খুঁজুন
, ,

উত্তর কোরিয়ার ৫ কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 13 January, 2022, 10:54 am
উত্তর কোরিয়ার ৫ কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

পিয়ংইয়ংয়ের সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বাইডেন প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার পাঁচজন কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ঘোষণা করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তি প্রাপ্তিতে উত্তর কোরিয়ার ঐ কর্মকর্তাদের ভূমিকার কারণে তাদের উপর শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ উত্তর কোরিয়ার আরো একজন ব্যক্তি, একজন রাশিয়ান ব্যক্তি এবং একটি রাশিয়ান কোম্পানি যারা এই গণবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের দ্বারা টার্গেট করা উত্তর কোরিয়দের মধ্যে একজন রাশিয়ায় অবস্থান করছেন, অন্য চার জন চীনে অবস্থান করছেন।

সকলের বিরুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেকেন্ড একাডেমি অফ ন্যাচারাল সায়েন্সে অর্থ, পণ্য বা পরিষেবা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে, যা ট্রেজারি বিভাগ বলে যে দেশটির সামরিক প্রতিরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে উত্তর কোরিয়া বুধবার ঘোষণা করেছে, দেশটির সর্বশেষ উৎক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র আরেকটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের উপস্থিতিতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার (৬২১ মাইল) দূরে সমুদ্রে ভাসমান লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে বলে আরও হয়।

এখন পর্যন্ত পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে এই হাইপারসনিকটি সর্বাধিক গতিসম্পন্ন। অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য মতে, মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে, যদিও সেটি আগের তুলনায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন।

গতকাল মঙ্গলবার পরীক্ষিত এই ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি ঘণ্টায় শব্দের গতির ১০ গুন বলে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে দেশটির ইয়োনহাপ সংবাদ মাধ্যম। গত সপ্তাহে উৎক্ষেপিত মিসাইলটির গতি ছিল শব্দের গতির ছয় গুন।

চলতি বছরে এটি উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। গত সপ্তাহের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করে, উত্তর কোরিয়া তাদের সক্ষমতার বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার করছে। উত্তর কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি বিশ্লেষণ করে মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্রটির সঙ্গে গত সপ্তাহের ক্ষেপণাস্ত্রের সামঞ্জস্য দেখা গেছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা আরও বলেন, হাইপারসনিক শব্দটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। প্রচলিত সব ক্ষেপণাস্ত্রই এখন হাইপারসনিক গতিতে চলে। হাইপারসনিক গতি অর্থ শব্দের গতির পাঁচ গুন।

গত সপ্তাহের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় উপস্থিত না থাকলেও, মঙ্গলবারে উপস্থিত ছিলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। তাঁর এই উপস্থিতিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

‘দীর্ঘদিন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় অনুপস্থিত থাকার পর হঠাৎ কিমের এই আবির্ভাব যথেষ্ট রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে’, বলেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইওহা বিশবিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেই এরিক ইজলি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এই অস্ত্র মহড়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

‘এটি ভুল বার্তা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন শুরু থেকেই যেকোনো আলোচনার জন্যে আহ্বান জানিয়ে আসছে। আমরা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোভিড, মানবিক সাহায্যের বিষয়ে আলোচনায় বসতে চাই। আর তারা কিনা ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া করছে,” বলেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের রাজনৈতিক সহকারী সচিব ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকিও এই উৎক্ষেপণকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লংঘন বলে নিন্দা করেছেন। তিনি উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানান। এই আলোচনা উত্তর কোরিয়া ২০১৯ সালে পরিত্যাগ করেছিল।

অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া বারবার যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আসছে। উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন যতক্ষণ না তাদের ‘শত্রুভাবাপন্ন নীতি’ পরিহার করবে ততক্ষণ কোনো আলোচনায় বসবে না তারা। দেশটি বিভিন্ন সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে তাদের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিও জানিয়ে আসছে।

১৯৫০ সালে সংঘটিত কোরিয়ান যুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৮ হাজার সেনা এখনো দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করছে। উল্লেখ্য, শান্তি চুক্তির পরিবর্তে কোরিয়ান যুদ্ধের অবসান হয় সন্ধির মাধ্যমে।

এন-কে

Feb2
Feb2

ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা হলো, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 10:16 pm
ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা হলো, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথ কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি কতটা হলো, তা নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হওয়ার তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন কীভাবে হবে, তা বৈঠকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হয়েছে।

ঢাকার এই বৃত্তাকার সড়কের একটি অংশ আব্দুল্লাহপুর রেলগেট থেকে ধউর, বিরুলিয়া, গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, সোয়ারিঘাট, কদমতলী, তেঘরিয়া, পোস্তগোলা, ফতুল্লা, চাষাঢ়া ও শিমরাইল হয়ে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। আরেকটি অংশ আব্দুল্লাহপুর রেলগেইট থেকে তেরমুখ, পূর্বাচল ও বেরাইদ হয়ে ডেমরায় যাবে। সবমিলিয়ে প্রায় প্রায় ৮৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ চলছে। বৈঠকে জানানো হয় এই পথে ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বৃত্তাকার এই সড়ক নির্মাণ হলে রাজধানীর ভেতরের সড়ক ব্যবহার না করেই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাওয়া যাবে। সিলেট, মাওয়া ও চট্টগ্রামের যাত্রীরা ঢাকা না ঢুকেও গন্তব্যে যেতে পারবেন। এতে শহরে যানবাহনের চাপ কমবে এবং একই সঙ্গে যানজটও কমে আসবে।

একইভাবে ঢাকা শহরে ঘিরে ১১০ কিলোমিটারের নদী পথ রয়েছে তার চালু করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং রাজধানীর বৃত্তকার নদী পথে মানুষজন এক গন্তব্যে থেকে অন্য গন্তবে যেতে পারবে অনায়াসে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, এই বিষয়গুলো বৈঠকে তুলে ধরা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞরা এর কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন। নদী পথ ব্যবহার করলে পরিবেশ দুষণমুক্ত থাকবে, জ্বালানি সাশ্র্রয়ী হবে, সময়ও কম লাগবে বলে বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে বলেছেন। কারণ নদী পথের যানবাহনগুলো হবে বিদ্যুৎচালিত।

বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেল পথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডাব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:18 pm
‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

কারও বাবার ক্যান্সারের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। কেউ নিজেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালাতে পারছেন না। বার্ধক্য, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, দারিদ্র্য কিংবা উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম—এমন নানা সংকটের কথা উঠে এসেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের গণশুনানিতে।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর থেকে আসা একাধিক সেবাপ্রত্যাশীর আবেদন ও অভিযোগ শুনেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সঙ্গে অনলাইনে অংশ নেওয়া পাঁচজন প্রবাসী বাংলাদেশির অভিযোগও শোনেন তিনি।

গণশুনানি শেষে চরম আর্থিক সংকটে থাকা নয়জনকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া চারজন দুস্থ নারীকে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়াসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে রাঙ্গুনিয়ার জাফর আহমদ চিকিৎসা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চান। সীমিত আয়ে সংসার চালাতে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বহন করাও তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

পূর্ব মাদারবাড়ীর পিংকি হিজড়া জানান, স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর অর্থাভাবে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে নিতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাঁশখালীর মর্জিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। অন্যদিকে স্বামী-সন্তানহীন হাসিনা বেগম মানুষের বাসায় কাজ করে জীবনযাপন করলেও শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা চালানোর সামর্থ্য হারিয়েছেন।

লোহাগাড়ার এক গণমাধ্যমকর্মী তাঁর ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য সহায়তা চান। একইভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফ্রন্ট ডেস্কে কর্মরত রিতা দাশ বাবার হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যয় বহনে অক্ষমতার কথা তুলে ধরেন।

পাহাড়তলীর আনোয়ারা বেগম জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিন মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়লেও অর্থাভাবে অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সেলিম ভূঁইয়া তাঁর আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ বাবা ও দিনমজুর বড় ভাইয়ের সীমিত আয়ের কারণে তাঁর উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে তিনি এককালীন শিক্ষাবৃত্তি সহায়তা চান।

অন্যদিকে অনলাইন গণশুনানিতে কাতার, দুবাই ও ওমানে অবস্থানরত প্রবাসীরা পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জাল দলিল তৈরি, পারিবারিক হয়রানি, প্রাণনাশের হুমকি ও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া রাঙ্গুনিয়া ও পটিয়ার দুই বাসিন্দাও জমি দখলের অভিযোগ করেন।

সব অভিযোগ শুনে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় তদন্ত, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের কষ্ট, একজন রোগীর চিকিৎসা কিংবা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ। সরকারি নীতিমালার আওতায় থেকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।”

তিনি বলেন, “জনগণ শেষ আশ্রয় হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন। তাই প্রতিটি আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে শুনে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হয়।”

পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:08 pm
পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর এলাকার ফরেস্ট গেইট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে আজাদ (২৫) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজাদ, পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার হাকিম শাহ হুজুরের বাড়ির রশীদের ছেলে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, আজাদের এক বন্ধু তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খবর পেয়ে পুলিশ সেই বন্ধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

“আজাদকে হাসপাতালে নেওয়া ওই যুবক জানিয়েছে, ওই বাড়িতে বসে তারা তিনজন মিলে ইয়াবা সেবন করছিল। এসময় কেউ একজন আজাদকে গুলি করে। তবে বিষয়টি আমাদের সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।”

পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন বলেন, যে বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে সেখানে কেউ বসবাস করেন না।

“আমাদের ধারণা সেখানে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। আজাদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”