খুঁজুন
, ,

এবার কপিলের বিরুদ্ধে অগ্নিশর্মা অগ্নিহোত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 March, 2022, 5:30 pm
এবার কপিলের বিরুদ্ধে অগ্নিশর্মা অগ্নিহোত্রী

সম্প্রতি বলিউডের এক ছবিতে কোনো তারকা না থাকায় জনপ্রিয় টিভি-শো ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তে আমন্ত্রণ না পাবার অভিযোগ উঠেছে। নিজ টুইটারে অসন্তোষ প্রকাশের মধ্য দিয়ে অভিযোগটি তুলেছেন সেই ছবির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী।

টুইটে বিবেক দাবি করেছেন, ‘তার নতুন ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর প্রচারণায় ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তে উপস্থিত হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু কপিল তাদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন! বিবেকের বিশ্বাস, কপিল এমনটা করেছেন কারণ তার এই ছবিতে তথাকথিত কোনও বড় ‘তারকা’ নেই বলে।’

পরিচালকের এই অভিযোগ এ মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রসঙ্গে এক ফ্যান বিবেককে টুইট করে লেখেন, ‘বিবেক স্যার, আপনার এই ছবিটির প্রচারে কপিলের শো-তে আসা উচিত।’ ঠিক পরেই একই ফ্যান কপিলের উদ্দেশে বলেন, ‘কপিল ভাই, আপনি বহু অভিনেতাদের সহযোগিতা করেন, তাদের প্রচারে সাহায্য করেন। এই ছবিটির ক্ষেত্রেও তাই-ই করুন। আমরা সকলে মিঠুন এবং অনুপম খের-কে একসঙ্গে আপনার শো-এর মঞ্চে দেখতে চাই।’

তবে এই বিষয়ে কপিল শর্মার পক্ষে থেকে এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের কীভাবে উপত্যকা থেকে উৎখাত করা হয়, কীভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছে, এমন অনেক বিষয় উঠে এসেছে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর ট্রেলারে। নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছিল গোটা দেশ। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় কাশ্মীর ছেড়েছিলেন হাজার হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত।

ছবিটিতে মিঠুন চক্রবর্তী ও অনুপম খের ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন- দর্শন কুমার, ভাষা সুম্বালি, চিন্ময় মন্ডলেকর, পুনীত ইসার, মৃণাল কুলকার্নি, অতুল শ্রীবাস্তব এবং পৃথ্বীরাজ সারনায়েক।

এন-কে

Feb2
Feb2

কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 7:38 pm
কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, কাপ্তাই লেক শুধু একটি জলাধার নয়; এটি আমাদের দেশের সম্পদ, পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই কাপ্তাই লেকের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।

তিনি আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ওয়াসা গ্রাহক সমন্বয় ফোরাম আয়োজিত কাপ্তাই লেকের পানি নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলারা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কাপ্তাই লেককে ঘিরে যদি কোনো মহল দেশের স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা করে থাকে, তাহলে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জাতীয় সম্পদ নিয়ে কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অপপ্রচার কিংবা ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না। পানির লেভেল অতিক্রম করার আগেই পানি ছেড়ে দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা সহ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট—কাপ্তাই লেকের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে, স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং লেককে ঘিরে যেকোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্রের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে।

আমরা চাই কাপ্তাই লেক হোক দেশের সম্পদ ও সম্ভাবনার উৎস। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থে জাতীয় সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। দেশবিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বীর চট্টলার আপামর জনসাধারণ প্রস্তুত।

গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরামের মহাসচিব হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী।

জহিরুল ইসলাম ও সাজ্জাদ খানের পরিচালনার অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন➤প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান, আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্র, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, এমরান এমি, আরিফ হাসান, এড. ইকবাল হোসেন, কিরণ শর্মা, ইসমাইল ইমন, আবু বক্কর রাজু, কামাল পারভেজ, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী রাশেদ আলম, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আরিফ হাছান চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মিনহাজুল হক ভূঁইয়া,কামরুল হাসান, এস এ গনি, মোরশেদ রনী, নুর হোসেন, নুরুল আলম, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মহসিন,সাইদুল হক সিকদার, আব্দুল জলিল, মহসিন, সাফওয়ান, মাঈনউদ্দিন খান রাজিব, জাভেদ ওমর, কামরুল হাসান আকাশ, মো: শাহ আলম, নিলয়, সিফাত, ইমরান, রুবেল, রায়হান, রনি, ইয়াসিন, মহিন, সাহেদ, শুভ, শান্ত, সাইদুল, জাবেদ, ইফতি সহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 10:21 am
কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন মো. ফেরদৌস আলম (৫), মিপতা (১৭), মাইক্রোবাসের চালক মুন্না (৪০) এবং অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস কক্সবাজারের ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে মাইক্রোবাসটি শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে ইউটার্ন নেওয়া একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ফেরদৌস আলম ও মিপতা নিহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইক্রোবাসের চালক মুন্নাসহ আরও দুজনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

কর্ণফুলী থানার পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কোটি টাকার বালু-মাটি লুটের মহা আয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 9:37 am
কোটি টাকার বালু-মাটি লুটের মহা আয়োজন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ‘স্বেচ্ছাশ্রমে’ ডলু খাল খননের নামে কোটি কোটি টাকার বালু ও মাটি লুটের আয়োজন করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। সাতকানিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ডলু খালের গারাঙ্গিয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে উত্তরের নলুয়া-আমিলাইশ তিন খালের মুখ পর্যন্ত প্রায় ২৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে এই বালু ও মাটি লুটের আয়োজন চলছে।

