খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি তিন দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি তিন দিনের রিমান্ডে

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিন করে রিমান্ড দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালতে আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এ ছাড়া নারী আসামিকে নারী পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তারের পর আজ শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘দেশি বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি অথবা দায় মেটাতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন সিইও রাসেল।’ র‍্যাবের লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আজ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ইভ্যালির সিইও রাসেল জানান, ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। পরে কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা দেশীয় বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। এ উদ্দেশ্যে তাঁরা বিভিন্ন দেশও ভ্রমণ করেছেন। অন্যান্য পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির কাছে ওই কোম্পানি শেয়ারের অফার দিয়ে প্রলুব্ধ করে দায় চাপিয়ে দেওয়া। এ ছাড়া তিন বছর পূর্ণ হলে শেয়ার মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে দায় চাপানোর পরিকল্পনা নেন। দায় মেটাতে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বৃদ্ধি করার আবেদন একটি অপকৌশল মাত্র। সর্বশেষ তিনি দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা করেছিলেন।’

খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, ‘রাসেল জানিয়েছেন, তিনি পরিকল্পিতভাবে এই ব্যবসাটি করে আসছিলেন। এটি পরিবার নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছিল। প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রে স্বচ্ছতা ছিল না। তা ছাড়া প্রতিষ্ঠানে কোনো জবাবদিহিতাও ছিল না। ফলে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটির দায় বৃদ্ধি পেতে থাকে। এবং বর্তমানে এই অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। ইভ্যালির নেতিবাচক ব্যবসায়িক স্ট্র্যাটেজি উন্মোচিত হওয়ায় অনেক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে সরে এসেছে। ব্যবসায়িক উত্তরণ নিয়ে তিনি নিজেও সন্দিহান ছিলেন। এর উত্তরণের ব্যাপারে তিনি আমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বলতে পারেননি। রাসেল ও নাসরিনের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

র‍্যাব বলছে, ‘ইভ্যালির ব্যবসায়িক অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়া করা স্পেসে ধানমণ্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাস্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়া করা স্পেসে আমিন বাজার ও সাভারে দুটি ওয়্যারহাউজ চালু করা হয়। কোম্পানিতে একপর্যায়ে প্রায় দুই হাজার ব্যবস্থাপনা স্টাফ এবং এক হাজার ৭০০ অস্থায়ী কর্মচারী নিয়োগ ছিল, যা ব্যবসায়িক অবনতিতে বর্তমানে যথাক্রমে স্টাফ এক হাজার ৩০০ জনে এবং অস্থায়ী পদে প্রায় ৫০০ জন কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। কর্মচারীদের একপর্যায়ে মোট মাসিক বেতন বাবদ দেওয়া হতো প্রায় পাঁচ কোটি টাকা; যা বর্তমানে এক দশমিক পাঁচ কোটিতে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রেপ্তার দুজন। গত জুন থেকে অনেকের বেতন বকেয়া রয়েছে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী পদাধিকারবলে নিজেরা মাসিক পাঁচ লাখ টাকা করে বেতন নিয়ে থাকেন।’

এন-কে

Feb2

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দেশের মানুষেরা এ সময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে-যুদ্ধ নানা কারণে শঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে- এরমধ্যে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য। এটির দাম বাড়লে ক্রেতারা নাখোশ হন। এজন্য নিয়মিত বিরতিতে আমরা দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি, আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কোন কিছু হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সময় দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আজ অনুষ্ঠিত দুদফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কি ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রির) রাতে সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ সাবেক যুবদল নেতা মঈনকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আট জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের শেরে বাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী। তিনি বলেন, হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

আরো উল্লেখ করা হয়, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।