খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ১৫০ রানে অলআউট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:২২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ১৫০ রানে অলআউট

ইন্দোরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যাত্রা আরম্ভ করা টাইগাররা তাদের প্রথম ইনিংসে ৫৮.৩ ওভারে মাত্র ১৫০ রানে অলআউট হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় হলকার স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে দলীয় ১২ রানের মাথায় জোড়া উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল টেস্টের শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলটি উমেশ যাদব লেন্থ ডেলিভারি দিয়েছিলেন। লাফিয়ে ওঠা বলটি ইমরুল খোঁচা মেরে নিজের বিপদ ডেকে আনেন। বল সরাসরি তৃতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা আজিঙ্কা রাহানের হাতে চলে গেলে ইমরুল মাত্র ৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ইশান্ত শর্মার করা পরের ওভারে ইমরুলের সমান ৬ রান করে সাদমান আলগা ড্রাইভ করেন। বল ব্যাটে লেগে সরাসরি ঋদ্ধিমান সাহার গ্লাভসে চলে গেলে সাদমানও ফিরে যান।

এরপর ১৮ ওভারে মোহাম্মদ শামির করা লেগ মিডলে পিচ করা বল সামান্য একটু সুইং করে মোহাম্মদ মিঠুনের প্যাডে আঘাত হানে। ভারতীয় ফিল্ডাররা লেগ বিফোরের আবেদন করলে আম্পায়ার তাতে সাড়া দেন এবং ৩৬ বলে ১২ রান করে মিঠুন ফিরে যান।

চতুর্থ উইকেটে ৬৮ রান যোগ করে অধিনায়ক হিসেবে অভিষিক্ত মুমিনুল হক এবং মুশফিকুর রহিম প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করছেন। ৬৫ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কার মারে মুমিনুল ৩৪ রান করে অশ্বিনের করা অফ স্টাম্পের একটু বাইরে পিচ করা বল অযথাই ছেড়ে দিলে বোল্ড হয়ে অনেকটা আত্মহত্যাই যেন করে বসেন।

মুমিনুলের আউটের পর উইকেটে এসেছিলেন রিয়াদ। ৩০ বল খেলে ১ চারে করেছেন ১০ রান। ৪৫তম ওভারের ওই প্রথম বলেই অশ্বিনের ঝুলিয়ে দেয়া বলে স্টাম্প অনেকটা ছেড়ে দিয়ে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে রিয়াদ ফিরলে সফরকারীরা বেশ বিপদে পড়ে যায়। অশ্বিনের বলে ক্যাচ স্লিপে থাকা আজিঙ্কা রাহানে ধরতে না পারায় ব্যক্তিগত ৭ রানে থাকা রিয়াদ তার ইনিংস টেনে নিতে ব্যর্থ হন।

লাঞ্চের আগে উমেশ যাদবের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েও বিরাট কোহলি তা ধরতে না পারায় মুশফিক জীবন পেয়েছিলেন। লাঞ্চের পর যখন মি.ডিপেন্ডেবলের ব্যক্তিগত রান ১৫ তখন অশ্বিনের বলে স্লিপে তার ক্যাচ আজিঙ্কা রাহানে ফেলে দিলে আবারো বেঁচে যান মুশফিক।

ব্যক্তিগত ৩৪ রানে অশ্বিনের বল তার গ্লাভসে লেগে ঋদ্ধিমান সাহার কাছে গেলেও তিনি তা গ্লাভসবন্দি করতে পারেননি। তারপরও তিনি ইনিংসটাকে লম্বা করতে পারেননি। মোহাম্মদ শামির দারুণ একটি বলে কাট করতে গিয়ে ব্যাটে বলে মুশফিক টাইমিং করতে না পারায় ১০৫ বলে ৪৩ রান করে বোল্ড হয়ে যান।

মুশফিকের বিদায়ের পরের বলেই উইকেটে গিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে রিভিউ নিলে তিনি বেঁচে যেতেন। চা বিরতির পর ইশান্ত শর্মার করা প্রথম বলেই স্লিপে থাকা বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২১ রান করা লিটন দাস।

খানিক পর দৌড়ে দুই রান নিতে যান তাইজুল ইসলাম। বাউন্ডারি লাইন থেকে রবীন্দ্র জাদেজার দারুণ থ্রো গ্লাভসে জমা করে উইকেট ভেঙে দিলে তাইজুল মাত্র ১ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে এবাদত হোসেন ২ রান করে উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়।

ভারতের পক্ষে মোহাম্মদ শামি ৩টি এবং ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২টি করে উইকেট পান।

Feb2

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’দের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং দায়মুক্তি দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিল সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। পরে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে পাস হওয়া ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিলের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে এসব অভিযোগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত বাধা (বারিত) হিসেবে গণ্য হবে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হলো।

নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার।