বখতপুরে নৌকার মনোনয়ন চান মীর মোরশেদ
স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত ছিলেন মীর মোরশেদ। সেই সময় থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সভা-সমাবেশ ও মিছিলে অংশ গ্রহণ করতেন। ১৯৮৯ সালে বক্তপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ১৯৯১ সালে তৎকালীন ফটিকছড়ি থানা ছাত্রলীগের (দক্ষিণ জোন শাখা) সাংগঠনিক সম্পাদক,১৯৯৭ সালে নিষ্ঠার সাথে থানা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে নব প্রতিষ্ঠিত নানুপুর লায়লা-কবির কলেজে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম তিনি সূচনা করেন। ১৯৯৫ সালে উক্ত কলেজ সর্বপ্রথম ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত হলে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯৭ সালে ফটিকছড়ি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন তিনি। (সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জননেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সাহেব ও প্রধান বক্তা ছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু অজয় কর খোকন )। বর্তমানে তিনি বক্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য, ঐতিহ্যবাহী বক্তপুর দায়রা বাড়ি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, নানুপুর লায়লা-কবির কলেজ প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং ঐতিহ্যবাহী বক্তপুর ঝর্ণাদিঘির পাড় ঈদগাহ উন্নয়ন ও পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
৯০ দশকে ফটিকছড়িতে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে পরিচালিত আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং তিনি ১৯৯৫ সালে জামায়াত-শিবিরের গুলিতে নিহত ফটিকছড়ি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শহীদ আলী আবদুল্লাহ হত্যা মামলার ৭নং সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।মীর মোরশেদ ১৯৯১ সালে বক্তপুর দায়রা বাড়ি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ৯৩ সালে নানুপুর লায়লা-কবির কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তৎকালীন সময়ে নাজিরহাট কলেজ শিবির সন্ত্রাসীদের দখলে ছিল। সুতরাং নানুপুর লায়লা-কবির কলেজের ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র নাজিরহাট কলেজে থাকায় সঙ্গত কারণে ১৯৯৫ ও ৯৬ সালে দুই বার ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। ১৯৯৭ সালে তিনি নানুপুর লায়লা-কবির কলেজে পরীক্ষা কেন্দ্র আসলে সেখান থেকে বিএ পাস করেন।
মীর মোরশেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড আরো বেগবান করে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ফসল বখতপুরবাসীর দৌড়গোড়ায় পৌছে দিতে আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।


আপনার মতামত লিখুন