খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লাখো নবী প্রেমির ঢল নেমেছিল জশনে জুলুসে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
লাখো নবী প্রেমির ঢল নেমেছিল জশনে জুলুসে

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের আয়োজনে জশনে জুলুসে জনতার ঢল নেমেছিল।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০ টার নগরীর ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়াম মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা থেকে ৪৮ তম জশনে জুলুস শুরু হয়।

রাহনুমায়ে শরিয়ত ও ত্বরিকত, আওলাদে রাসূল, হযরতুল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী, মেহমানে আলা শাহ্জাদা আল্লামা সৈয়্যদ হামেদ শাহ ও মুহাম্মদ কাসেম শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলীর নেতৃত্বে এই জসনে জুলুসে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

এদিকে সকাল থেকেই নগরের মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, দেওয়ানবাজার, সিরাজদ্দৌলা রোড, আন্দরকিল্লা, মোমিন রোড়, চেরাগি পাহাড়, জামালখানসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে জড়ো থাকে লাখো মানুষ। তারা রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন হুজুর কেবলাকে শুভেচ্ছা জানাতে।

জুলুস শুরুর আগে খানকায়ে কাদেরীয়ায় মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরতুল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী।

জশনে জুলুস বিবিরহাট, মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, প্যারেডের উত্তর পাশ হয়ে সিরাদ্দৌল্লা, আন্দরকিল্লা, জামালখান, কাজির দেউড়ি, ষোলশহর দুই নম্বর গেইট পুনরায় মুরাদপুর হয়ে জামেয়া মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

এ ছাড়া কাজির দেউড়ি এলাকায় একটি অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী। সেখানে তিনি দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন।

জামেয়া মাঠে তাহের শাহের ইমামতিতে জোহরের নামাজ আদায় করেন লাখ লাখ মুসলিম জনতা। এরপর মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে এ কার্যক্রমেরর সফল সমাপ্তি হয়।

জুলুসের বিশেষ গাড়িতে হুজুর কেবলার সঙ্গে ছিলেন শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামেদ শাহ (মজিআ), আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের উপদেষ্টা, পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক সুফি মিজানুর রহমান, আনজুমানের ভিপি মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল মো. আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারি মো. সামশুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারি সিরাজুল হক প্রমুখ।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় কর্মকর্তা সৈয়দ আনোয়ার হোসেন জানান এবারের জুলুসে বৃহত্তর চট্টগ্রামে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ধর্মপ্রাণ লোক অংশ গ্রহণ করেছে।

আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের উপদেষ্টা ও পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক সুফি মিজানুর রহমান বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে চট্টগ্রামে জুলুস হচ্ছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুলুস। বিশ্বের অনেক দেশে জুলুস ছড়িয়ে পড়েছে। মিশরে রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলুস বের করা হয়। আমরা আশা করবো, নবীজীর শানে আয়োজিত চট্টগ্রামের জুলুস গিনেস বুকে স্থান পাবে এবং ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের স্বীকৃতি পাবে।

লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত জুলুসের নিরাপত্তা নিয়ে সচেষ্ট ছিল আয়োজকরা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টহল পুলিশের পাশাপাশি জুলুসের মিছিল যেসব সড়ক প্রদক্ষিণ করেছিল সেই সব সড়কে পাশ্ববর্তী বিভিন্ন ভবনের ছাদে পুলিশের পাহারা ছিল। এছাড়াও নিরাপত্তায় আঞ্জুমান সিকিউরিটি ফোর্সের (এএসএফ) পোশাকধারী সদস্য ছিল তিন শতাধিক। সাদা পোশাকে নিয়োজিত ছিল আরও চারশ। স্বেচ্ছাসেবক ছিল আরও তিন হাজার লোক। জুলুস উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। পোশাকধারী পুলিশের সঙ্গে সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

জুলুসের আয়োজন উপলক্ষে মূলত দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুরিদ, ভক্ত, অনুরক্ত, স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও জুলুসের কাজে নিয়োজিতদের জন্য খাবার ব্যবস্থা ছিল। তবরুকের ব্যবস্থা বিতরণ করা হয়েছিল। এছাড়াও গাউসিয়া কমিটির বিভিন্ন শাখার পক্ষ থেকেও তবরুক বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য জশনে জুলুসের মতো একটি নির্মল ইসলামী সংস্কৃতির প্রবর্তন করেন আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ। ১৯৭৪ সাল থেকে তার নির্দেশেই এ দেশে জশনে জুলুস নামে একটি গতিশীল ইসলামী সংস্কৃতি সর্বপ্রথম চালু হয়। এর পর থেকে ১২ রবিউল আউয়াল চট্টগ্রামে ও ৯ রবিউল আউয়াল ঢাকায় জুলুস বের হচ্ছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…