এদিকে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননের কাজ পাওয়ার আড়ালেও রয়েছে কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ। সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মাহমুদুল হাসানের দিকেই উঠেছে এই অভিযোগের তির। বদলি আদেশ হওয়ার চার দিন পর গত ২৭ আগস্ট এক কলমের খোঁচায় একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননের কার্যাদেশ দেন তিনি। এই এক কার্যাদেশেই সরকারের যেমন রাজস্ব বঞ্চিত হওয়ার ষোলোকলা পূর্ণ হয়েছে, তেমনি প্রভাবশালী চক্র যেন পেয়ে গেছে পুরো ডলু খালের ‘মালিকানা’। ওই প্রতিষ্ঠান এবার নিজেরাই লাখ লাখ টাকায় সেই খালের বালুমহাল ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এতে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে চলছে উত্তেজনা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাতকানিয়ার ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসানকে গত ২৩ আগস্ট বদলি করে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। বদলির আদেশ হওয়ার চারদিন পর ২৭ আগস্ট তিনি ডলু খালের বিশাল এলাকা স্বেচ্ছাশ্রমে খননের জন্য ‘মেসার্স করিম অ্যান্ড ব্রাদার্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেন। ওই প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ দিলেও এর পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।

ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত কার্যাদেশে বলা হয়-সাতকানিয়া উপজেলাধীন ডলু খালের গারাঙ্গিয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে উত্তরে ভাটির দিকে নলুয়া আমিলাইশ তিন খালের মুখ পর্যন্ত জেগে ওঠা মাটির ঢিবি-বালুর ঢিবি খননের সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চলতি বছরের ১৪ জুন গঠিত ‘স্বেচ্ছায় উপজেলা খাল খনন কমিটি’কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। উক্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে। জেগে ওঠা মাটির ঢিবি-বালুর ঢিবি টোটাল স্টেশন মেশিন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে অপসারণযোগ্য মাটির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখিত অংশের অপসারণযোগ্য মাটির পরিমাণ ১ কোটি ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৩ ঘনফুট। এই প্রতিবেদন পাওয়ার পরই কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়াই করিম অ্যান্ড ব্রাদার্সকে বালু ও মাটি অপসারণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

সূত্র অভিযোগ করেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র এখন এই খালের বালু-মাটি বিক্রির নিয়ন্ত্রণ নিতে মারিয়া হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে কোথাও কোথাও মাটি বিক্রির ধুম পড়েছে। এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাসী, পাতি নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন নেতা দফায় দফায় মিটিং করে বালু-মাটি বিক্রি করছেন। গারাঙ্গিয়া ব্রিজ থেকে নলুয়া-আমিলাইশ পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার খালটির প্রতি আধা কিলোমিটারে বালু ও মাটির বিক্রয় মূল্য ধরা হচ্ছে ৫০ লাখ টাকা করে।

জানা গেছে, পার্বত্য জেলা বান্দরবান থেকে প্রবাহিত হয়ে ডলু নদী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির নারিশ্চা পানত্রিশা, পুটিবিলা, হাফেজপাড়া, আধুনগর ইউনিয়ন, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার গারাংগিয়া, সোনাকানিয়া, রূপকানিয়া, সাতকানিয়া সদর, পৌরসভা, রামপুর, পশ্চিম ঢেমশা, গাঠিয়াডেঙ্গা, নলুয়া, আমিলাইশ ইউনিয়ন হয়ে সাঙ্গু নদীতে পড়েছে। টঙ্কাবতী ও হাতিয়া খালসহ অনেক ছোট ছোট খাল ডলুর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ডলুর দৈর্ঘ্য ৫৩ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৪৬ মিটার।

করিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক আবদুল করিম বলেন, আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননের কার্যাদেশ পেয়েছে। আমরা কারও কাছে খালের মাটি ও বালু বিক্রি করছি না।

আটটি বৈধ বালুমহালও বিলীন : অপরিকল্পিতভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননের কার্যাদেশ দেওয়ায় ৮টির মতো বৈধ বালুর মহালের অস্তিত্ব থাকবে না। বৈধ বালু মহালের মধ্যে রয়েছে সোনাকানিয়া, রূপকানিয়া, সাতকানিয়া সদর, রামপুর, পশ্চিম ঢেমশা, রোজমর পাড়া, গাঠিয়াডেঙ্গা, নলুয়া, আমিলাইশ এলাকা। এসব বালু মহাল থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেত। সরকার এসব রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হবে।

সাতকানিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে বলেন, ইউএনও অফিস আমাকে সার্ভে করে একটি রিপোর্ট দিতে বলেছিল। আমি রিপোর্ট দিয়েছি। এরপর কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। খালের উল্লেখিত অংশের অপসারণযোগ্য মাটির পরিমাণ ১ কোটি ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৩ ঘনফুট পেয়েছি। এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এভাবে নির্বিচারে বা অপরিকল্পিকভাবে খাল খনন করা হলে খালের দুই তির, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থাপনা, বাঁধ, ব্রিজ ও কালভার্টের নিরাপত্তা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননের বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলগত মতামত নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্বেচ্ছাশ্রমের নামে খালটির বিশাল অংশ থেকে মাটি ও বালু খনন করলে এলাকায় পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। বর্ষা মৌসুমে খালটি ভেঙে বিশাল এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এছাড়া বদলির আদেশ হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ইউএনও এই কার্যাদেশ দিয়ে যান বলে তারা অভিযোগ করেন। জানতে চাইলে সাতকানিয়া উপজেলার সদ্য বিদায়ি নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। নিয়ম মেনেই কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল।