খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শতভাগ উপস্থিতিতে খুলনা মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
শতভাগ উপস্থিতিতে খুলনা মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রায় শতভাগ উপস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আনন্দমুখর পরিবেশে আজ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম।

গতকাল রোববার চারটি হলই খুলে দেওয়া হয়। বহুদিন পর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আশপাশের দোকানিদের মুখেও হাসি ফুটেছে। নতুন করে দোকান-পসরা সাজিয়েছে তারা। এলাকাজুড়ে প্রাণ চাঞ্চল্য।

১৯৯১-৯২ অর্থবছরে চালু হওয়া খুলনা মেডিকেল কলেজে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০৩ জন।

অধ্যক্ষ ডা. মো. আহাদ আলী জানান, প্রথম বর্ষে মোট ১৮০ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। তার মধ্যে ১৭৮ জন ভর্তি হয় এবং আজ সবাই ক্লাসে উপস্থিত ছিল।

গ্যালারি কক্ষে ক্লাস নেওয়া অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. রহমত শরুখদার তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে আমাদের কলেজ বন্ধ থাকায় ক্লাস নিতে পারছিলাম না, তবে আমরা অনলাইন ক্লাস নিচ্ছিলাম। দীর্ঘদিন পর আজ সোমবার থেকে অফলাইন ক্লাস শুরু করেছি। এতে অত্যন্ত ভালো লাগছে, এ ক্যাম্পাস প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আমরা আশা করছি যদি করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে আমরা কন্টিনিউ করতে পারব। আমরা করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য ফেস মাস্ক, সেনিটাইজার ব্যবহার, টিকা নেওয়া এবং সুশ্যাল ডিস্ট্যান্স মেনে চলছি। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হলো, আমাদের কলেজের শিক্ষক, সব কর্মচারী ও ছাত্ররা ভ্যাক্সিনের কভারেজে আছে। সুতরাং আমরা ক্লাস নিতে পারব। আমাদের পড়ালেখার পরিবেশ বজায় থাকবে, এটাই প্রত্যাশা করছি।’

আজ প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে ।

কলেজে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানায়, কলেজ বন্ধ থাকলেও তারা আগে অনলাইনে ক্লাস করেছেন। আজ অফলাইনে ক্লাস শুরু হওয়ায় তারা খুশি। কারণ মেডিকেল ক্লাস মানেই প্রাক্টিক্যাল বিষয়। যা অনলাইন ক্লাসে সব সম্ভব হয়ে ওঠে না। তারা আরও জানায়, করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য ফেস মাস্ক, সেনিটাইজার ব্যবহার, টিকা নেওয়া, সুশ্যাল ডিস্ট্যান্স মেনে চলছে সবাই। তাই সশরীরে ক্লাসরুমে সহপাঠীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকা তাদের মধ্যে একটা ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছে।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…