খুঁজুন
, ,

মাঠে মেসি, গোল উৎসব পিএসজির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 January, 2022, 12:45 pm
মাঠে মেসি, গোল উৎসব পিএসজির

লিওনেল মেসির ফেরার ম্যাচে রেইমসের বিপক্ষে গোল উৎসব করেছে পিএসজি। নিজেদের ঘরের মাঠে রোববার (২৩ জানুয়ারি) রাতের ম্যাচটি তারা জিতেছে ৪-০ গোলের ব্যবধানে।

করোনা আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন লিওনেল মেসি। ফিট না হওয়ায় ছিলেন না নিজ দেশেল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের স্কোয়াডে। সব ধকল কাটিয়ে অবশেষে লিগ ওয়ানের ম্যাচে রোববার রাতে মাঠে নামেন তিনি। তার ফেরার ম্যাচে প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে প্রথম গোলের দেখা পান সার্জিও রামোস।

লিওনেল মেসি এই ম্যাচ দিয়ে দলে ফিরছেন তা আগেই নিশ্চিত করেছিল দলটির কোচ মাওরিসিও পচেত্তিনো। তবে শুরুর একাদশে থাকবেন কিনা সেটা নিয়ে ছিল সন্দেহ। পার্ক দে প্রিন্সেসে মেসিকে ছাড়াই প্রথমার্ধের একাদশ সাজান প্যারিস কোচ। শুরুর একাদশে আক্রমণভাগে নামেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মাউরো ইকার্দি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।

চোটের কারণে আগে থেকেই একাদশে নেই নেইমার। তবে তাদের দুজনের অভাব পিএসজিকে বুঝতেই দেয়নি দলটির আক্রমণভাগ। শুরু থেকে আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন রেইম রক্ষণভাগকে। তবে প্রথম সাফল্যটা পেতে তাদের বেশ বেগ হতে হয়। ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে গিয়ে প্রথম তারা ঘরের মাঠের দর্শকদের আনন্দে ভাসান। মাউরো ইকার্দির শট রেইমসের রক্ষণ রুখে দিলেও ফিরতি চেষ্টায় জাল খুঁজে নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন মার্কো ভেরাত্তি। এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সফরকারী পিএসজি।

বিরতির আগে আর নামা হয়নি আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের। ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে ডি মারিয়াকে উঠিয়ে মেসিকে নামান পচেত্তিনো। তবে তার আগেই পিএসজি এগিয়ে গিয়েছিল দুই গোলে। প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে প্রথম গোলের দেখা পান রামোস। ইকার্দির কর্নার থেকে দেয়া পাস রেইমসের রক্ষণভাগ প্রথম চেষ্টায় থামালেও রামোসকে আর প্রতিহত করতে পারেননি। মাঠে নেমেই দলের তৃতীয় গোলে অবদান রাখেন মেসি। বাঁ পাশ থেকে মার্কো ভেরাত্তিকে কাটব্যাক করেছিলেন তিনি, তা থেকে ইতালিয়ান মিডফিল্ডারের শট স্বাগতিক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলে চলে যায় জালে। এমবাপ্পের বাড়ানো বলে দারুণ এক শটে গোল করে বসেন দানিলো পেরেইরা। তাতেই ৪-০ গোল নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাসি জায়ান্টরা।

এই জয়ের পর ২২ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ ওয়ানের শীর্ষে আছে পিএসজি। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিস সমান ম্যাচে অর্জন করেছে ৪২ পয়েন্ট। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে সেই নিসেরই মুখোমুখি হবে দলটি। ফরাসি কাপের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি।
পিএসজির হয়ে মেসি সবশেষ মাঠে নেমেছিলেন গেল ২২ ডিসেম্বর। এরপর করোনা আক্রান্ত হয়ে মাঠের বাইরে ছিলেন এত দিন। ক্লাবের এক স্টাফ আক্রান্ত হওয়ার পর করোনাভাইরাসে পজিটিভ হন মেসি। শুধু মেসিই নন, তিনিসহ আরও ৩ খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত বলে জানিয়েছিল পিএসজি ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

