খুঁজুন
সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানি দুই শিশুকে মায়ের জিম্মায় রাখতে নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
জাপানি দুই শিশুকে মায়ের জিম্মায় রাখতে নির্দেশ

দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর জাপানি মায়ের জিম্মায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ১৫ ডিসেম্বর দুই শিশুকে আদালতে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। ওই দিন পরবর্তী আদেশ দিবেন আদালত।

আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে জাপানি মায়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। তাঁকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম। বাংলাদেশি বাবার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম। তাঁকে সহযোগিতা ব্যারিস্টার কাজী মারুফুল আলম।

গত ৫ ডিসেম্বর দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে নিজের জিম্মায় নিতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন জাপানি মা নাকানো এরিকো।

গত ২১ নভেম্বর জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা বাংলাদেশে তাদের বাবা ইমরান শরীফের কাছে থাকবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট।

রায়ে বলা হয়, তবে জাপান থেকে এসে মা বছরে তিনবার ১০ দিন করে দুই সন্তানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে পারবেন। জাপানি মায়ের আসা-যাওয়া ও থাকা-খাওয়ার সব খরচ বাবা ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আদালত বলেন, রিটটি চলমান থাকবে। দুই মেয়ে বাবা ইমরান শরীফের হেফাজতে থাকবে। মা দেখা-সাক্ষাৎ এবং একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। যেহেতু মা জাপানি নাগরিক, সেখানে থাকেন এবং কাজ করেন, তাই তিনি নিজের সুবিধামতো সময়ে বাংলাদেশে এসে সন্তানদের সঙ্গে প্রতিবার কমপক্ষে ১০ দিন করে সময় কাটাতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে বছরে তিনবার বাংলাদেশে যাওয়া-আসাসহ ১০ দিন অবস্থানের যাবতীয় খরচ বাবা ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে। এর বাইরে আসা-যাওয়ার খরচ মা বহন করবেন। ছুটির দিনে অন্তত দুইবার বাবা সন্তানদের মায়ের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন।

এ ছাড়া আদালত নির্দেশনা দেন, গত কয়েকমাস বাংলাদেশে অবস্থান ও যাতায়াত খরচ বাবদ শিশুদের মা নাকানো এরিকোকে ১০ লাখ টাকা দেবেন বাবা ইমরান শরীফ। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাকে এ অর্থ দিতে হবে। রিটটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশ প্রতিপালিত না হলে বা অন্য কোনো আদেশের জন্য আদালতে উভয়পক্ষ আসতে পারবে। সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা শিশুদের দেখভাল অব্যাহত রাখবেন। প্রতি তিন মাস অন্তর শিশুদের বিষয়ে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে।

এদিকে জাপানে থাকা ছোট মেয়ে হেনাকে হাইকোর্টে হাজির করানোর নির্দেশনা চেয়ে বাবা ইমরান শরীফের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

আদালতে জাপানি মায়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। বাবার পক্ষে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবী ফিদা এম কামাল, অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ, ব্যারিস্টার কাজী মারুফুল আলম ও ব্যারিস্টার ফাইজা মেহরিন।

গত ১ নভেম্বর জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা বাংলাদেশে তার বাবা ইমরান শরীফের কাছে থাকবেন নাকি মা নাকানো এরিকোর সঙ্গে জাপানে চলে যাবেন সে বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।

গত ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট আদেশ দেন বাবা-মাসহ রাজধানীর গুলশানের চার কক্ষবিশিষ্ট একটি বাসায় থাকবে জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা। সেখানে তারা আপাতত ১৫ দিন থাকবে। ফ্লাটের ভাড়া উভয়পক্ষ বহন করবে।

পরে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট আদেশ দেন রাজধানীর গুলশানের ফ্লাটে দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনার সঙ্গে জাপানি নাগরিক মা নাকানো এরিকো রাতসহ ২৪ ঘণ্টা থাকবেন। বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফ শুধু দিনের বেলা সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই সময়ে ওই ফ্লাটের ভাড়া শিশুদের বাবা-মাকে সমানভাবে বহন করতে হবে। আদেশ অনুযায়ী এতদিন বাবা-মা শিশুদের সঙ্গে অবস্থান করে আসছিলেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঢাকার ডেপুটি ডিরেক্টর তাদের তত্ত্বাবধান করবেন। প্রয়োজনে এ কর্মকর্তা ওই ফ্ল্যাটে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। গুলশানের বাসায় থাকাকালীন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) বলা হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হয়

পরে নাকানো এরিকোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট আদেশ দেন দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে নিয়ে বেড়ানো বা মার্কেটে যাওয়ার জন্য বাইরে যেতে পারবেন জাপানি।

এন-কে

Feb2

চমেক হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে : ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
চমেক হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল। নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অনেক ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বিবেচনায় নতুন করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি সোমবার (৮ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে চমেক হাসপাতালে রোগী ও লাশ নীতিমালায় বর্ণিত এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া পূন:মূল্যায়ন বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, নতুন ভাড়ার তালিকা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, লবি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানিয়ে দেওয়া হবে, যাতে রোগী ও স্বজনরা সহজেই ভাড়া সম্পর্কে জানতে পারেন। নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায় নিতে হবে এবং অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থ ফেরত দিতে হবে।

তিনি বলেন, কেউ যদি নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেয়, তাহলে অভিযোগের ভিত্তিতে সেই টাকা ফেরত দিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মেয়র আরও জানান, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা গন্তব্যের জন্য নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সগুলোর ফিটনেস যাচাইয়ে বিআরটিএ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া হবে।

সভায় তিনি ঘোষণা দেন, প্রবর্তক মোড় থেকে অলিখা মসজিদ পর্যন্ত এলাকাকে ‘নিরাপদ জোন’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ এলাকায় কোনো অ্যাম্বুলেন্স, ডাবের গাড়ি, খাবারের ভ্যান কিংবা অন্য কোনো ভ্রাম্যমাণ দোকান বসতে দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট স্থানে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং এবং ফল ও ডাব বিক্রেতাদের জন্য পৃথক জোন নির্ধারণ করা হবে।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ডাব ও তালের খোসা, প্লাস্টিক বোতল, টায়ার কিংবা যেকোনো স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানি এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে কাজ করে। তাই এসব বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা যাবে না।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের লক্ষ্য ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ামুক্ত, পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তোলা। এ জন্য নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করে সেখানে গ্রিন প্ল্যান্টেশন, ফুলের টব, গ্রাফিতি ও নান্দনিক সাজসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে হাসপাতাল এলাকায় সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ২০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, বাথরুম ও অন্যান্য সেবার মান তদারকির জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। বর্তমানে ৭৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ও স্বজনের চাপ থাকলেও অবকাঠামো সে অনুপাতে বাড়েনি। ফলে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভা শেষে হাসপাতাল এলাকার অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং, ফল বিক্রেতাদের নির্ধারিত স্থান এবং নতুন ভাড়ার তালিকা বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন মেয়র।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, ডিসি ট্রাফিক নেছার আহমেদ, চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সাইফুদ্দীন সালাম মিটু, সালাউদ্দীন আলী, ডা. সামিউল করিম, বিআরটিএ প্রতিনিধি উথোয়াইনু চৌধুরী, চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ চৌধুরী সহ অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি, পুলিশ এবং বিআরটিএ’র প্রতিনিধিরা।

আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের উৎসাহিত করতে বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী পুলিশ কতটা পরিশ্রম ও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তা তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হলে পুলিশ সদস্যরা আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবেন এবং ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আগে হয়েছে কি না, আমি জানি না।

আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই, যাতে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনটি আলোচিত ঘটনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী পুলিশ সদস্যদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্য, দৌলতদিয়ায় নৌ দুর্ঘটনায় যাত্রীদের প্রাণ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নৌ পুলিশের তিন সদস্য এবং মুন্সীগঞ্জে সংঘটিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেপ্তারে অবদান রাখা তিন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

তিনি বলেন, সব মিলিয়ে আজ ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং অন্যরাও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন সদস্যকে বিশেষ ব্যাজও প্রদান করা হয়েছে।

বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওষুধ বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪০ দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিয়ে যায়নি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে সরকার।

‘হামের এন্টিবডি তৈরি হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে’, যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এছাড়া, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ অনুদান হিসেবে আজ এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেন্ট্রাল স্টোরে ডেঙ্গুর এক লাখ স্যালাইন আছে, আর ২০ থেকে ২৫ হাজার স্যালাইন বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে। তবে, হঠাৎ আরও স্যালাইনের প্রয়োজন পড়তে পারে।

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেওয়ার আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সময় না দিলে তারা আদালতের সুবিধা নিতে পারে। এ জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালকে আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) তারা উত্তর দেবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, আইনানুগভাবে কী কী ব্যত্যয় ঘটেছে এবং কী ধরনের অপরাধ করেছে, এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ কাকে কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেবে, সেটি তাদের ব্যাপার। সরকার তার অবস্থানে ঠিক আছে। জনস্বার্থ সংরক্ষণ থেকে এক বিন্দু পিছপা হব না।

এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও যারা আক্রান্ত হবেন, তাদের যথাসময়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্যকে পুনর্গঠন করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধান কর্মপন্থা হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে যে কাজ চলছে, সেখানে স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

‘ওষুধ শিল্পকে আরও বিকশিত করতে পলিসি সাপোর্টের চিন্তা করছে সরকার। দেশের মানুষকে সঠিক ওষুধ, সঠিক মূল্য কিংবা বিনামূল্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার’, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।