খুঁজুন
, ,

বার্সেলোনায় ফিরছেন মেসি!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 January, 2022, 11:43 am
বার্সেলোনায় ফিরছেন মেসি!

২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে গত বছরের আগস্টে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন মেসি। মেসি নামক নক্ষত্রের পতনের পর থেকে যেন বার্সেলোনারও পতন ঘটে গেছে! চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়া ছাড়াও কোপা দেল রে কিংবা স্প্যানিশ সুপার কাপ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছে কাতালোনিয়ার ক্লাবটিকে।

অন্যদিকে, একই দশা পিএসজিতে থিতু হওয়া লিওনেল মেসিরও। প্যারিসে যাওয়ার পর থেকে যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। ফরাসি লিগ ওয়ানে এ পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র এক গোল করতে পেরেছেন। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগে করেছেন পাঁচ গোল, যা মেসি নামক বিশ্বসেরা ফুটবলারের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম এল চিরিঙ্গুইতো টিভির দাবি অনুসারে, সাবেক তারকাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে বার্সা। এ ছাড়া পুরনো ঘরে ফিরতে চাইছেন খোদ মেসিও!

এদিকে, হঠাৎ পুরনো ক্লাবে ফিরে জাভির সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় এক জাপানি খাবারের রেস্তোরাঁয় হয়েছে এই বৈঠক। বর্তমান বার্সা কোচ ও এক সময়ের সতীর্থ জাভির ৪২ বছরে পা দেওয়া উপলক্ষে ডাকা হয় এই গোপন বৈঠক। সেটা পালন করতেই স্পেনে ছুটে গেছেন মেসি।

ক্যাম্প ন্যু থেকে বিদায়ের পরই অবশ্য শহরটির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি মেসির। এখনো সুযোগ পেলেই চলে যান বার্সেলোনায়। তবে এবারের বার্সেলোনায় ফেরা দারুণ আলোচনারই জন্ম দিয়েছেন, ক্যাম্প ন্যুতে এবার বার্সা কোচ জাভি আর সিনিয়র দুই সদস্য জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটসের সঙ্গে গোপন বৈঠকে বসেন মেসি।

গত মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ক্লাবটির কোচ জাভির জন্মদিন ছিল। সেটা পালন করতেই মূলত তিনি ছুটে গেছেন ফ্রান্স থেকে স্পেনে। মুন্দো দেপোর্তিভো জানাচ্ছে, সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন পেপে কস্তা ও সাবেক বার্সেলোনার সাবেক এক কর্মকর্তা।

সে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে? ক্লাবের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, ফেরা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না, এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর মেসিকে এসব জিজ্ঞেসও করা হয়েছে। তবে পিএসজি তারকা তার কিছুরই উত্তর দেননি। খেলোয়াড় জীবনে মেসির সতীর্থ ছিলেন জাভি। দলের বিপদের দিনে কোচ হয়ে ফিরে এসেছেন। খারাপ সময়ে থাকতে চেয়েও পারেননি মেসি। তবে সময় পেলেই ছুটছেন শৈশব-কৈশোরে ফুটবলের ভালোবাসা বার্সার নিকটে।

এদিকে ফ্রান্সের প্যারিসে মানিয়ে নিতে পারছেন না লিওনেল মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো! তাই স্ত্রীর কথা বিবেচনায় নিয়েই নাকি তার বার্সেলোনায় ফিরতে চাওয়ার জল্পনা। ভেনেজুয়েলাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এল ন্যাসিওনালের খবর, রোকুজ্জো-মেসির সন্তানেরাও নাকি প্যারিসের আলো-বাতাসের সঙ্গে অতটা খাপ খাওয়াতে পারছে না। তাই মেসিকে বার্সেলোনায় ফেরার জন্য অনুপ্রাণিত করছেন স্ত্রী।

ওই প্রতিবেদনের বরাতে আরও জানা যাচ্ছে, বার্সেলোনার বর্তমান কোচ জাভি হার্নান্দেজ ও রাইট ব্যাক দানি আলভেসও নাকি মেসিকে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে নজর দিচ্ছেন। যদিও এতে মত নেই মেসির বাবা জর্জ মেসির।

মেসির বাবা মনে করেন, বার্সেলোনার সভাপতি আগেরবার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। নইলে এখনো কাতালান ক্লাবটিতেই থাকতে পারতেন তার ছেলে। তাহলে লেখা হতো না এত বড় ও দুঃসহ গল্পও! অবশ্য মেসিকে ফিরিয়ে নিতে হলে বড় ধরনের অর্থই খসাতে হবে বার্সাকে। কেননা ২০২৩ সাল নাগাদ যে ফ্রান্সের ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ তিনি।

গত বছরের ১ জুলাই ফ্রি এজেন্টে পরিণত হন মেসি। তবে তার দল ছাড়ার ব্যাপারটি ছিল পুরো অবিশ্বাস্য। ৫ আগস্ট জানা যায়, বার্সায় থাকছেন না মেসি। এর পাঁচ দিন পর তিনি চুক্তি করেন পিএসজির সঙ্গে। প্যারিসের ক্লাবটি তাকে বছরে বেতন দেবে প্রায় ৪১ মিলিয়ন ইউরো করে। অথচ বার্সেলোনা সমর্থকরা ছিলেন নাছোড়বান্দা, তারা প্রিয় ফুটবলারকে অন্য কোনো ক্লাবের জার্সিতে দেখতে মোটেই প্রস্তুত নন। কিন্তু বাস্তবতার কাছে যে সব কিছুই তুচ্ছ!

এন-কে

Feb2

কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 10:55 am
কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে টানা দ্বিতীয় জয়ে প্রথম দল হিসেবে ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল লাতিন আমেরিকার দল কলম্বিয়া। মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে (ডিআর কঙ্গো) ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে কঙ্গোর জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির দুর্দান্ত কিছু সেভের কারণে ডেডলক ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো অফসাইডের কারণে ম্যাচের ৮ম মিনিটে দানিয়েল মুনিয়োজের একটি গোল বাতিল হয়।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও যখন গোল আসছিল না, ঠিক তখনই ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন দানিয়েল মুনিয়োজ। ডান প্রান্ত থেকে কলম্বিয়ার আক্রমণভাগের চমৎকার এক বিল্ড-আপে রক্ষণভাগ চিরে বক্সের ভেতর মাপা ক্রস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থ উইঙ্গার। কঙ্গোর ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে পোস্টের খুব কাছ থেকে প্রথম স্পর্শেই দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান এই ডিফেন্ডার। উল্লাসে ফেটে পড়ে গুয়াদালাহারার গ্যালারি।

ম্যাচের ৮০ মিনিটে লুইস দিয়াজের আরও একটি দর্শনীয় গোল অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।

এই জয়ের ফলে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘কে’ এর টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে কলম্বিয়া এবং তাদের শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র করা কঙ্গো ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে রইল। আর দুই নম্বরে আছে পর্তুগাল। তাদের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে তলানিতে অবস্থান উজবেকিস্তানের।

মদ্রিচের ২০০তম ম্যাচে পানামাকে বিদায় করল ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 9:31 am
মদ্রিচের ২০০তম ম্যাচে পানামাকে বিদায় করল ক্রোয়েশিয়া

হারলেই বিদায় নিতে হবে, এমন সমীকরণ সামনে রেখে টরন্টো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া ও পানামা। ২০১৮ সালের পর প্রথম ও বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয়বার প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পানামা বেশ কয়েকবার ক্রোটদের চ্যালেঞ্জ জানায়। শেষ পর্যন্ত বদলি নামা আন্তে বুদিমিরের একমাত্র গোল গড়ে দেয় পার্থক্য। ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে ‘এল’ গ্রুপ থেকে নকআউটের লড়াইয়ে টিকে থাকল ক্রোয়েশিয়া। আর টানা দুটি ম্যাচ হেরে বিদায় নিলো পানামা। ৮১ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়া লুকা মদ্রিচের ছিল এটি দুইশতম ম্যাচ। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের সঙ্গে দিনের আগের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করা ঘানার বিপক্ষে শনিবার খেলবে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচটি জিতলে শীর্ষ দুই নিশ্চিত করবে তারা। পানামাকে হারিয়ে ক্রোয়েশিয়া আপাতত গ্রুপ ‘এল’-এর তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা ইংল্যান্ড ও ঘানার চেয়ে মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের শেষ দুটি বিশ্বকাপ ম্যাচে দারুণ লড়াই করা পানামা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল। ম্যাচে পানামা আটটি শট তৈরি করেছিল যার মধ্যে একটি ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে ক্রোয়েশিয়া দুটি অন-টার্গেট শটসহ মোট ছয়টি শট নিয়েছিল।

প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতির নয় মিনিট পরেই ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে লিড নেয়। স্তানিসিৎসের ডান প্রান্ত থেকে বাড়ানো ক্রসটি ব্যাক পোস্টে আলতো টোকা দিয়ে জালে জড়ান বুদিমির। এর কয়েক মিনিট পরেই ক্রোয়েশিয়ার ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল। পাসালিচের ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে নেওয়া শটটি মস্কেরা রুখে দেন। অরল্যান্ডো সিটির এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ফিরতি শটটি বারের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে মারেন।

পানামাও উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়ার্ধে হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ক্রোট কিপার লিভাকোভিচ অত্যন্ত সতর্ক থেকে গোলপোস্ট অক্ষত রাখেন। পরপর মুরিলোর আক্রমণ রুখে দেওয়ার পাশাপাশি হার্ভির কাছ থেকে নেওয়া ক্লোজ-রেঞ্জ হেডার বারের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান তিনি। ৮০তম মিনিটে সমতা ফেরানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন মিডফিল্ডার হার্ভি, কিন্তু কর্নার থেকে আসা বলে তার নেওয়া শটটি জালের বাইরের পাশে আঘাত করে।

শুরু থেকে আক্রমণে যায় ক্রোয়েশিয়া। ডান দিক থেকে ইয়োসিপ স্তানিশিচের ক্রসে মদ্রিচ হেড নিলেও বল ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। অষ্টম মিনিটে কার্লোস হার্ভের দৌড়ে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করে পানামা। তবে ইয়োয়েল বার্সেনাসের ক্রস নিরাপদে ক্লিয়ার করে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগ।

প্রথমার্ধে লিভাকোভিচ না ঠেকালে লিড নিতো পানামাই। ২২ মিনিটে অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেসের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে এগিয়ে গিয়ে শট নেন মুরিলো। তবে সহজেই বল ধরে ফেলেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক। পরের মিনিটে ম্যাচের সেরা সুযোগটি আসে পানামার সামনে। ডান দিক থেকে মুরিলোর নিখুঁত ক্রসে হেড করেন হোসে লুইস রদ্রিগেজ। তবে লিভাকোভিচ দুর্দান্ত সেভ করে বল ক্রসবারে লাগিয়ে বিপদমুক্ত করেন। সেই সুযোগ থেকে এগিয়ে যেতে না পারা পানামা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখলেও জয় পায়নি। ইংল্যান্ডের কাছে ৪-২ গোলে হারের পর জয়ে ফিরে নকআউটে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।

ঘানার সঙ্গে ড্র, ইংল্যান্ডের অবাঞ্ছিত রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 9:06 am
ঘানার সঙ্গে ড্র, ইংল্যান্ডের অবাঞ্ছিত রেকর্ড

বিশ্বকাপের এক আসরে গ্রুপ পর্বে রেকর্ড ১৩৭ গোল হওয়ার পরের ম্যাচেই গোলখরার ঘটনা ঘটল। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের তৃতীয় গোলে এই রেকর্ড হয়েছিল। তবে বোস্টনে ইংল্যান্ড ও ঘানার পরের ম্যাচটি শেষ হলো গোলশূন্য ড্রতে। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা দুই দলই তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করল।

বোস্টন স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের জন্য একটি হতাশাজনক সন্ধ্যা কাটল, যার শেষ হলো এক পয়েন্ট পাওয়ার মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে ঘানা রক্ষণভাগের অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে তাদের কাজ বেশ ভালোভাবে শেষ করেছে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার টানা দুই ম্যাচে গোলপোস্ট অক্ষত রেখেছে তারা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের শেষের দিকে এসে খেলার গতি বাড়িয়েছিল। তাদের হয়তো মনে হতে পারে যে আর পাঁচ-ছয় মিনিট সময় পেলে তারা জয়সূচক গোলের দেখা পেতে পারতো।

ম্যাচের এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে সাকার একটি জোরালো শট গোলরক্ষক আসারে চমৎকারভাবে বাঁচিয়ে দেন। ও’রেইলির হেড বারের নিচের অংশে লেগে ফিরে আসে, ফিরতি বলে কেইনের নেওয়া শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। গেহির একটি হেডার গোললাইনের ঠিক নিচ থেকে ক্লিয়ার করা হয়।

টমাস টুখেল ও থ্রি লায়ন ভক্তদের জন্য এটি ছিল একটি কঠিন ম্যাচ। তবে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারানো ইংল্যান্ড এখনো ‘গ্রুপ এল’-এর শীর্ষেই রয়েছে এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচে পানামাকে হারাতে পারলে তারা শীর্ষস্থান ধরে রেখেই পরের রাউন্ডে যাবে। পানামার বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ঘানাও তাদের সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ এর লড়াইয়ে টিকে আছে।

ঘানার চমৎকার রক্ষণভাগের কারণে ম্যাচ গোলশূন্য থাকায় প্রথমার্ধের বিরতিতে ইংল্যান্ডকে হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি, চলতি বিশ্বকাপে এই ম্যাচে প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল। ৮০ শতাংশ বল ইংল্যান্ডের দখলে ছিল, এমনকি প্রতিপক্ষের অর্ধে তারা ৬টি শট নিলেও তা লক্ষ্য বরাবর ছিল না। সব মিলিয়ে ১৯ শটের মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে, যার সবগুলোই দ্বিতীয়ার্ধে।

দ্বিতীয়ার্ধের মতো প্রথম অর্ধে ব্ল্যাক স্টাররাও বেশ রক্ষণাত্মক খেলেছে। চারজনের দুটি লাইনের মাঝে থমাস পার্টেকে রেখে তারা ডিফেন্স সামলেছে। যদিও রাইসের দূর থেকে নেওয়া একটি জোরালো শট পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়।

মাদুয়েকের ক্রস থেকে হেডে বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রাইস। পরে হ্যারি কেইনের একটি শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। তবুও তারা ঘানার গোলরক্ষককে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। এমনকি তারা ঘানার এই সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ভেদ করে ভেতরেও ঢুকতে পারেনি।

প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের হতাশা মাঠে ক্ষোভ হিসেবে প্রকাশ পায়। নিজের ৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা বেলিংহাম বল ক্লিয়ার করার সময় ঘানার ডিফেন্ডার ওপোকুকে ধাক্কা দিলে দুজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরে তাদের আলাদা করা হয়।

ম্যাচ শেষে বেশ কিছু অবাঞ্ছিত রেকর্ড ইংল্যান্ডের সঙ্গী হয়েছে। বিশ্বকাপে এনিয়ে ২৩ ম্যাচ ড্র করল তারা, যার মধ্যে ১৩টি গোলশূন্য। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যে কোনো দলের জন্য দুটোই সর্বোচ্চ।

এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বল দখল পজেশন ছিল ৭৮.৮ শতাংশ; বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো ম্যাচে এটিই তাদের সর্বোচ্চ বল দখলের রেকর্ড। একই সাথে ফুটবলে রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে গোল করতে ব্যর্থ হওয়া যেকোনো দলের মধ্যেও এটিই সর্বোচ্চ বল দখলের নজির।

এছাড়া বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে গেহির করা ১২৬টি সফল পাস এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বোচ্চ পাস। পুরো ম্যাচে তাকে সাতবার ফাউল করা হয়েছে; বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর কোনো ডিফেন্ডার একটি ম্যাচে এত বেশি ফ্রি-কিক আদায় করতে পারেননি।