ফরাসি লিগ কাপ কুপ ডে ফ্রান্সের আগে সব খেলোয়াড়কে যখন করোনা টেস্ট করা হয় তখন করোনা পজিটিভ আসে পিএসজির চার খেলোয়াড়ের। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভানিসের বিপক্ষে লিগ কাপ ম্যাচে খেলতে পারেননি মেসি। এরপর একে একে মিস করেছেন লিঁওন ও ব্রেস্টের বিপক্ষে ম্যাচ দুটোও। এরপর ৫ জানুয়ারি মেসির করোনাভাইরাসের ফল নেগেটিভ আসে। মহামারি এই রোগ থেকে মুক্তির পর মেসি ফেরেন পিএসজির আঙিনায়। তখন থেকেই তিনি রিকভারি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এন-কে

Feb2

দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:26 am
দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

প্রথমার্ধে মরক্কোর কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে হাইতি। যেন কোনো অঘটন ঘটতে চলছিল। তবে দু’বার পিছিয়ে পড়ে সমতা টানার পর বদলি নামা দুই খেলোয়াড়ের গোলে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরছে মরক্কো। আশরাফ হাকিমি-ইসমাইল সাইবারিদের গোলে ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে ‘অ্যাটলাস লায়ন’রা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলা মরক্কো এদিন দুইবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ৫২ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফেরা হাইতি দারুণ লড়াই করে প্রথমবার পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। যদিও সবদিক থেকেই ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল হাকিমি-দিয়াজদের। ৭০ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি তাদের ২২ শটের ১১টিই লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে কেবল দুটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারে হাইতি।

ম্যাচের দশম মিনিটেই চমক দেখিয়ে এগিয়ে যায় হাইতি। ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অপেক্ষার পর বিশ্বকাপে গোলের দেখা পায় দলটি। লেনি জোসেফ নিকটবর্তী পোস্টে ব্যাক-হিল ফ্লিক করে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করেন। এর মাধ্যমে ১৯৭৪ আসরের পর বিশ্বকাপে হাইতির প্রথম গোলদাতা হলেন লেনি। সর্বশেষ আসরে দেশটির হয়ে গোল করেছিলেন ইমানুয়েল স্যানন।

সমতায় ফেরার জন্য মরক্কো একের পর এক আক্রমণ চালায় এবং ৩৯তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির কাছ থেকে। বিলাল আল খানুসের ডিফ্লেক্টেড ক্রসে হাইতির গোলরক্ষক জনি প্ল্যাসাইড হাত ছোঁয়াতে সক্ষম হলেও বল পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হাকিমি বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান মরক্কোকে।

তারা যখন আরও গোলের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই আবারও লিড নেয় হাইতি। ৪৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে উপরের কোণা দিয়ে জাল কাঁপান উইলসন ইসিডর। তবে রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধের শেষেও বাকি ছিল আরেকটি গোল। যোগ করা সময়ে হাকিমির ক্রস থেকে বল জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। বিশ্বকাপে তার তৃতীয় গোলে বিরতিতে যাওয়ার আগে ২-২ সমতা ফেরায় মরক্কো।

ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে সৌফিয়ান রাহিমির শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে মরক্কো ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরপর ৮৯তম মিনিটে গেসিম ইয়াসিন গোল করে সম্ভাব্য অঘটনের সব আশঙ্কার অবসান ঘটান। মরক্কোর শেষ দুই গোলদাতাই বদলি নেমেছিলেন। ৪-২ ব্যবধানে জয়ের পরও গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের পেছনে দ্বিতীয় হয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে মরক্কো। গ্রুপের অন্য ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ৩-০ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছে।

নেইমারের ফেরার ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:12 am
নেইমারের ফেরার ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল

নিজেদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে পেতে ৭৮১ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোটজর্জর এই তারকার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি অবশ্য তিনি মাঠে নামার আগেই রাঙিয়ে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহা। যাতে ভর করে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠল ব্রাজিল।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্কটিশরা। গোললাইন থেকে একাধিক বল ফেরত পাঠিয়ে তাদের হতাশ করেছেন অ্যালিসন বেকার। এরই মাঝে ৬০ উল্টো তাদের আবারও পিছিয়ে দিলেন কুনহা। ম্যাচে ব্রুনো গুইমারেসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টে তিনি আসরের তৃতীয় গোলটি করলেন।

যথারীতি গোলের পর সার্ফারদের মতো উত্তাল ঢেউয়ে ভারসাম্য রক্ষার সেই উদযাপন কলেন কুনহা। সেই নাচে যোগ দিলেন লুকাস পাকেতা, আর গ্যালারিতে মাতোয়ারা পুরো হলুদ শিবির। অনেকদিন ধরে নম্বর নাইন খুঁজে ফেরা ব্রাজিল যেন উপযুক্ত ব্যক্তিকে পেয়ে গেল এবারের বিশ্বকাপে। আগের ম্যাচে কুনহা হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন।

এর আগে ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ড সেন্টার-ব্যাক স্কট ম্যাককেনার দুর্বলতায় ‍সুযোগটা বলতে গেলে উপহার হিসেবেই তিনি পেয়েছিলেন। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুনকে কাটিয়ে যা ঠাণ্ডা মাথায় তিনি জালে জড়ান। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়ুস। তার উদ্দেশে ক্রস বাড়িয়ে ছিলেন গুইমারেস। লাফিয়ে সেটিকে জালে পৌঁছে চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল পেলেন ভিনি। এরপর নাচলেন কর্নার ফ্ল্যাগ ধরে।

আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধানটা বাড়তে পারত। তবে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবরের পর নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবং ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠায় সেই আক্ষেপ আর থাকার কথা নয় সেলেসাওদের। এ ছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের রক্ষণে একের পর হানা দেওয়া স্কটল্যান্ডকে রুখে দিতে দুর্দান্ত সব সেভ করেছেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। বিশেষ করে স্কটিশ প্রধান তারকা স্কট ম্যাকটোমিনের একাধিক প্রচেষ্টা ছিল অনবদ্য।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে পজেশনে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তারা বলের বেশিরভাগ নিয়ন্ত্রণ দখলে নিয়েছে। পাশাপাশি গোলের জন্য ২১টি শট নিয়ে ৮টিই লক্ষ্যে ছিল আনচেলত্তির শিষ্যদের। বিপরীতে স্কটল্যান্ড ৯ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল শীর্ষে এবং স্কটল্যান্ড ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থেকে শেষ করল।

কাতারকে বিদায় করেও নকআউটের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে বসনিয়ার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 8:55 am
কাতারকে বিদায় করেও নকআউটের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে বসনিয়ার

জীবন-মরণ ম্যাচে বুধবার রাতে সিয়াটলের মাঠে যেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ফুটবলাররা পণ করেই নেমেছিলেন। কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে সের্হেই বারবারেজের শিষ্যরা। তবে জয়ের আনন্দ ছাপিয়ে বসনিয়ার শিবিরে এখন দুশ্চিন্তার মেঘ। গ্রুপের অপর ম্যাচে কানাডার ভাগ্য তাদের চেয়ে গোল ব্যবধানে কিছুটা ভালো হওয়ায়, সরাসরি নকআউটের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বসনিয়ার। এখন তাদের তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে সেরা তৃতীয় দলের তালিকার জটিল হিসাব-নিকাশের দিকে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বসনিয়ার আক্রমণে দিশেহারা ছিল কাতারের রক্ষণভাগ। ২৯ মিনিটে কেরিম আলাজবেগোভিচ বক্সের বাইরে থেকে যে বুলেট গতির শটটি নেন, তা ছিল এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল। ঠিক পাঁচ মিনিট পরই আসে দ্বিতীয় গোল। এডিন জেকোর নেওয়া শট কাতারের ডিফেন্ডার সুলতান আল বারাকের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালের ঠিকানা খুঁজে নেয়। ৩৮ মিনিটে জেকোর আরও একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে না আসলে ব্যবধান তখনই ৩-০ হতে পারত। তবে বিরতির ঠিক আগে হাসান আল হাইদোসের গোলে এক গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে টিকে থাকে কাতার।

বিরতির পর খেলার কৌশল কিছুটা বদলে ফেলে বসনিয়া। আক্রমণে ধার কমানোর চেয়ে তারা রক্ষণ সামলানোতে বেশি মনোযোগ দেয়। সমতায় ফেরার জন্য কাতার মরিয়া হয়ে উঠলেও বসনিয়ার জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। উল্টো ৮১ মিনিটে আর্মিন মাহমিচ দারুণ এক গোল করে কাতারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন। ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও, গোল পার্থক্যের গোলকধাঁধায় পড়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে বসনিয়া।

গ্রুপ পর্বে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পাওয়া বসনিয়া এখন ১২টি গ্রুপের সেরা ৮টি তৃতীয় দলের তালিকায় জায়গা পাওয়ার অপেক্ষায়। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে সুইজারল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানের পরাজয়টিই এখন তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, কোনো জয় ছাড়াই ১ পয়েন্ট নিয়ে এবারের আসর থেকে বিদায় নিল ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার।