করোনায় লন্ডভন্ড ইংলিশ ফুটবল
করোনার হানায় আবারও লন্ডভন্ড ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের সূচি। ফের বাতিল হলো চার ম্যাচ। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইপিএল কর্তৃপক্ষ।
গত সপ্তাহে কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছিল প্রিমিয়ার লিগের ৪২ ফুটবলার ও সাপোর্টিং স্টাফের। যার কারণে স্থগিত করতে হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহ্যাম ইউনাইটেডের ম্যাচসহ মোট ৯টি খেলা। এবার স্থগিত করা হলো সাউদাম্পটন-ব্রেন্টফোর্ড, ওয়াটফোর্ড-ক্রিস্টাল প্যালেস, ওয়েস্ট হ্যাম-নরউইচ সিটি ও এভারটন-লেস্টার সিটির ম্যাচ।
করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য পুনরায় ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি চালু করেছে ইপিএল কর্তৃপক্ষ। ম্যাচের আগে সবাইকে বাধ্যতামূলক করতে হবে কোভিড টেস্ট। এছাড়া গ্যালারিতে দর্শক প্রবেশেও থাকছে বিশেষ সতর্কতা। সব মিলিয়ে কোভিড ইস্যুতে আবারো দিশেহারা ইংলিশ ফুটবল।
করোনার এবারের ঢেউয়ে প্রথম টটেনহ্যাম হটস্পারের বেশ কজন আক্রান্ত হন। যে কারণে টটেনহ্যামের কনফারেন্স লিগের ম্যাচের পর এবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচও বাতিল করা হয়। সপ্তাহ দুই আগে থেকেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাড়ছে কোভিডের প্রকোপ। যা থেকে বাঁচতে পারেনি ফুটবল ক্লাবগুলো। ১০ ডিসেম্বর উয়েফা কনফারেন্স লিগে স্তাদে রেনাসের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে করোনা পরীক্ষা করা হট স্পারের ফুটবলারদের। সেখানে ক্লাবের ১৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় বলে জানায় টটেনহ্যাম কর্তৃপক্ষ।
করোনা আক্রান্তদের মাঝে ৮ জন ফুটবলার এবং ৫ জন ছিলেন কোচিং স্টাফের সদস্য। একদিন পর সেই ম্যাচটি বাতিল করে উয়েফা। পরবর্তী টেস্টেও একই ফল আসায় প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচও স্থগিত করতে বাধ্য হয় উয়েফা কর্তৃপক্ষ।
এদিকে উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী একাদশ দাঁড় করানোর মতো ফুটবলার থাকলে ম্যাচ খেলতে বাধ্য থাকতে হবে যে কোনো ক্লাবকে। তবে স্পারদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম মানেনি খোদ উয়েফাই। বিষয়টি নিয়ে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেয় স্তাদে রেনাস।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কথা বললেও ঠিক কারা কারা এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তা জানায়নি উয়েফা কর্তৃপক্ষ, জানানো হয়নি ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকেও। করোনার কারণে এর আগে গত বছরের শুরুর দিক থেকে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অনেকগুলো ম্যাচ স্থগিত করে ইংলিশ ফুটবল।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন