খুঁজুন
, ,

সিনহা হত্যা: যুক্তিতর্ক শেষ, রায় ৩১ জানুয়ারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 12 January, 2022, 2:28 pm
সিনহা হত্যা: যুক্তিতর্ক শেষ, রায় ৩১ জানুয়ারি

আজ অবসর প্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানির দিন শেষ হয়েছে। এসময় আদালতে ওসি প্রদীপকে সিনহা হত্যায় নির্দোষ দাবি করে খালাস প্রার্থনা করেন তার আইনজীবীরা।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে আসামি বরখাস্ত ওসি প্রদীপের পক্ষে এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত তার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক শুরু করেন।

যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আগামী ৩১ জানুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উক্ত মামলার আসামি ওসি প্রদীপসহ এ মামলার ১৫ জনকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়।

আসামিরা হলেন- পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মোহাম্মদ মোস্তফা, এপিবিএন এর তিন সদস্য এসআই মোহাম্মদ শাহজাহান, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, পুলিশের মামলার তিন সাক্ষী নুরুল আমিন, নেজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ, টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মা এবং সাবেক এএসআই সাগর দেব।

আদালত সূত্র জানায়, এই মামলার ১৫ জন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। এডভোকেট রানা দাশ গুপ্তের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্র এবং বাদীপক্ষের আইনজীবীরা আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি খণ্ডন করেন। যদিও মঙ্গলবার এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত তার যুক্তিতর্ক মুলতবি রেখেছিলেন। সর্বশেষ সওয়াল-জবাব শেষে আগামী ৩১ জানুয়ারি মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন বিজ্ঞ বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, বুধবার আসামি বরখাস্ত ওসি প্রদীপের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত তার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, ৮ দফায় ৮৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। জেরা শেষ হয়েছে। মোট ৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং জেরা সম্পন্ন হওয়ার পর কার্যবিধি ৩৪২ ধারায় আসামিদের ৫-৭ ডিসেম্বর বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে ৯ জানুয়ারি রোববার থেকে আজ ১২ জানুয়ারি বুধবার পর্যন্ত যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরে এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ।

সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। ওই কাজে তার সঙ্গে ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথ।

কক্সবাজারের পুলিশ সে সময় বলেছিল, সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। পরে ‘পিস্তল বের করলে’ চেক পোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে।

কিন্তু সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।

সিনহা নিহতের ছয় দিন পর লিয়াকত আলী ও প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে ঘটনার সময় দায়িত্ব পালনকারী আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গত ২৪ জুন মামলার অন্য পলাতক আসামি টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আসামিদের মধ্যে ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া অন্য ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন র‌্যাব ১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গতবছর ২৭ জুন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাইল মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

এন-কে

Feb2
Feb2

অনিয়ম ও দুর্নীতির রাজা ফরেস্টর সোহেল রানা, বন খেয়ে কোটিপতি অবৈধ টাকার গরমে বেপরোয়া আচরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 10:56 pm
অনিয়ম ও দুর্নীতির রাজা ফরেস্টর সোহেল রানা, বন খেয়ে কোটিপতি অবৈধ টাকার গরমে বেপরোয়া আচরণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: ফরেস্টার সোহেল রানার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সুফল বাগান সৃজনের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ, বন বিভাগের জায়গা দখল বিক্রি, বন বিভাগের জায়গায় বসবাসরত লোকজনকে দালান নির্মাণের মৌখিক অনুমতি ও বনের মূল্যবান গাছ বিক্রি সহ নানা অভিযোগ সোহেল রানার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানাযায়, ২০২০ সালে সোহেল রানার চাকরি হয় বন বিভাগে। চাকরির শুরুতে তার পোস্টিং হয় কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের হোয়াইকং রেঞ্জের অধিনে শাফলাপুর বিটে।

শাফলাপুর বিটে কর্মরত থাকাকালে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১০০ হেক্টর সুফল বাগান সৃজন ও পরিচর্যার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা মেরেই সোহেল রানা বনেছে কোটিপতি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শাফলাপুর বিটে কর্মরত একজন ফরেস্ট গার্ড বলেন, সোহেল রানা শাফলাপুর বিটে সুফল বাগানের টাকা মেরেছে-তো মেরেছে সাথে উজাড় করেছে বনের গাছও।

‎টাকা থাকলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করা কোন ব্যাপার না। এমন বেপরোয়া ও দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণ ছিলো সোহেল রানার।

পরে তার বদলি হয় একই রেঞ্জের অধিনে পানের ছড়া বিটে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে পানের ছড়া বিটের অধিনে সৃজিত ১০০ হেক্টর বাগানের খালি স্থান পূরণ ও আগাছা পরিষ্কার করার জন্য বরাদ্দকৃত বিপুল অর্থও মেরে দেয় সোহেল রানা। এছাড়া পানের ছড়া বিটের অধিনে সরকারি বনায়নের কোটি টাকার গাছ বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের অপর এক সুত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা শাফলাপুর বিট ও পানের ছড়া বিটে শতাধিক অবৈধ দখলদারদের মৌখিক ভাবে বৈধতা দিয়ে কোটি টাকা আয় করেছে।

‎সুত্র দাবি করেন, সোহেল রানা বর্তমানে কোটি টাকার মালিক। ব্যবহার করেন দেড় লক্ষাধিক টাকার আই ফোন। তার এহেন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কেউ কথা বললেই সোহেল রানার সেই দাম্ভিক আচরণ টাকা দিলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করা কোন ব্যাপার না।

সোহেল রানার বেপরোয়া অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বেশ কিছু পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে চতুর সোহেল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বদলি হয়ে আসেন চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ধুম ঘাট স্টেশনে। ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সোহেল রানার এই বদলি ও পোস্টিং বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন অফিস জুড়ে। গত দেড় মাস আগে ধুম ঘাট স্টেশনে যোগদান করে একই কর্মকান্ড শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎সচেতন মহল মনে করেন, এই সোহেলকে থামানো দরকার। তাঁদের প্রশ্ন সোহেলকে থামাবে কে ?

এই বিষয়ে সোহেল রানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই গুলোর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই সব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

২য় পর্বে চোখ রাখুন…

জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 8:43 pm
জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক: মেয়র

নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিপাতের ফলে নগরীর যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, সেসব স্থানের জলাবদ্ধতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

এজন্য নগরীর জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে সমস্যা নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার আগ্রাবাদ চৌমুহনীস্থ চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে পরিদর্শন করেন মেয়র।

এসময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানকে এই এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন মেয়র।

মেয়র বলেন, গত সাত দিনের রেকর্ড বৃষ্টিতে নগরীর যেসব এলাকায় পানি জমেছে, সেসব স্থান আমরা একে একে আইডেন্টিফাই করছি। সরেজমিনে গিয়ে কোথায় কেন পানি উঠছে, তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। শুধুমাত্র পানি নিষ্কাশন নয়, জলাবদ্ধতার মূল কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকা এবং আশপাশের ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে পানি জমার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আমরা জেনেছি স্থানীয় বিভিন্ন খাল, নালা ও ছড়ায় বর্জ্য জমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্থানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিদর্শনে দেখা গেছে আশপাশের বিভিন্ন গাড়ির শোরুম, টিভি ফ্রিজসহ বিভিন্ন পণ্যের শোরুম থেকে ব্যবহৃত ফোম শিট, ককশিট, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে ড্রেন ও নালাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সামান্য সময়ের মধ্যেই বৃষ্টির পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যদি নিজেদের বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে জেল জরিমানাসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নগরীর স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সচেতন হতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাই সবাইকে ড্রেন, নালা ও খালে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি জানান, দেওয়ানহাট আগ্রাবাদ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নাসির খাল ছড়া এবং লালমিয়া খাল ছড়াসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব খাল ও ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 4:10 pm
উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোর জন্য সরকার সবসময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ সহজ নয়, তবে সরকার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করবে। যাতে তারা নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা এখানে নতুন উদ্যোক্তা বা সম্ভাব্য উদ্যোক্তা রয়েছেন, যারা এগিয়ে আসতে চাচ্ছেন, যারা কিছু করতে চাচ্ছেন আপনাদের শুধু একটা কথা বলি—আপনারা যেটা করতে চাইছেন, এটা খুব সহজ কাজ নয়, খুবই কঠিন। কিন্তু আপনি পারবেন যদি আপনার ইচ্ছা থাকে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের অবস্থান থেকে আমি বলতে পারি, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে, আপনাদের হেল্প করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য। আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা আছি। কতটুকু পারবো আমি জানি না, কিন্তু আমরা আছি, যতটুকু পারবো সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়, দেশের লাখো-কোটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও সৃজনশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, আপনারা আজকে যারা উদ্যোক্তা হবেন, যারা হতে চাইছেন, যারা হয়ে গিয়েছেন এবং এগিয়ে গিয়ে যারা মানুষ, সমাজ ও সামগ্রিকভাবে দেশের উপকার করছেন, আপনাদের প্রয়োজন। নিজের জন্য আপনাদের প্রয়োজন না, আপনাদের প্রয়োজন লাখো-কোটি মানুষের জন্য, আপনাদের প্রয়োজন এই দেশের জন্য।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ সময় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অপমান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তাকে এগিয়ে আসতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি তরুণদের কঠিন সময়েও হাল না ছাড়ার আহ্বান জানান।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন উদ্ভাবনী আয়োজন, স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের কাজ দেখে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।