খুঁজুন
, ,

এই টেস্টেও এমন হার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 December, 2021, 5:49 pm
এই টেস্টেও এমন হার

মিরপুর টেস্ট অনেক কিছুরই সাক্ষী হয়ে রইল। যে টেস্টে বলতে গেলে তিন দিন রাজত্ব করেছে বৃষ্টি। খেলা হয়েছে হাতেগোনা মাত্র দুই দিন। এমন টেস্টে রেজাল্ট আসাটাই হতো বিরল ঘটনা। কিন্তু ম্যাড়ম্যাড়ে এই টেস্টেও বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় জমে উঠল। বৃষ্টিকে অভিসম্পাত দেওয়া পাকিস্তানের জয়ের সম্ভাবনাও বাড়ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের অভিজ্ঞ তিন ব্যাটার লিটন, মুশফিক আর সাকিবের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে একসময় নিশ্চিত হারের দিকে যাওয়া ম্যাচটি ড্রয়ের দিকেই যাচ্ছিল।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই আফসোসই সঙ্গী। পড়ন্ত বিকেলে ড্রয়ের আশা জাগিয়েও হলো না। কানপুরে ভারত-নিউজিল্যান্ড প্রথম টেস্টের শেষ দিন দুই কিউই বোলার রাচিন রবিন্দ্র আর এজাজ প্যাটেলের অবিচ্ছিন্ন দশম উইকেট জুটিতে ভর করে শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত জয় হাতছাড়া হয়েছিল ভারতের। মিরপুরেও পাকিস্তানকে এমন কিছুরই সাক্ষী বানাতে চেয়েছিল টিম টাইগার্স। কিন্তু হতাশা ছাড়া আর পেল কী। পাকিস্তান ইনিংস এবং ৮ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছে। এ নিয়ে টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট সিরিজও নিজেদের করে নিল তারা।

এর আগে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাড়মেড়ে ঢাকা টেস্টটি জমে উঠে চতুর্থ দিন মঙ্গলবার মাঠে খেলা গড়াতেই। ৪ উইকেটে ৩০০ ছুঁয়ে পাকিস্তানের ইনিংস ঘোষণার পর বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ফলোঅন এড়াতে পারেনি।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ঢাকা টেস্টের পঞ্চম দিনে বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ফলোঅন এড়াতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ২৫ রান। হাতে ছিল তিনটি উইকেট। ক্রিজে ছিলেন বিশ্বসেরা সাকিব আল হাসানও। কিন্তু তবুও লজ্জা এড়াতে পারলেন না।

৭ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান করে চতুর্থ দিন শেষ করার পর আজ শিশিরভেজা সকালে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ তাদের সবকটি উইকেট হারিয়ে করেছে মাত্র ৮৭ রান। ফলোঅন এড়াতে হলে করতে হতো ১০১ রান। অর্থাৎ ১৪ রান পিছিয়ে ছিল।

এদিকে ফলোঅনে ফেলার পর বাংলাদেশকে আবারও ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আরও হতশ্রী দশা লাল-সবুজ বাহিনীর। স্কোরবোর্ডে মাত্র ২৫ রান তুলতেই চার চারটি উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগার বাহিনী। একে একে ফিরে গেছেন মাহমুদুল জয়, সাদমান, মুমিনুল এবং শান্ত।

প্রথম টেস্টে ব্যাটারদের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী মাহমুদুল হাসান জয়কে। কিন্তু অভিষেক টেস্ট খেলতে নেমেই খালি হাতে ফেরেন তিনি। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও করতে পেরেছেন মাত্র ছয় রান। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ ওভারে হাসান আলীর বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন এ ওপেনার।

জয় আউট হওয়ার চার বল পরই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু হন সাদমান হোসেন। তিনি যোগ করেছেন কেবল ২ রান। সাদমান আউট হওয়ার সাত বল পর অধিনায়ক মুমিনুল হকও ফিরে গেলেন। হাসান আলীর ভেতরে ঢোকানো বল ব্যাটে খেলতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। মুমিনুল রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারলেন না। ৭ রান করে আউট হলেন মুমিনুল।

