খুঁজুন
, ,

সোহমের সঙ্গে জুটি বাধলেন নুসরাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 September, 2021, 3:42 pm
সোহমের সঙ্গে জুটি বাধলেন নুসরাত

অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায়ও কাজ করেছেন। গত ২৪ আগস্ট কোলজুড়ে এসেছে ছেলে সন্তান। মা হওয়ার কয়েকদিন পরই পুনরায় কাজে ফিরেছেন টালিউডের জনপ্রিয় সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। অক্টোবরে শুটিংয়ে যুক্ত হবেন তিনি। পরিচালক সুদেষ্ণা রায় এবং অভিজিৎ গুহর ছবি ‘জয় কালী কলকাত্তেওয়ালি’তে ‘রাকা’ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

প্রথম দিনের শুটিং হবে রাজারহাটে। সুদেষ্ণা জানিয়েছেন, ‘নুসরাতের কাছে একটু ভয়ে ভয়েই গিয়েছিলাম। ছেলেকে রেখে এখন কাজ করতে পারবে কি না বা শারীরিকভাবে কতটা তরতাজা, এ নিয়ে দ্বিধা ছিলই। কিন্তু সামনা সামনি দেখে অবাক হয়েছি। মাত্র এক মাসে প্রায় আগের মতোই ছিপছিপে তিনি!’ পরিচালকের আরও দাবি, ঠিক দশভুজার মতোই একসঙ্গে ছেলে, নিজের পেশা, সংসার সব সামলাচ্ছেন নুসরাত।

নতুন ছবিকে ঘিরে আরও চমক ছড়িয়ে। নুসরাতের বিপরীতে দেখা যাবে সোহম চক্রবর্তীকে। সোহম-নুসরাত এর আগে রবি কিনাগি পরিচালিত ‘জামাই ৪২০’ ছবিতে জুটি হলেও সম্ভবত প্রথম জুটি বাঁধছেন সুদেষ্ণা-অভিজিতের ছবিতে। রাজনীতির দুনিয়াতেও মিল রয়েছে তাদের। নুসরাত, সোহম যথাক্রমে তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক।

নুসরাতের ছবির তালিকা বলছে, ২০১৮ থেকে সচেতনভাবেই বেছে বেছে অন্য ধারার ছবি করছেন ঈশান-জননী। তালিকায় রয়েছে, ‘ক্রিসক্রস’, ‘অসুর’, ‘এসওএস কলকাতা’, ‘ডিকশনারি’র মতো ছবি।

সুদেষ্ণার দাবি, ‘রাকা’ও তথাকথিত নায়িকাসুলভ চরিত্র নয়। এখানে নুসরাত এ প্রজন্মের প্রতিনিধি, যে একা থাকে। নাচ শিখিয়ে উপার্জন করে। ছবির নায়ক সোহমকে ঠিক পথের দিশা দেখায়। এর জন্য তাকে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে, লড়াই করতে হবে। নুসরাত কি তা হলে অ্যাকশনেও অংশ নেবেন?

পরিচালক জানিয়েছেন, সরাসরি অ্যাকশন না করলেও চুপচাপ বসে থাকবেন না অভিনেত্রী। দরকারে নিজেকে নিজেই রক্ষা করে নেবেন। কেমন চেহারা হবে ‘এসওএস কলকাতা’র ‘আমান্ডা’র? আধুনিক কিন্তু উগ্র নয়, দাবি সুদেষ্ণার। তাকে স্কার্ট-স্প্যাগেটি বা কুর্তা-ট্রাউজারে দেখা যাবে। পুরো ছবিতেই হাল্কা সাজ থাকবে নুসরাতের। যাতে একইসঙ্গে স্নিগ্ধ অথচ সুন্দর দেখতে লাগে পর্দার রাকাকে।

সুদেষ্ণা-অভিজিতের ছবিতে সম্পর্ক আর রহস্য-রোমাঞ্চ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিচালক জানিয়েছেন, পরবর্তী ছবিও তার ব্যতিক্রম নয়। এ প্রজন্মের তিন বন্ধু অনীশ, সুজয় ও মিলি কাজের অভাবে পকেটমারাতে হাত পাকাবে। এর মধ্যে হঠাৎই শহরের বুক থেকে উধাও হয়ে যায় এক কালীমূর্তি। সেই ঘটনাকে ঘিরেই গল্প এগোবে। কীভাবে অনীশের জীবনে রাকা আসবে সেটাও গল্পের আরও একটি মোড়। অনীশের চরিত্রে দেখা যাবে সোহমকে। এছাড়া থাকছেন কাঞ্চন মল্লিক, সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়, সোমরাজ মাইতি, অনির্বাণ চক্রবর্তী, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, প্রিয়াঙ্কা রতি পাল, সুমিত সমাদ্দার, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং চিত্রনাট্যকার পদ্মনাভ দাশগুপ্ত।

ছবিটি চিত্রনাট্য লিখেছেন পদ্মনাভ। গানের দায়িত্বে স্যাভি। একটি গান গেয়েছেন অর্ক মুখোপাধ্যায়। এছাড়া শোনা যাবে আকৃতি কক্কর, আরমান মালিক, নিকিতা গান্ধী, নাকাজ আলির কণ্ঠ। ‘জয় কালী কলকাত্তেওয়ালি’ সম্ভবত আগামী বছর মুক্তি পাবে।

এন-কে

Feb2
Feb2

দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু শনিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 11:38 pm
দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু শনিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সব বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 9:57 pm
বাব আল-মান্দেব প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা

ইরানের মদতপুষ্ট ইয়েমেনি হুথি গোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। আজ শুক্রবার লোহিত সাগরের দ্বীপ ময়উন ওরফে পেরিম দ্বীপ দখলের মধ্যে দিয়ে এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয় হুথি গোষ্ঠী।

পেরিম বা ময়উন দ্বীপটি কৌশলগতভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দ্বীপটির ভৌগলিক অবস্থান বাব এল-মান্দেব প্রণালির একদম মাঝখানে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইয়েমেনের এক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, ময়উন দ্বীপ (পেরিম নামেও পরিচিত) থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী প্রত্যাহার করার পর সশস্ত্র হুথি যোদ্ধাদের বহনকারী বেশ কয়েকটি নৌযান সেই দ্বীপে পৌঁছে দ্বীপটি দখল করে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানান, সশস্ত্র হুথি যোদ্ধারা বাব আল-মানদেব উপকূলজুড়ে মোতায়েন রয়েছেন এবং সামরিক যানবাহনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাব আল-মান্দেব প্রণালিটির অবস্থান ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। সংকীর্ণ এই জলপথটি একদিকে লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে, অপরদিকে সুয়েজ খালে নৌযানের চলাচলও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।

জ্বালানি পণ্যের বৈশ্বিক বাণিজ্যেও এই প্রণালি খুব গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যে সমুদ্র উপকূলে যেসব তেলখনি আছে, সেসব থেকে উৎপদিত তেলের ১২ শতাংশ বাব আল-মান্দেব দিয়ে পরিবহন করা হয়।

ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধারা গত সপ্তাহে বাব আল-মানদেব এলাকায় সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরুর পর থেকে কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো পরিবার।

ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। ফলে বাব আল–মানদেব প্রণালি নৌ চলাচলের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হুতিরা এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও তাদের মিত্রদের জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচলের ঝুঁকি আরও বাড়ল।

এক বাড়িতে ৬৩ বিদেশি নাগরিক কেন, কী বলছে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 9:36 pm
এক বাড়িতে ৬৩ বিদেশি নাগরিক কেন, কী বলছে পুলিশ

একটি বাড়িতে ৬৩ বিদেশি নাগরিক। কারও হাতে মোবাইল, কেউ ব্যস্ত ল্যাপটপে। বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ আবাসিক বাড়ি মনে হলেও ভেতরে চলছিল সংঘবদ্ধ অনলাইন কার্যক্রম। চট্টগ্রাম নগরীর খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার ওই বাড়িতে প্রায় দেড় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চীন, পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের নাগরিকরা। পুলিশের অভিযানে একসঙ্গে ৬৩ জন গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।

বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন এক দুবাইপ্রবাসীর কাছ থেকে। সেখানে অবস্থান করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্‌ম ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে প্রতারণা ও অন্যান্য অনলাইন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল। অভিযানে উদ্ধার হওয়া ডিভাইসের সংখ্যাও বেশ বড়— ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি ল্যাপটপ। এর সঙ্গে ছিল ট্যাব, পেনড্রাইভ, সিমকার্ডসহ অন্যান্য সরঞ্জাম।

এখন প্রশ্ন উঠছে, এত বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক একসঙ্গে চট্টগ্রামে এসে কীভাবে একটি আবাসিক বাড়ি ভাড়া নিলেন এবং দেড় মাস ধরে সেখানে অবস্থান করলেন? তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বাড়ির মালিক, আশপাশের বাসিন্দা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা জানতেন? আসামিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন, কে বা কারা বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন এবং ভাড়াটেদের পরিচয় যাচাই কীভাবে হয়েছিল— এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনসের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহম্মদ জানান, খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার ৪ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও খুলশী থানা পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাড়িটির মালিক একজন দুবাইপ্রবাসী। প্রায় দেড় মাস আগে বাড়িটি ভাড়া নিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করেন বিদেশি নাগরিকরা।

অভিযানে উদ্ধার করা ডিভাইসের সংখ্যা থেকে বোঝা যায়, বাড়িটিতে অনলাইনভিত্তিক কাজের জন্য একটি সংগঠিত সেটআপ ছিল। ৬৩ জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৩৪টি মোবাইল ফোন। অর্থাৎ গড়ে প্রায় দুইটি করে মোবাইল ছিল প্রত্যেকের জন্য। এর পাশাপাশি পাওয়া গেছে ৫৭টি ল্যাপটপ।

এ ছাড়া একটি অ্যাপল ট্যাব, সিপিইউ, স্যামসাং মনিটর, কিবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ও পাঁচটি পেনড্রাইভ উদ্ধার করা হয়েছে। পাওয়া গেছে চারটি সিমকার্ড। পাকিস্তানের তিনটি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং কম্বোডিয়ার একটি কর্মসংস্থান কার্ডও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, এতগুলো ডিভাইস কেন এবং কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল, এখন সেটিই তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন যোগাযোগ, অর্থ লেনদেন, ব্যবহৃত ওয়েবসাইট ও প্ল্যাটফর্‌ম এবং সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করবে তারা।

শুধু বিদেশিরা নন, আছে সহযোগীরাও

পুলিশ বলছে, এই চক্রের কার্যক্রম শুধু ওই বাড়ির ৬৩ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দেশীয় ও বিদেশি সহযোগীদের কথা জানিয়েছেন। তাদের কয়েকজন চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন বলে পুলিশকে তথ্য দিয়েছেন তারা।

এই সহযোগীরা কী ধরনের সহায়তা দিতেন, বাড়ি ভাড়া নেওয়া, যাতায়াত, যোগাযোগ, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহ কিংবা অর্থ লেনদেনে তাদের ভূমিকা ছিল কি না— এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাবে। কারণ, এতজন বিদেশি নাগরিকের জন্য বাসস্থান, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা এককভাবে পরিচালনা করা কঠিন।

চট্টগ্রাম কেন?

অনলাইন অপরাধের জন্য ভৌগোলিক অবস্থান অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ না হলেও চট্টগ্রাম বন্দরনগরী হওয়ায় এখানে দেশি-বিদেশি মানুষের চলাচল তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আনাগোনাও রয়েছে। সেই সুযোগকে অপরাধী চক্র ব্যবহার করছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের চট্টগ্রামে আসার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, তারা কীভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন কিংবা তাদের ভিসার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

তদন্তে সামনে আসবে বড় নেটওয়ার্ক?

একটি বাড়ি থেকে ৬৩ বিদেশি নাগরিক এবং বিপুলসংখ্যক ডিভাইস উদ্ধারের ঘটনা, এটিকে নিছক একটি আবাসিক বাড়িতে কয়েকজন বিদেশির অবস্থানের ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ রাখছে না। পুলিশের বক্তব্যে দেশি-বিদেশি সহযোগী এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের অবস্থানের তথ্যও এসেছে।

তদন্তে এখন মূল বিষয় হবে এই ৬৩ জনের মধ্যে কে কোন ভূমিকায় ছিলেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের কারা যুক্ত ছিলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল এবং এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না।

উদ্ধার করা মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের ফরেনসিক বিশ্লেষণেই এসব প্রশ্নের অনেক উত্তর মিলতে পারে। একই সঙ্গে ওই বাড়ির ভাড়া চুক্তি, বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার নথি এবং তাদের আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখলে চক্রটির বিস্তৃতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম বলেন, এ ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা হচ্ছে। তদন্ত এগিয়ে গেলে চট্টগ্রামের ওই বাড়ি থেকে পরিচালিত অনলাইন কর্মকাণ্ডের ধরন এবং এর সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আরও তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।