আসামি বাবলু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃচট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গৃহবধূ ইয়াছমিন আকতার এ্যানী (২৪) হত্যায় গ্রেফতার প্রধান আসামি বাবলু দে জবানবন্দিতে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে।

গত ২১ আগস্ট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বন আদালত) বেগম আঞ্জুমান আরা’র আদালতে প্রধান আসামী বাবলু দে স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেন।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তীতে বাবলু দে জানায়, ০৩ আগস্ট। দুপুর আড়াইটার দিকের ঘটনা। ২০১৫ সালে আমি বান্দরটিলা জব করতাম। তখন ইয়াছমিন আক্তার এনির সাথে আমার মাত্র পরিচয়। তখন আমাদের দুজনের মধ্যে একটা সম্পর্ক হয়। ২০১৭ সালে ডিসেম্বরে আমরা কালি মন্দিরে বিয়ে করি। তারপর আমরা একটা ভাড়া বাসা নিই।

নগরীর বাহার সিগন্যালে এক বছরের কাছাকাছি থাকি। পড়ে আমার স্ত্রী গর্ভবতী হলে গ্রামের বাড়ি চলে যায়। পরে আমাদের একটা মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। আমি সপ্তাহে বাড়ি আসা যাওয়া করি। পরে স্ত্রী তাকে শহরে নিয়ে আসতে বলে। আমি রাজী হই নাই আনতে। রাজি না হওয়ায় আমাদের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। তারপর রাগের মাথায় বউকে জোরে তাপ্পড মারি। তখন সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তখন মুখে চোখে আমি পানি দেই। পরে ডাক্তার আসে, ডাক্তার এসে বলে সে মারা গেছে। আমাদের বাড়ির পাশের ফার্মেসির ডাক্তার। পরে ডাক্তার চলে যায়।’

আমি পরে আমার বন্ধু সুমনদে কে ফোন করে একটা সিএনজি আনি। বউকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে। গিয়ে অর্ধেক রাস্তা থেকে আবার বাড়িতে যাই। পরে আমি এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যান মাতব্বরকে বিষয়টি জানাই। আর এ্যানির বড় বোনকে ফোনে জানাই। বলেছি এ্যানি স্ট্রোক করে মারা গেছে। তারা বলে লাশ রাখার জন্য। কিন্তু মেম্বার চেয়ারম্যান বলে লাশ পুড়িয়ে ফেলতে। পরে পুড়িয়ে ফেলি। পরে পুলিশকে মেম্বার চেয়ারম্যান খবর দেয়। আমি ইচ্ছা করে মারিনি কিভাবে হয়েছে জানি না। এটাই আমার জবানবন্দি।’

গত ৩ আগস্ট ইয়াসমিন আক্তার এ্যানীকে বোয়ালখালীর খরনদ্বীপ জৈষ্ঠপুরা বাড়ীতে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলে তার স্বামী বাবলু দে।

এনিয়ে গত ১৬ আগস্ট, চট্টগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (নং-১২৯/২০২১) দায়র করেন। মামলায় স্বামী বাবলু দে ও এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারসহ ১৮ জনকে আসামী করা হয়। বোয়ালখালী থানার মামলা নং-২১ (৮) ২১।

বোয়ালখালী উপজেলার জৈষ্ঠপুরা গ্রামের অন্যান্য আসামিরা হলেন-চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলার ৮নং শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নের রতন চৌধুরী (৪৯), সাধন মহাজন (৬০), নিমাই দে (৪৫), শংকর দত্ত (৩৩), অরবিন্দ মহাজন (৫০), অরুন দাশ (৫০), দিলীপ দেব (৪৫), প্রদীপ সুত্রধর (৪০), রাম প্রসাদ (৩৮), রনি দে (৩০), অরুপ মহাজন (৪২), সমর দাশ (৫৫), রবীন্দ্র ধর (৬০), নিপুন সেন (৬০), মো. মোকারম চেয়ারম্যান, ইউসুফ প্রকাশ ড্রেজার ইউসুফ (৩৫) ও পবন দাশ (৫৫)।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, ‘বাদী আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় মানবাধিকার সংগঠন বিএইচআরএফের সহায়তায় মামলা দায়ের করা হয়।’
এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান আসামিকে। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

মামলার বাদী রোকসানা বেগম বলেন, ‘পুলিশ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পারছে না। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছে। হত্যাকারীরা বোয়ালখালীতে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে আমরা আতঙ্কে দিন পার করছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালখালী থানার ওসি আব্দুল করিম বলেন, ‘পুড়িয়ে মেরেছে এটা সত্য নয়। এ রকম অদ্ভুত কথা কে বলেছে। একজন হিন্দু ছেলে মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করেছে। পরে মেয়েটি হিন্দু হয়েছে। মেয়েটি মারা গেলে ঐ ছেলে নিয়মানুসারে সৎকার করেছে।’

ওসি আরো বলেন, মামলা হওয়ার প্রধান আসামিকে ধরা হয়েছে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরছে এটাও সত্য নয়। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধরা হবে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) তারিক রহমান এর সাথে যোগাযোগ করেও কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…