খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রাম-বরিশাল ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 21 January, 2022, 11:20 am
চট্টগ্রাম-বরিশাল ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু আজ

সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। দর্শকদের গ্যালারিতে রেখেই শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল)। কিন্তু, বর্তমান কোভিড-১৯-এর পরিস্থিতি দর্শকদের আশা ভেস্তে দিয়েছে। এতে করোনার প্রভাবে আয়োজনেও কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবুও সব শঙ্কা দূরে ঠেলে অবশেষে আজ শুক্রবার থেকে মাঠে গড়াচ্ছে টুর্নামেন্টটির অষ্টম আসর।

করোনারকালের সব টুর্নামেন্টের মতো এটিও হচ্ছে জৈব-সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ফরচুন বরিশাল। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর দেড়টায়।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। ওই ম্যাচে মুখোমুখি হবে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা ও খুলনা টাইগার্স। ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে জিটিভি ও টি স্পোর্টস।

এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে মোট ছয়টি দল—মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা, ফরচুন বরিশাল, খুলনা টাইগার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, সিলেট সানরাইজার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। প্রতিটি দলের খেলোয়াড়দের খরচসহ ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পড়েছে মোট পাঁচ কোটি টাকা। দল পরিচলনায় সম্ভাব্য ব্যয় সব মিলিয়ে ছয় থেকে সাত কোটি টাকা।

অথচ অবাক করার বিষয় হলো—এত কোটি টাকার দল নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলে মিলবে মাত্র এক কোটি টাকার প্রাইজমানি। চ্যাম্পিয়ন যারাই হোক পাবে এক কোটি টাকা, রানার্সআপ হলে মিলবে ৫০ লাখ টাকা।

এবারের টুর্নামেন্টের মূল পৃষ্ঠপোষক বিবিএস কেব্‌লস। পাওয়ার স্পন্সর ওয়ালটন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট—এ তিন ভেন্যুতে হবে বিপিএলের ম্যাচগুলো। মোট ২৭ দিনে অনুষ্ঠিত হবে ৩৪ ম্যাচ। শুক্রবার ছাড়া বাকি দিনগুলোতে প্রথম ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর সাড়ে ১২টায়, দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু বিকেল সাড়ে ৫টায়।

আজ বিপিএলের পর্দা উঠবে মিরপুর শেরেবাংলায়। যা চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি খেলা হবে চট্টগ্রামে। পরে ঢাকায় ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি খেলা হওয়ার পর ৭-৯ ফেব্রুয়ারি হবে সিলেটে। সেখানে বিপিএল চলবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এরপর ঢাকায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্লে-অফের প্রথম দিন হবে এলিমিনেটর ও প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। ১৬ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার হবে ফাইনাল। প্লে-অফ ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। এলিমিনেটর থেকে ফাইনাল পর্যন্ত ম্যাচগুলোয় রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।

করোনাভাইরাসের কারণে মাঝের দুই মৌসুম হয়নি বিপিএল। এ টুর্নামেন্টের সর্বশেষ আসর হয়েছে ২০১৯–২০ মৌসুমে। বিপিএলকে সামনে রেখে গত ২৭ ডিসেম্বর প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে দল সাজিয়েছে সবাই। এর আগে সরাসরি চুক্তিতে ছয় দল দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের নেয়। শক্তি ও অভিজ্ঞতার বিচারে এগিয়ে আছে মাহমুদউল্লাহর ঢাকা, মুস্তাফিজের কুমিল্লা এবং সাকিবের বরিশাল। তারুণ্যনির্ভর দল গড়েছে চট্টগ্রাম। আনকোরা হলেও জাতীয় দলে খেলা একাধিক তরুণ আছেন দলটিতে। তারকা কিছুটা কম হলেও পিছিয়ে রাখা যাবে না মুশফিকের খুলনা কিংবা সৈকতের খুলনা টাইগার্সকে। সবমিলিয়ে ছয় দলের লড়াইটা এবার কতটা রোমাঞ্চ ছড়ায় সেটাই দেখার অপেক্ষা!

এক নজরে বিপিএলের দলগুলো

সিলেট সানরাইজার্স : তাসকিন আহমেদ, দীনেশ চান্দিমাল, কেসরিক উইলিয়ামস, কলিন ইনগ্রাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন, আল আমিন হোসেন, নাজমুল ইসলাম অপু, এনামুল হক বিজয়, সোহাগ গাজী, অলক কাপালি, মুক্তার আলি, সিরাজ আহমেদ, মিজানুর রহমান, নাদিফ চৌধুরী, জুবায়ের হোসেন লিখন ও শফিউল হায়াত হৃদয়, রবি বোপারা ও অ্যাঞ্জেলো পেরেরা।

মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা : মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইসুরু উদানা, কাইস আহমেদ, নাজিবুল্লাহ জাদরান, তামিম ইকবাল, রুবেল হোসেন, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, শুভাগত হোম চৌধুরী, নাঈম শেখ, আরাফাত সানি, ইমরান উজ জামান, শফিউল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, শামসুর রহমান ও এবাদত হোসেন, মোহাম্মদ শাহজাদ, ফজল হক ফারুকী।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স : নাসুম আহমেদ, বেনি হাওয়েল, কেনার লুইস, উইল জ্যাকস, শরিফুল ইসলাম, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, রেজাউর রহমান রাজা, সাব্বির রহমান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মেহেদী হাসান মিরাজ, আকবর আলি ও নাঈম ইসলাম, চ্যাডউইক ওয়ালটন রায়াদ এমরিট।

ফরচুন বরিশাল : সাকিব আল হাসান, মুজিব উর রহমান, ক্রিস গেইল, কাজী নুরুল হাসান সোহান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান রানা, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, তৌহিদ হৃদয়, জিয়াউর রহমান, শফিকুল ইসলাম, সৈকত আলি, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, সালমান হোসেন ইমন ও ইরফান শুক্কুর, ওবেদ ম্যাককয়, আলজারি জোসেফ, ও নিরোশান ডিকভেলা।

খুলনা টাইগার্স : মুশফিকুর রহিম, থিসারা পেরেরা, ভানুকা রাজাপক্ষে, নাভিন উল হক, মেহেদী হাসান, সৌম্য সরকার, কামরুল ইসলাম রাব্বি, ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি, ফরহাদ রেজা, রনি তালুকদার, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, জাকের আলি অনিক ও নাবিল সামাদ, সেকুগে প্রসন্ন ও সিকান্দার রাজা।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স : মুস্তাফিজুর রহমান, ফাফ ডু প্লেসি, মঈন আলি, সুনীল নারাইন, লিটন দাস, শহিদুল ইসলাম, ইমরুল কায়েস, তানভীর ইসলাম, আরিফুল হক, নাহিদুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, সুমন খান, মুমিনুল হক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ইমন, আবু হায়দার রনি ও মেহেদী হাসান, কুশল মেন্ডিস ও ওশেন থমাস।

এন-কে

Feb2

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:32 am
ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আঘাত হেনেছে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প। এই জোড়া ভূকম্পনের ফলে রাজধানী শহরের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে এবং আতঙ্কে হাজার হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নেমে এসেছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস জানিয়েছে যে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পটির ঠিক ৩৯ সেকেন্ড পরেই ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি তীব্র ভূকম্পন আঘাত হানে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী বা ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে এই প্রলয়ঙ্করী দুর্যোগে ভেনিজুয়েলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই দুর্যোগে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ এবং মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিধস এবং সমতলে মাটির তারল্য বা লিকুইফেকশন হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। ঘটনার পরপরই ভেনিজুয়েলা উপকূল এবং নিকটবর্তী আরুবা ও বোনাইর দ্বীপপুঞ্জের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভিটিভি-তে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসের বেশ কিছু বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে শহরের অসংখ্য বাড়িঘরে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে এবং কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে কারাকাস ছাড়াও দেশের ত্রুহিলিও, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগূয়া, মিরান্দা এবং লা গুয়াইরা রাজ্য এই ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কারাকাসের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস পালোস গ্রান্দেস এবং আলতামিরা নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। উল্লেখ্য যে ১৯৬৭ সালে ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে আঘাত হানা সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পেও এই দুটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হয়েছিল এবং সে সময় প্রায় ২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র একজন সাংবাদিকের পাঠানো ছবিতে কারাকাস শহরের একটি ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখা গেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে শত শত কিলোমিটার দূরে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং সতর্কতাস্বরূপ সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় সময় গত বুধবার বিকেল ৬টা ৪ মিনিটে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি ইয়ারাকুই রাজ্যে উৎপন্ন হয় যার গভীরতা ছিল মাটির নিচে ২১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আঘাত হানা ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ইউমারে শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূগর্ভের মাত্র ১০ কিলোমিটার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিবিসি সাংবাদিক নিকোল কোলস্টার জানান যে এটি তার জীবনের অনুভূত সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন ছিল এবং সাত তলার ফ্ল্যাটে থাকার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে তার মনে হয়েছিল পুরো ভবনটি বুঝি তার গায়ের ওপর ভেঙে পড়বে।

ভূমিকম্পের এই ঘটনাটি ভেনিজুয়েলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির দিনে ঘটেছে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা সিমন বলিভার কর্তৃক স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ১৮২১ সালের কারাবোবো যুদ্ধের বিজয়ের স্মরণে গতকাল দেশটিতে সাধারণ ছুটি ছিল। ফলে অন্য যেকোনো কর্মদিবসের তুলনায় সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ সপরিবারে নিজেদের ঘরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এই চরম সংকটের মুহূর্তে ভেনিজুয়েলার নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন যে এই চরম উদ্বেগের সময়ে তার অন্তর এবং প্রার্থনা ভেনিজুয়েলার প্রতিটি ব্যথিত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।

 

গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:02 am
গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

চেক রিপাবলিককে উড়িয়ে দিলো মেক্সিকো। বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশটি গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিন গোলের সবগুলো দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে তারা। মেক্সিকো সিটিতে ৩-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা।

মাতেও শাভেজ, জুলিয়ান কুইনোনেস ও আলভারো ফিদালগোর গোলে মেক্সিকো তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়েছে। তাতে এ গ্রুপ থেকে বিদায় নিতে হলো চেকদের।

চেকদের হয়ে একটি প্রচেষ্টা গোলবারের পাশ দিয়ে মারেন ডেনিস ভিসিনস্কি। তবে মেক্সিকো সিটিতে প্রথমার্ধে এমন সুযোগ খুব কমই এসেছে। আগেই গ্রুপের এক নম্বর জায়গা নিশ্চিত করা মেক্সিকো বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রথম শট নিতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩৬ মিনিট। বক্সের প্রান্ত থেকে ইসরায়েল রেয়েসের ওভারহেড কিক গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।

ডেভিড দোদেরা ও কুইনোনেস দূর পাল্লার শট বারের ওপর দিয়ে যায়। হোর্হে সানচেজের শটে প্রথম সেভ করেন চেক গোলকিপার মাতেজ কোভার।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। এক ঘণ্টার আগেই ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা। দল ভালো অবস্থানে থাকার পর মেক্সিকো ৪০ বছর বয়সী কিপার গুইলেরমো ওচোয়াকে চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন। স্টপেজ টাইমে মেক্সিকো আরেকটি গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের। এ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা আগামী ১ জুলাই শেষ ৩২ এর ম্যাচ খেলবে তৃতীয় সেরা একটি দলের সঙ্গে।

দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:52 am
দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল মেক্সিকো। দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। বুধবার মেক্সিকোর গুয়াদালুপেতে ১-০ গোলে জিতেছে বাফানা বাফানারা।

শেপাং মোরেমির ক্রসে ৬৩তম মিনিটে থাপেলো মাসেকো গোল করেন। ওই এক গোলেই জিতেছে তারা এবং এ গ্রুপে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ৩২ এ দক্ষিণ আফ্রিকা।

ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে আগামী রোববার নকআউটের ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার মুখোমুখি হবে তারা।

১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপে খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে পারেনি। এবারের আসরে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হার দিয়ে শুরু। তবে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শেষ দিকের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল তারা। মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে থেকে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দলটি। কিন্তু তায়েগিউক ওয়ারিয়র্সকে চমকে দিলো তারা।

দক্ষিণ কোরিয়া চেকদের বিপক্ষে পেছনে থেকেও ২-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল এবং মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে যায়।

২০০২ সালের নকআউটে ওঠা প্রথম এশিয়ান দল ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ওইবার চতুর্থ স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছিল তারা। এরপর ২০০২ ও ২০১০ সালে গ্রুপের বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে থেকে যায় কোরিয়ানরা।