খুঁজুন
, ,

বিএনপি-জামাত রাজনৈতিকভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নানা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে: তথ্য মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 October, 2021, 8:50 pm
বিএনপি-জামাত রাজনৈতিকভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নানা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে: তথ্য মন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেতথ্যর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের বক্তব্যে দেশের মানুষও হাসে, হনুমানও হাসে। সরকার নাকি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে, তিনি এমন বক্তব্য রেখেছেন। তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় কুমিল্লার ঘটনার পেছনে তাদের ইন্ধন ছিল।তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশ চালায়, সরকার সবসময় চাই দেশে শান্তি শৃঙ্খলা স্থিতি থাকুক। এই কথার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব কি বাংলাদেশের সব মানুষকে বোকা ভেবেছেন। তিনি মনে করেছেন এই কথা বলে বাংলাদেশের মানুষকে বোকা বানাবেন। এটিতে দেশের মানুষ যেমন হাসছে হনুমানও হাসে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শিমুল গুপ্তের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্র লীগের সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ রেজাউল করিম।ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্ঠা চালানো হচ্ছে, কুমিল্লার ঘটনায় কারা মিছিল বের করেছে, সেই ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। তারা কোন দলের সমর্থক, তারা কোন মতাদর্শে বিশ্বাস করে সেগুলো বের করে জনসমক্ষে আমরা সেটা প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ। আমাদের এই দেশে শান্তি শৃঙ্খলা স্থিতি কোনভাবেই বিনষ্ট হতে দেবনা।তিনি বলেন, যারা এই বিশৃঙ্খলার সাথে যুক্ত ছিল, এখনো যুক্ত আছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অপপ্রচার চালিয়েছে কিংবা চালাচ্ছে, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারা সেখানে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা অতিসহসা দিবালোকের মতো পরিস্কার হবে, এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান দীর্ঘশ্বাস ফেলে। তাদের প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করে বলেন, মানব উন্নয়ন, সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ সব সুচকে আজকে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে। মানব উন্নয়ন, সামাজিক সুচকসহ মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকেও পেছনে ফেলেছি।তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই উন্নয়নের প্রশংসা সমস্ত বিশ্বময় পঞ্চমুখ। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা আগেই অর্জন করার জন্য জাতিসংঘ আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ প্রশংসা করে, এটি অনেকের পছন্দ হয়না।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার প্রশংসা পছন্দ হয়নি বিধায় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র হয়। বিএনপি-জামাত রাজনৈতিকভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নানা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটিয়ে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়া হয়েছে এটির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। এটির পেছনে বিএনপি-জামাতসহ ধর্মান্ধ গোষ্ঠি যুক্ত। তারা এই ঘটনা ঘটিয়ে সারা দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সেই বিশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে দমন করেছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতা বিনির্মাণের কারখানা উল্লেখ করে তথ্য মন্ত্রী বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে এবং পড়ালেখায় মনোনিবেশ করার জন্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে বই খাতা এবং কলম তুলে দিয়েছিলেন। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে তিনি সবসময় অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ছাত্রলীগ করার পাশাপাশি লেখাপড়ায় যেন সবাই মনযোগী থাকে। ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে যেন লেখাপড়ার ক্ষতি নাহয় তিনি সবসময় সেই পরামর্শ দেন।ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সবসময় সর্তক দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ি হতে হয়। ছাত্রলীগের তরুন ভাইবোনদের বিনয়ি হতে হবে। কারণ উদ্যত আচরণ কেউ পছন্দ করেনা। পাশাপাশি লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করতে হবে। লেখাপড়া বাদ দিয়ে শুধু ছাত্রলীগের কাজ করার প্রয়োজন নেই।অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতী, শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, মুহাম্মদ আলী শাহ, ডা. মোহাম্মদ সেলিম, আকতার হোসেন খাঁন, শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, গিয়াস উদ্দিন খাঁন স্বপন, যুবলীগের সভাপতি আরজু সিকদার প্রমুখ।

Feb2

দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:52 am
দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল মেক্সিকো। দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। বুধবার মেক্সিকোর গুয়াদালুপেতে ১-০ গোলে জিতেছে বাফানা বাফানারা।

শেপাং মোরেমির ক্রসে ৬৩তম মিনিটে থাপেলো মাসেকো গোল করেন। ওই এক গোলেই জিতেছে তারা এবং এ গ্রুপে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ৩২ এ দক্ষিণ আফ্রিকা।

ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে আগামী রোববার নকআউটের ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার মুখোমুখি হবে তারা।

১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপে খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে পারেনি। এবারের আসরে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হার দিয়ে শুরু। তবে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শেষ দিকের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল তারা। মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে থেকে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দলটি। কিন্তু তায়েগিউক ওয়ারিয়র্সকে চমকে দিলো তারা।

দক্ষিণ কোরিয়া চেকদের বিপক্ষে পেছনে থেকেও ২-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল এবং মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে যায়।

২০০২ সালের নকআউটে ওঠা প্রথম এশিয়ান দল ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ওইবার চতুর্থ স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছিল তারা। এরপর ২০০২ ও ২০১০ সালে গ্রুপের বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে থেকে যায় কোরিয়ানরা।

দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:26 am
দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

প্রথমার্ধে মরক্কোর কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে হাইতি। যেন কোনো অঘটন ঘটতে চলছিল। তবে দু’বার পিছিয়ে পড়ে সমতা টানার পর বদলি নামা দুই খেলোয়াড়ের গোলে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরছে মরক্কো। আশরাফ হাকিমি-ইসমাইল সাইবারিদের গোলে ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে ‘অ্যাটলাস লায়ন’রা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলা মরক্কো এদিন দুইবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ৫২ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফেরা হাইতি দারুণ লড়াই করে প্রথমবার পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। যদিও সবদিক থেকেই ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল হাকিমি-দিয়াজদের। ৭০ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি তাদের ২২ শটের ১১টিই লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে কেবল দুটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারে হাইতি।

ম্যাচের দশম মিনিটেই চমক দেখিয়ে এগিয়ে যায় হাইতি। ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অপেক্ষার পর বিশ্বকাপে গোলের দেখা পায় দলটি। লেনি জোসেফ নিকটবর্তী পোস্টে ব্যাক-হিল ফ্লিক করে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করেন। এর মাধ্যমে ১৯৭৪ আসরের পর বিশ্বকাপে হাইতির প্রথম গোলদাতা হলেন লেনি। সর্বশেষ আসরে দেশটির হয়ে গোল করেছিলেন ইমানুয়েল স্যানন।

সমতায় ফেরার জন্য মরক্কো একের পর এক আক্রমণ চালায় এবং ৩৯তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির কাছ থেকে। বিলাল আল খানুসের ডিফ্লেক্টেড ক্রসে হাইতির গোলরক্ষক জনি প্ল্যাসাইড হাত ছোঁয়াতে সক্ষম হলেও বল পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হাকিমি বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান মরক্কোকে।

তারা যখন আরও গোলের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই আবারও লিড নেয় হাইতি। ৪৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে উপরের কোণা দিয়ে জাল কাঁপান উইলসন ইসিডর। তবে রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধের শেষেও বাকি ছিল আরেকটি গোল। যোগ করা সময়ে হাকিমির ক্রস থেকে বল জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। বিশ্বকাপে তার তৃতীয় গোলে বিরতিতে যাওয়ার আগে ২-২ সমতা ফেরায় মরক্কো।

ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে সৌফিয়ান রাহিমির শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে মরক্কো ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরপর ৮৯তম মিনিটে গেসিম ইয়াসিন গোল করে সম্ভাব্য অঘটনের সব আশঙ্কার অবসান ঘটান। মরক্কোর শেষ দুই গোলদাতাই বদলি নেমেছিলেন। ৪-২ ব্যবধানে জয়ের পরও গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের পেছনে দ্বিতীয় হয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে মরক্কো। গ্রুপের অন্য ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ৩-০ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছে।

নেইমারের ফেরার ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:12 am
নেইমারের ফেরার ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল

নিজেদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে পেতে ৭৮১ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোটজর্জর এই তারকার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি অবশ্য তিনি মাঠে নামার আগেই রাঙিয়ে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহা। যাতে ভর করে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠল ব্রাজিল।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্কটিশরা। গোললাইন থেকে একাধিক বল ফেরত পাঠিয়ে তাদের হতাশ করেছেন অ্যালিসন বেকার। এরই মাঝে ৬০ উল্টো তাদের আবারও পিছিয়ে দিলেন কুনহা। ম্যাচে ব্রুনো গুইমারেসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টে তিনি আসরের তৃতীয় গোলটি করলেন।

যথারীতি গোলের পর সার্ফারদের মতো উত্তাল ঢেউয়ে ভারসাম্য রক্ষার সেই উদযাপন কলেন কুনহা। সেই নাচে যোগ দিলেন লুকাস পাকেতা, আর গ্যালারিতে মাতোয়ারা পুরো হলুদ শিবির। অনেকদিন ধরে নম্বর নাইন খুঁজে ফেরা ব্রাজিল যেন উপযুক্ত ব্যক্তিকে পেয়ে গেল এবারের বিশ্বকাপে। আগের ম্যাচে কুনহা হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন।

এর আগে ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ড সেন্টার-ব্যাক স্কট ম্যাককেনার দুর্বলতায় ‍সুযোগটা বলতে গেলে উপহার হিসেবেই তিনি পেয়েছিলেন। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুনকে কাটিয়ে যা ঠাণ্ডা মাথায় তিনি জালে জড়ান। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়ুস। তার উদ্দেশে ক্রস বাড়িয়ে ছিলেন গুইমারেস। লাফিয়ে সেটিকে জালে পৌঁছে চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল পেলেন ভিনি। এরপর নাচলেন কর্নার ফ্ল্যাগ ধরে।

আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধানটা বাড়তে পারত। তবে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবরের পর নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবং ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠায় সেই আক্ষেপ আর থাকার কথা নয় সেলেসাওদের। এ ছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের রক্ষণে একের পর হানা দেওয়া স্কটল্যান্ডকে রুখে দিতে দুর্দান্ত সব সেভ করেছেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। বিশেষ করে স্কটিশ প্রধান তারকা স্কট ম্যাকটোমিনের একাধিক প্রচেষ্টা ছিল অনবদ্য।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে পজেশনে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তারা বলের বেশিরভাগ নিয়ন্ত্রণ দখলে নিয়েছে। পাশাপাশি গোলের জন্য ২১টি শট নিয়ে ৮টিই লক্ষ্যে ছিল আনচেলত্তির শিষ্যদের। বিপরীতে স্কটল্যান্ড ৯ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল শীর্ষে এবং স্কটল্যান্ড ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থেকে শেষ করল।