খুঁজুন
, ,

চার ‘অপহরণকারীর’ লাশ প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে হুঁশিয়ারি বার্তা তালেবানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 September, 2021, 10:44 am
চার ‘অপহরণকারীর’ লাশ প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে হুঁশিয়ারি বার্তা তালেবানের

চার জন অভিযুক্ত অপহরণকারীকে গুলি করে হত্যা করে তাদের মৃতদেহ আফগানিস্তানের হেরাত শহরের জনসমাগম চত্বরে ঝুলিয়ে রাখার কথা জানাল তালেবান। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড ও অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করার মতো চরম শাস্তিদান আবার শুরু হবে—এক তালেবান কর্মকর্তা এমন হুঁশিয়ারি দেওয়ার এক দিন পর জনসমক্ষে লাশ ঝুলিয়ে রাখার এ নজির দেখাল তালেবান।

একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর ছেলেকে অপহরণের অভিযোগ ওঠার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় বলে স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি ক্রেন থেকে একটি লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

স্থানীয় দোকানি উজির আহমদ সিদ্দিকি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, চারটি লাশ শহরের একটি চত্বরে আনা হয়। একটি লাশ সেখানে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এবং বাকি তিনটি লাশ শহরের অন্যান্য চত্বরে ঝোলানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

হেরাতের ডেপুটি গভর্নর মৌলভি শাইর বলেন, মৃতদেহগুলো জনসমক্ষে রাখা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপহরণের ঘটনা না ঘটে। তিনি বলেন, তালেবান জানতে পেরেছিল যে—একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত অপহরণকারীরা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এবং অপহৃত দুজনকে উদ্ধার করা হয়।

বিবিসি জানিয়েছে, কোন পরিস্থিতিতে চার ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে, তা তারা জানতে পারেনি।

তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা গ্রাফিক ছবিতে দেখা গেছে—একটি পিক-আপ ট্রাকের পেছনে একাধিক রক্তাক্ত দেহ দেখা যাচ্ছে, এবং ক্রেন দিয়ে একটি দেহ ওপরে তোলা হচ্ছে।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্রেন থেকে ঝোলানো একটি মরদেহের বুকে বার্তা সাঁটিয়ে দেওয়া আছে : ‘অপহরণকারীদের এভাবে শাস্তি দেওয়া হবে।’

গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের ক্ষমতা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর থেকে তালেবান তাদের আগের শাসন আমলের তুলনায় এবার শিথিল ধাঁচের শাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।

কিন্তু এরই মধ্যে আফগানিস্তানজুড়ে অসংখ্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

তালেবানের সাবেক ধর্মীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীপ্রধান মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি বর্তমানে কারাপ্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার বলেছিলেন যে, আফগানিস্তানে মৃত্যুদণ্ড ও অঙ্গবিচ্ছিন্ন করার মতো চরম শাস্তিদান আবার শুরু হবে, কারণ ‘নিরাপত্তার জন্য’ এসবের ‘প্রয়োজন’ রয়েছে।

তবে, বার্তা সংস্থা এপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি বলেছেন, মৃত্যুদণ্ড ও অঙ্গবিচ্ছিন্ন করার মতো কঠোর শাস্তি হয়তো জনসমক্ষে কার্যকর করা হবে না। কারণ, এসব শাস্তি ১৯৯০-এর দশকে পূর্ববর্তী তালেবান শাসনের সময় দেওয়া হতো। তালেবানের আগেকার পাঁচ বছরের শাসনামলে কাবুলের স্টেডিয়ামে কিংবা ঈদগাহ মসজিদের বিশাল মাঠে প্রায়ই প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতো।

মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি অবশ্য তাঁদের অতীতের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় কোনো ক্ষোভ সৃষ্টির কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমাদের আইন কেমন হওয়া উচিত, তা কেউ বলে দিতে পারবে না।’

অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্য জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা মোল্লা তুরাবি আরও বলেন, ‘স্টেডিয়ামে শাস্তি কার্যকর করার ঘটনায় সবাই আমাদের সমালোচনা করেছিল। অথচ আমরা কিন্তু কাউকে তাদের আইন ও সাজা সম্পর্কে কখনও কিছু বলিনি।’

নির্যাতনের শিকার হাজারা সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নয় জন সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত আগস্টে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তালেবান যোদ্ধাদের দায়ী করেছিল।

অ্যামনেস্টি’র মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড সে সময় বলেছিলেন, এসব হত্যাকাণ্ডের ‘রক্ত হিম করে দেওয়া বর্বরতা’ তালেবানের অতীত শাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে, এবার তালেবানের শাসন কেমন হতে পারে, তার ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করছে।’

এন-কে

Feb2
Feb2

বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:35 pm
বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে গত ৭ দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত এ জেলায় পানিতে ডুবে এবং পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে, চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রসুলাবাদ এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার (১২) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঝর্ণার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় স্থানীয় সোলতান আহমদের ২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে চকরিয়া থেকে বিভক্ত হয় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্পর (৩) এর মৃত্যু হয়। এছাড়া একইদিন ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। কক্সবাজার সদর উপজেলা, পেকুয়া ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ আরও ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বন্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান শহর থেকে পানি নামতে শুরু করায় মাতামুহুরি নদীর পানিও বেড়েছে। তাই চকরিয়া ও পেকুয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার (মাতামুহুরীর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নামাতে স্লুইস গেটগুলো সচল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ রহমান বলেন, সরকারি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন যার মধ্যে ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন।

এছাড়া তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার নগদ টাকা। ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলায় গত ৬ দিনে ৭শ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ বহাল রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।

ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:09 pm
ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি সেতু ধসে পড়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কপথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পানির তীব্র স্রোতের মুখে দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকার সেতুটি ধসে পড়ে। ফলে সড়কটিতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতু ধসে পড়ায় কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।