এরপর ফেরার মিছিল আরও দীর্ঘ করেন নাজমুল হাসান শান্ত। নবম ওভারে শাহিন আফ্রিদির করা প্রথম বলেই শাহিন আফ্রিদির গালিতে দাঁড়ানো ফাওয়াদ আলমের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন নাজমুল। দেখে মনে হয়েছে যেন ক্যাচ শেখাচ্ছেন পাক ফিল্ডারদের।

তবে প্রথম চার ব্যাটার হতাশ করার পরই দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ দুই কান্ডারি লিটন আর মুশফিক। যেন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে মেরামতের চেষ্টা করছেন তারা। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে হারের শঙ্কা কিছুটা হলেও কমে আসে। তবে ব্যক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় কাটা পড়েন লিটন দাস। ৩৪তম ওভারে সাজিদ খানের খাটো লেংথের বল টেনে মারতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ফাওয়াদ আলমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। অথচ, শটটি আরামে নিচে খেলা যেত। এর মধ্য দিয়ে লিটন–মুশফিকের ১৫০ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে যায়। ২৫ রানে ৪ উইকেটের পর ৫ উইকেটে ৯৮ রান তোলে বাংলাদেশ।

লিটনের পর সাকিব ব্যাট করতে নেমে মিরপুরকে যেন নিজের করে নিলেন। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করেন। তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করাসহ টেস্টে ন্যূনতম ৪ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের ক্লাবে ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখালেন সাকিব।

মিস্টার সেভেন্টিফাইভের আগে গ্যারি সোবার্স, ইয়ান বোথাম, কপিল দেব, জ্যাক ক্যালিস ও ড্যানিয়েল ভেট্টোরিদের মতো অলরাউন্ডার খেলোয়াড়রা এই ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন।

এদিকে, চা বিরতির ঠিক আগে আগে আফসোস বাড়ালেন মুশফিক। ব্যক্তিগত ৪৮ রানের মাথায় রানআউট হয়ে ফিরে যান তিনি। তবে মুশি ফিরলেও দারুণ ছন্দে ছিলেন সাকিব। তুলে নিয়েছেন ফিফটিও। এছাড়া তার সঙ্গে মেহেদী মিরাজও দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন। কিন্তু পাক অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান বাবর আজমের ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মিরাজ। এ কারণেই হয়তবা মিরাজকে অনেকদিন মনে রাখবেন বাবর।

মিরাজের পর সাজিদ খানের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে আউট হন সাকিব আল হাসানও। এরপর ফিরলেন খালেদ।

এন-কে

Feb2

৫-০ গোলের জয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 8:58 am
৫-০ গোলের জয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

মাঠে নামার আগে সমীকরণটা স্পষ্টই ছিল সেনেগালের সামনে। নকআউট পর্বে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে শুধু জিতলেই হবে না, চাই বড় ব্যবধানের জয়ও। ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে টানা দুই পরাজয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা আফ্রিকান দলটি শেষ পর্যন্ত নিজেদের দায়িত্বটা দারুণভাবেই পালন করেছে। কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে ‘আই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সেনেগাল। দাপুটে এই জয়ে বদলি নেমে জোড়া গোল করেছেন পাপে থিয়াও। বাকি গোলগুলো এসেছে ইসমাইলা সার, হাবিব দিয়ারা এবং ইলিম্যান এনদিয়ায়ের পা থেকে।

এই জয়ের ফলে তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর তালিকায় আপাতত পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে সেনেগাল। তবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে এখনো তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হার নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলো ইরাকের।

আজ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে সেনেগাল। সেই আগ্রাসনের ফলও পেয়ে যায় খুব দ্রুত। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে সেকের হেড হাবিব দিয়ারার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জড়িয়ে যায় জালে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি সেনেগালের দ্রুততম গোল।

এরপর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে ইরাকের জন্য। ১৩তম মিনিটে ভিএআরের সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে রেবিন সুলাকাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথমে সাদিও মানেকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে দেখা যায় তিনি গোলের নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করেছেন। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইরাক। একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে থাকলেও প্রথমার্ধে সেনেগালকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। লিড নেওয়ার পর কিছুটা গতি হারিয়ে ফেলে তারা। সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা মেলেনি আর।

তবে বিরতির পর যেন অন্য এক সেনেগালকে দেখা যায় মাঠে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গতি বাড়িয়ে দেয় আফ্রিকান দলটি। বল কেড়ে নিয়ে কামারার দারুণ এক অ্যাসিস্ট থেকে ইসমাইলা সার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর একের পর এক আঘাতে ভেঙে পড়ে ইরাক। দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন পাপে গুয়ে। কিছুক্ষণ পর নিজের দ্বিতীয় গোল যোগ করে স্কোরলাইন আরও বড় করেন হাবিব দিয়ারা।

শেষদিকে বদলি নেমে জোড়া গোল করেন পাপে থিয়াও। আর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দূরপাল্লার অসাধারণ এক শটে জালে বল জড়িয়ে শেষ তুলির আঁচড় দেন ইলিম্যান এনদিয়ায়ে। বড় জয় তুলে নিয়ে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করেছে সেনেগাল।

দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 8:39 am
দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স

আর্লিং হালান্ডকে ছাড়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটা যেন দুঃস্বপ্নের মতো পার করল নরওয়ে। হালান্ড না অন্যদিকে ফ্রান্সের শুরুর একাদশে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। কিন্তু মাঠের ফুটবলে এমবাপেকে ছাপিয়ে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন উসমান দেম্বেলে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সের বড় জয় নিশ্চিত করেছেন তিনি।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ফ্রান্স। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই দেম্বেলের গোলে এগিয়ে যায় দিদিয়ের দেশমের দল। এরপর ২০তম মিনিটে আরও একটি দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সদ্য ব্যালন ডি’অর জয়ী এই উইঙ্গার।

নরওয়ে অবশ্য দ্রুতই ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। ২১তম মিনিটে থেলোনিয়াস আসগার্ডের গোলে ব্যবধান ২-১ করে তারা। তবে ফরাসি আক্রমণের ধার থামানোর মতো শক্তি দেখাতে পারেনি নরওয়ের রক্ষণভাগ।

ম্যাচের ৩২তম মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন দেম্বেলে। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ গড়ে তুলে অরেলিয়েন চুয়ামেনি বল বাড়ান পেনাল্টি বক্সে থাকা দেম্বেলের কাছে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের অসাধারণ এক বাঁকানো শটে দূরের কোণে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। নরওয়ের গোলরক্ষক শুধু দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি।

মাত্র ৩২ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপ ইতিহাসেও জায়গা করে নিয়েছেন দেম্বেলে। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন অস্ট্রিয়ার সাবেক স্ট্রাইকার এরিক প্রবস্ট, যিনি ১৯৫৪ বিশ্বকাপে সাবেক চেকোশ্লোভাকিয়ার বিপক্ষে মাত্র ২৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেছিলেন।

বিরতির পর ম্যাচে ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল নরওয়ে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরপরই পেনাল্টি আদায় করে দলটি। বক্সের ভেতরে অস্কার বব ফাউলের শিকার হলে স্পটকিকের বাঁশি দেন রেফারি। কিন্তু ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ। ফলে ব্যবধান কমানোর বড় সুযোগ হাতছাড়া হয় নরওয়ের।

এরপর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে দেজিরে দুয়ের গোলে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বর্তমান রানার্সআপরা। আর এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যাচ্ছে ফ্রান্স।

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 12:55 am
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, সংসদ সদস্য এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।

 

এর আগে আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে এসেছেন।

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে গত সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী চীনের পথে যাত্রা করেন।

২১ জুন মালয়েশিয়া পৌঁছান তারেক রহমান। এ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক এবং পরে সীমিত পরিসরে আলোচনা হয়। এতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বৃহত্তর পরিসরে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।