খুঁজুন
, ,

৭ নভেম্বর প্রয়াত সাংসদ বাদলের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 6 November, 2021, 2:15 pm
৭ নভেম্বর প্রয়াত সাংসদ বাদলের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী

মইন উদ্দীন খান বাদল স্বপ্ন দেখতেন বৈষম্যহীন সমাজের। মানুষের অধিকারের কথা তার কণ্ঠে উচ্চারিত হতো। অসাম্প্রদায়িক এ মানুষটি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়ে গেছেন ন্যায দাবি নিয়ে। তার শেষ দাবিটি ছিলো আপামর চট্টগ্রামবাসীর জন্য কালুরঘাটে নতুন রেল কাম সড়ক সেতুর। তার মৃত্যুর দুই বছর পেরিয়ে গেছে। বাস্তবায়িত হয়নি সেতুটি। আজো তার বলিষ্ট কণ্ঠস্বর শোনা যায় হৃদয়ে কানপাতলেই। তিনি সত্য বলতে ও গ্রহণ করতে দ্বিধা করতেন না। জাতীয় সংসদে মইন উদ্দিন খান বাদলের বক্তব্যে প্রাণ সঞ্চার হতো। জনপ্রিয় এ সাংসদ হয়ে উঠেন অনলবর্ষী বক্তা। আজও আলোচনায় আছে তার সংসদে জনবান্ধব বক্তব্য।

মইন উদ্দীন খান বাদল ছিলেন জাসদের নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা; সমাজতন্ত্রের সংগ্রামী সঙ্গী। তুখোড় মেধাদ্বীপ্ত এ মানুষটি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। তিনি জন্মেছিলেন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। বাবা আহমদ উল্লাহ আর মা যতুর্মা খাতুন। বাবা ছিলেন পুলিশ অফিসার আর মা গৃহিণী।

২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে তিনিই সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্ণফুলী নদীর উপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণের গুরুত্ব ও দাবি তুলেন। এরপর থেকে এ সেতু নির্মাণের দাবিতে কখনো রাজপথে, কখনো সংসদে সবখানেই সোচ্চার ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জাতীয় সংসদে তিনি বলেছিলেন, কালুরঘাটে নতুন রেল কাম সড়ক সেতুর বিষয়ে সরকার কোনো উদ্যোগ না নিলে তিনি ডিসেম্বরে পদত্যাগ করবেন। হ্যাঁ সত্যিই তিনি তার কথা রেখেছেন, ডিসেম্বরে আর তাঁকে সংসদে যেতে হয়নি, তাঁর আগেই ওই বছরের ৭ নভেম্বর চলে গেলেন না ফেরার দেশে, চির বিদায় নিলেন সংসদ থেকে, চির বিদায় নিলেন দুনিয়া থেকে।

আগামীকাল ৭ নভেম্বর এ বর্ষীয়ান নেতার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে তার গ্রামের বাড়িতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও মেজবান। এতে সকলের সহৃদয় উপস্থিতি কামনা করেছেন সেলিনা খান বাদল।

এন-কে

Feb2
Feb2

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।

টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 10:34 am
টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো।

পাঁচ মিস, এক হাতে ইয়াসিন বুনোর সেভ এবং বার্ট ভেরব্রুখেন ঠেকানোর পরেও লাইন ক্রস। অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় এক পেনাল্টি শ্যুটআউটে ডাচদের বিদায় এবং মরক্কোর শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে। ৯০ মিনিট এবং এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে স্কোরলাইন ১–১ থাকায় খেলা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে।

যেখানে টানা প্রথম শটে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স। পরের দুটি শটে মিস করেন মরক্কোর নেইল এল আয়নাউয়ি এবং ডাচ ফরোয়ার্ড জাস্টিন ক্লাইভার্ট। সুফিয়ান রাহিমি সমতায় ফেরান মরক্কোকে। নিজেদের তৃতীয় শটে দ্বিতীয় গোল পায় নেদারল্যান্ডসও, দিয়েছেন ভাউট ভেগহোর্স্ট। এরপর শেমসদিন তালবির গোলে মরক্কোকে ফের সমতায় ফেরানোর পর ডাচদের পক্ষে বাইরে শট মেরে বসেন কুইন্টেন টিম্বার্স।

গোলপোস্টে শট নিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি নাটকীয়তার জন্ম দেন। এরপর বুনো ঠেকিয়ে দেন সামারভিলের শট। তবে পঞ্চম ও শেষ শটে সাইবারি ভুল করেননি। গোল দিয়েই জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে মেতেছেন।