খুঁজুন
, ,

আফগান সরকারের কিছু ইমেইল অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করেছে গুগল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 September, 2021, 1:28 pm
আফগান সরকারের কিছু ইমেইল অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করেছে গুগল

সদ্য সাবেক আফগান সরকারের কিছু ইমেইল অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাবেক কর্মকর্তাদের এবং তাদের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের রেখে যাওয়া ডিজিটাল নথিপত্র তালেবানের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় এমনটি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

আফগানিস্তানে তালেবানের হাতে মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সরকারের দ্রুত পতনের পর সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শত্রুদের খুঁজে বের করতে আফগানদের বায়োমেট্রিক এবং আর্থিক লেনদেনের ডাটাবেজ ব্যবহার করা হতে পারে।

গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের গতকাল শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে ইমেইল একাউন্ট বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এতে বলা হয়, ‘আমরা নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে কিছু একাউন্টের ব্যাপারে সাময়িক পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

আফগান সরকারের মন্ত্রণালয়ের আইটি বিভাগের সাবেক এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, তালেবানের পক্ষ থেকে সাবেক কর্মকর্তাদের ইমেইলের অধিগ্রহণ নিতে চায়। গত মাসে তালেবান তাঁকে সরকারি তথ্য সংরক্ষণ করতে বলে।

ওই কর্মকর্তা তালেবানের কথা না শুনে আত্মগোপনে চলে গেছেন। রয়টার্স তাঁর নামপরিচয় এবং তিনি কোন মন্ত্রণালয়ে কাজ করতেন, তা প্রকাশ করেনি।

এন-কে

Feb2
Feb2

বিমানবন্দর থেকে মোহরার মিড আইল্যান্ড সাজবে সবুজে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 9:14 pm
বিমানবন্দর থেকে মোহরার মিড আইল্যান্ড সাজবে সবুজে: মেয়র

নগরীর বিমানবন্দর থেকে মোহরা পর্যন্ত সড়কের মিড আইল্যান্ড বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ দিয়ে সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত।

বুধবার আগ্রাবাদ থেকে লালখানবাজার রোডে বৃক্ষায়নের এ কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন মেয়র। এসময় বন ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয় সার্বিক সবুজায়ন কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে মেয়রকে অবহিত করেন৷

এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসে, তাহলে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এ লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে নগরীতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণ করা হচ্ছে। নগরীর মোহরা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সব মিড আইল্যান্ডকে ফুল ও সবুজে ভরিয়ে তোলা হবে। সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন খালি জায়গা, পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে। ইতোমধ্যে বিমানবন্দর রোডকে বিভিন্ন রঙ্গিন ফুল দিয়ে রাঙানো হয়েছে৷ দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপে ২৬ প্রজাতির ৬৫০০ চারা লাগানো হচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, শিউলিসহ প্রায় ১০ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় জাতের গাছ। টাইগারপাস থেকে লালখানবাজারে লাগানো হছে পাতাবাহারসহ বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন গাছ। প্রতিদিন পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ এইসব গাছ রক্ষণাবেক্ষণেরও যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা মহামারির সময় মানুষ অক্সিজেনের গুরুত্ব নতুনভাবে উপলব্ধি করেছে। গাছ আমাদের জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশকে সুস্থ রাখে। তাই পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, ফল দেয়, কাঠ দেয়, ওষুধ দেয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আমরা গাছ থেকে শুধু নিতে জানি, গাছের পরিচর্যা করতে চাই না। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর একটি নগরী। এখানে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, খাল, উপত্যকা ও জলাশয় রয়েছে। আল্লাহ আমাদের অনেক সম্পদ দিয়েছেন। কিন্তু এসব সম্পদের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি কর্ণফুলী ও হালদা নদীসহ নগরীর খাল ও জলাশয় রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বর্জ্য শেষ পর্যন্ত খাল নদীতে গিয়ে জমা হয় এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।

ওয়াসিমের পরিবারসহ জুলাই শহীদদের স্বজনদের কথা শুনলেন চট্টগ্রামের ডিসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 7:37 pm
ওয়াসিমের পরিবারসহ জুলাই শহীদদের স্বজনদের কথা শুনলেন চট্টগ্রামের ডিসি

কেউ হারিয়েছেন স্বামী, কেউ সন্তান, কেউবা ভাই। কোনো কোনো পরিবার হারিয়েছে তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে স্বজন হারানো এসব পরিবারের অনেকে এখন আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা, অভাব-অভিযোগ ও প্রত্যাশার কথা শুনেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। জেলা প্রশাসক প্রতিটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। তাঁদের সংসার কীভাবে চলছে, সন্তানদের পড়াশোনা কেমন হচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যরা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না—এসব বিষয়ে জানতে চান তিনি। কোনো সমস্যা হলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেন।

দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া আয়োজনটি শেষ হয় বেলা আড়াইটায়। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাই পৌঁছাতে পারলেও শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্য আসতে কিছুটা দেরি হয়। চট্টগ্রামের প্রথম এবং দেশের দ্বিতীয় জুলাই শহীদ হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামের বোন সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা এসেছিলেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর পৌঁছান। ততক্ষণে মূল আয়োজন শেষ হয়ে গিয়েছিল।

তবে জেলা প্রশাসক তাঁর কার্যালয় ত্যাগ করেননি। তিনি ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যের জন্য নিজ কার্যালয়ে অপেক্ষা করেন। সাবরিনা ইয়াসমিন পৌঁছালে তাঁকে কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক হাসিমুখে তাঁকে স্বাগত জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা বলেন, “আমি অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে পৌঁছেছিলাম। কিন্তু ডিসি স্যার আমার জন্য অপেক্ষা করেছেন। পরে তাঁর কার্যালয়ে গেলে তিনি হাসিমুখে আমার কথা শুনেছেন। আমাদের পরিবারের সবার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”

জেলা প্রশাসকের এই অপেক্ষা ও আন্তরিক আচরণ তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে বলে জানান সাবরিনা।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ঈদগাহ বউবাজার এলাকার শহীদ আলমের স্ত্রী নয়ন বেগম। জেলা প্রশাসক তাঁর সংসারের বর্তমান অবস্থা এবং সন্তানদের বিষয়ে জানতে চান। পরিবারের কোনো সমস্যা কিংবা বিশেষ প্রয়োজন আছে কি না, তা-ও জানতে চান তিনি।

ঈদগাহ ঝরনাপাড়া এলাকার শহীদ ইউসুফের স্ত্রী সাজেদা আক্তারের কাছেও সংসারের বর্তমান অবস্থা জানতে চান জেলা প্রশাসক। স্বামীকে হারানোর পর তিনি কীভাবে সংসার চালাচ্ছেন, সন্তানদের পড়াশোনা ও জীবনযাপন কেমন চলছে এবং পরিবারটি কোনো সংকটে রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে কথা বলেন তাঁরা।

সাজেদা আক্তার বলেন, “ডিসি স্যার জানতে চেয়েছেন আমরা কেমন আছি, সন্তানদের অবস্থা কেমন এবং আমাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। কোনো সমস্যায় পড়লে তাঁর কাছে যেতে বলেছেন। আমাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন।”

লোহাগাড়ার আমিরাবাদ এলাকার শহীদ ইশমামুল হকের ভাই মুহিবুল হক জেলা প্রশাসকের কাছে পরিবারের নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁরা কোনো সংকোচ ছাড়াই জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন।

মুহিবুল হক বলেন, “শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা প্রাণ খুলে ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি। নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং সেগুলো সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।”

চকবাজার-বাকলিয়া এলাকার শহীদ শহীদুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমও পরিবারের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

হোসনেয়ারা বেগম বলেন, “ডিসি স্যার আমাদের সব দুঃখ-দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। যেকোনো বিপদে আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”

সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তার, শহীদ মাহামদুর রহমান সৈকতের চাচা আমজাদ হোসেন, শহীদ জামালের স্ত্রী তসলিমা বেগম এবং শহীদ মাহিনের মা রহিমা। তাঁরা পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা, নিরাপত্তা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সংকটের কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রত্যেকের বক্তব্য শোনেন। শহীদ পরিবারগুলো একা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন তাঁদের পাশে থাকবে। কোনো সমস্যা কিংবা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরিবারগুলোর সদস্যদের পরামর্শ দেন তিনি।

স্বজন হারানোর শূন্যতা কোনো উপহার বা সহায়তা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আন্তরিকতা এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি শোকাহত পরিবারগুলোর মনে কিছুটা হলেও সাহস জোগাতে পারে। শহীদ পরিবারগুলোর কথা দীর্ঘ সময় ধরে শোনা এবং দেরিতে পৌঁছানো ওয়াসিম আকরামের বোনের জন্য অপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে সেই সহমর্মিতারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন সারাদেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 29 July, 2026, 7:23 pm
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

এর আগে আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের লতিফ সিদ্দিকী জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের ওই মামলায় আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সে সময় তিনি বলেন, এর আগে গ্রেপ্তার না হলে আগামী সপ্তাহের রোববার বা সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করবেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত বছরের আগস্টে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত লতিফ সিদ্দিকী। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় তাকে আসামি করা হয়। কয়েক মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলাটি এখনো চলছে।

আজ আদালতে এই মামলায় হাজিরা শেষে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আজ সকালে আমাকে জানানো হয়েছে, শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা মামলায় আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আমি জানি, আজ যদি আদালতে না আসতাম, তাহলে মনে করা হতো আমি আত্মগোপনে চলে গেছি। আমি সাধারণত আত্মগোপন করি না, সব সময় আত্মপ্রকাশ করি। সে কারণেই আজ আদালতে এসেছি।’