খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের সড়কে তৎপর মোটরসাইকেল ছিনতাই কারীচক্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:২০ অপরাহ্ণ
সিলেটের সড়কে তৎপর মোটরসাইকেল ছিনতাই কারীচক্র

সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীচক্র তৎপর রয়েছে। মোগলাবাজার থানাধীন হাজীগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার শেষ সীমানা পর্যন্ত এ চক্রটি মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের স্পট হিসেবে ব্যবহার করছে। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার হাজীগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুরের শেষ সীমানার নির্জন স্থানগুলো তাদের টার্গেট। গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে ওই এলাকায় মোটরসাইকেল রাইডার হত্যাকাÐের ঘটনায় এখনো অনেকে আতষ্কে আছেন। এর মধ্যে দক্ষিণ সুরমার হাজীগঞ্জ বাজার থেকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার যেন অপরাধীদের ‘সেফ জোন’। জনমানব শূন্য এই সড়কে হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতিসহ নানা অপরাধ নিত্যদিনের চিত্র হয়ে উঠেছে।

গত সোমবার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মহিদপুর গ্রামে সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের পাশে নির্জন এলাকার একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেই অজ্ঞাত লাশের পরিচয় পায়নি পুলিশ। এলাকার সচেতন অনেকে ধারণা করছেন, অজ্ঞাত উদ্ধারকৃত লাশ হয়তো কোনো মোটরসাইকেল রাইডারের। আনুমানিক ৩০-৩৫ বছর বয়সের লাশটির পরনে ছিল লাল ও কালো রঙের জ্যাকেট এবং একটি কালো রঙের প্যান্ট।

জ্যাকেটের মাঝখানে যার মধ্যে ইংরেজিতে লেখা (উঊঅণঐ অউউঊজঝ গঘডকঅ)। শীতের মধ্যে এই রকম জ্যাকেট সাধারণত মোটরসাইকেল আরোহী ও রাইডাররা পরে থাকেন। গত বছরের ৯ এপ্রিল মাসে এ সড়কের মোগলাবাজার এলাকার গফুরের বাঁধ এলাকার যাত্রী ছাউনির ভেতরে মোটরসাইকেল রাইডার রাজুকে মৃত ভেবে ফেলে গিয়েছিল ছিনতাইকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

রাজুর স্বজনরা জানিয়েছিলেন, গত ৮এপ্রিল মোটরবাইক নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি রাজু। পরদিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে মোগলাবাজার থানার গফুররগাঁও এলাকার একটি যাত্রী ছাউনি থেকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। গত ১১ মে হুমায়ুন রশিদ চত্বর থেকে মোটরবাইকার রেদোয়ান রশিদ চৌধুরীকেও ওই যাত্রী ছাউনির সামনে নিয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে ছাউনির পেছনে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে লাশ কচুরিপনাযুক্ত কাঁদা পানির ডোবায় ফেলে বাইক নিয়ে চলে যায় ছিনতাইকারী। নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালিয়ে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার হাজীগঞ্জ মুহাম্মদপুর এলাকার একটি ডোবা থেকে ঈদের আগের দিন উবার চালক রেদওয়ান রশীদ চৌধুরী সৌরভের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই এলাকায় পরপর দুটি ঘটনায় টনক নড়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশের। নানা প্রযুক্তি ও সোর্স মারফড়ত বছরের মে মাসে সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ছিনতাই চক্রের সদস্য মজিবুর রহমানকে আটক করে। সে এক হোটেলের কর্মচারী। আটকের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মোটরবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে মজিবুর রহমান। ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনা সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেয়। তার দেয়া তথ্য মতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এনাম আহমদকেও গ্রেপ্তার করে। এরপর পুলিশ একেক করে জুয়েলুর রহমান ও শামসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, ছিনতাই চক্রের সদস্য এনাম আহমদ নগরের হুমায়ুন রশিদ চত্ত¡র হতে মোটরবাইকার গোলাম কিবরিয়া রাজুকে মোটরসাইকেল ভাড়ায় নিয়ে মোগলাবাজারের মোহাম্মদপুর গফুরের বাঁধ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের পাশে যাত্রী ছাউনির সামনে মোটরসাইকেল থামিয়ে তাকে যাত্রী ছাউনির পেছনে নিয়ে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে মারা গেছে ভেবে ডোবায় ফেলে রেখে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়। রাইডারদের টার্গেট করে গড়ে উঠেছিলো তাদের একটি ছিনতাই সিন্ডিকেট। তারা শহর থেকে রাইডারদের ভাড়ায় নিয়ে যেতো শহরতলীর নির্জন স্থানে। সেখানে খুন করে নিয়ে যায় মোটরসাইকেল।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার জাহিদ বলেন, গত সপ্তাহে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মুহিদপুর গ্রামের একটি ডোবা থেকে উদ্ধারকৃত লাশটির এখনো পর্যন্ত কোনো ওয়ারিশের খোঁজ না পাওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

এন-কে

Feb2

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন। সত্যি আপনারা ভাগ্যবান যে এক মন্ত্রী সব মন্ত্রণালয় চালায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কথাও তাকে বলতে হয়।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সমাবেশে নেতাকর্মীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিলে জামায়াত আমির বলেন, নিজেদের সন্তানকে ভুয়া বলতে নেই। নিজের সন্তান কানা হলেও তো পদ্মলোচন।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমার কষ্ট হয় উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আশেপাশে কাদেরকে বসিয়েছেন? ওনি কুমিল্লায় এসে ইপিজেড দেন। ফরিদপুরে গিয়ে সয়াবিন তেল দেন। তিনি দিনাজপুরে গিয়ে আম উপহার দেন। সিলেটে গিয়ে সাড়ে নয় ঘণ্টা উপহার দেন। জাতীয় সংসদে গিয়ে প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দেন। আর কক্সবাজারে এসে তিনি বলেন বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও ধূমপান জাতীয় দ্রব্যমূল্যের টেক্স বাড়ানো হয়েছে বলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছে—এগুলো মিথ্যা, আর ভুয়া।

জামায়াত আমির বলেন, ‘বিরোধী দলের কেউ এটা করেনি। আমার করুনা লাগে। প্রধানমন্ত্রীর পদটা রাষ্ট্রীয় পদ। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তার দিকে তাকিয়ে বিশ্বের লোকজন বাংলাদেশকে হিসাব করবে। তার মুখ দিয়ে যদি অনবরত এসমস্ত ভুলভাল কথা বের হতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ওদেরকে চিহ্নিত করুন যারা আপনাকে ভুল বুঝাচ্ছে। তারা আপনার সম্মান আর বাংলাদেশের সম্মান ধ্বংস করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। নইলে ক্ষতিগ্রস্ত শুধু আপনি হবেন না, গোটা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

বাজেটে বিরোধী দল প্রতিক্রিয়া জানাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এতে রাগ করার কি আছে? অল্পতে ধৈর্য হারালে ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব পালন করবেন কীভাবে? তবে হা জনগণ যখন দেখবেন, জনআকাঙ্খা বাস্তবায়নে আপনি এবং আপনার সরকার আন্তরিক, তখন আপনাদের প্রশংসা করবে। কিন্তু যখন জনগণ দেখবে আপনারা ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান অগ্রাহ্য করছেন, তখন জনগণ বসে বসে আঙুল চষবে না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা।