খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিএইচপির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
পিএইচপির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাস্থ বাড়বকুণ্ড পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার পূর্ব পাশের একটি পাহাড় টিলা কেটে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ছড়ায় পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে কৃত্রিম জলাধার সৃষ্টি করার অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফেরদৌস আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল গত ৩০ জানুয়ারি রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

এ সময় কারখানাটির আমবাগান প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মো. আলফাতুন ও পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শণে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের শুনানিতে হাজির থাকার নোটিশ দেয় অধিদফতর।

ওইদিন যথাসময়ে শুনানি শেষে সাত দিনের মধ্যে বাঁধটি সরিয়ে পানির প্রবাহ সচল করার জন্য প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের এ আদেশ আমলে নেয়নি পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। পাহাড়ের টিলা কেটে বন্ধ করা ছড়া (ঝিরি) পানিপ্রবাহের জন্য খুলে দেওয়ার নির্দেশ অমান্য করায় প্রতিষ্ঠানটির ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে অধিদপ্তর।

গত বুধবার (২ মার্চ) পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানের তিন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে উপরোক্ত তথ্যগুলো উল্লেখ করা হয়।

আসামিরা হলেন, কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, কারখানার আমবাগান প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মো. আলফাতুন ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের তথ্যটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ।

মামলার বাদী পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে আমাদের কাছে অভিযোগে আসে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একটি পাহাড় টিলা কেটে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ছড়ায় পানিপ্রবাহ বন্ধ করে কৃত্রিম জলাধার সৃষ্টি করেছেন পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানা কর্তৃপক্ষ। অধিদপ্তরের একটি তদন্ত টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে অভিযোগের সত্যতা পাই।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কর্তৃপক্ষকে অধিদপ্তরের শুনানিতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুনানিতে সাতদিনের মধ্যে বাঁধটি সরিয়ে ঝিরি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা তা অপসারণ করেনি। ফলে পরিবেশের নির্দেশনা না মানায় কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে মামলাটি একতরফাভাবে করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, পাহাড়ে তাদের একটি টিলায় প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি আমগাছ নিয়ে একটি আমবাগান প্রকল্প রয়েছে।

শুষ্ক মৌসুমে বাগানের গাছগুলোতে পানি দেওয়ার লক্ষ্যে ছড়ার ওপর বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এতে যদি পরিবেশের ক্ষতি হয় তাহলে তারা বাঁধ সরিয়ে ফেলতেন।

বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য এবং বাঁধটি তুলে নিতে ১৫ দিন সময় দেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে অনুরোধ করেছেন। এর মধ্যে মামলা করা হলো। যা একতরফা। সূত্র-প্রথম আলো।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।