খুঁজুন
, ,

সীতাকুণ্ডে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১৫ লক্ষ টাকা দামের একটি রাজ কাঁকড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 23 November, 2019, 9:14 pm
সীতাকুণ্ডে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১৫ লক্ষ টাকা দামের একটি রাজ কাঁকড়া

কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :
সীতাকুণ্ডে সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা দামের একটি রাজ কাঁকড়া।

বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুরের মদনহাট এলাকার তপন জল দাশের জালে টি. গিগাস (T.Gigas) প্রজাতির এই রাজ কাঁকড়াটি ধরা পড়ে।

পরে বঙ্গোপসাগরের একমাত্র ‘লিভিং ফসিল’ বা জীবন্ত জীবাশ্ম নামে পরিচিত রাজ কাঁকড়াটি সাগরে অবমুক্ত করা হয়।

তপন জলদাশ বলেন, আমার মাছ ধরার জালে বিলুপ্তপ্রায় মহামূল্যবান রাজ কাঁকড়াটি ধরার পর উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। কাঁকড়াটি যে মহামূল্যবান তা আমি আগে থেকে জানতামনা। কয়েকদিন আগে এই কাঁকড়া বিষয়ে চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই খবর পড়ে আমি বিলুপ্তপ্রায় এই রাজ কাঁকড়া সম্পর্কে জানতে পারি। এরপর ঐ পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি সাংবাদিক আহমেদ গিয়াসকে আমার জালে কাঁকড়া আটকের বিষয়টি জানালে তিনি আমাকে এই কাঁকড়া সম্পর্কে বিস্তারিত বলেন এবং কাঁকড়াটি সাগরে অবমুক্ত করার অনুরোধ করলে আমি সেটি সাগরে ছেড়ে দেই। এটি রাজ কাঁকড়া নামে পরিচিত হলেও স্থানীয় জেলেদের ভাষায় বলা হয় দৈত্য কাঁকড়া।

উল্লেখ্য যে, বঙ্গোপসাগরের একমাত্র ‘লিভিং ফসিল’ বা জীবন্ত জীবাশ্ম নামে পরিচিত রাজ কাঁকড়া দেশের সমুদ্র উপকূল থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। অলৌকিক ওষুধী গুণের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এই প্রাণিটির রক্ত ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অত্যন্ত দামী। প্রাণীটি ডাইনোসর যুগেরও আগের বা ৪৫ কোটি বছর পুরনো আদি প্রাণী বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু কিছু শক্তিশালী সিন্ডিকেট এই প্রাণীটির রক্ত ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার করে দিচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

চিকিৎসা শাস্ত্রে রাজ কাঁকড়ার নীল রক্ত এক যাদুকরী ক্ষমতা সম্পন্ন। মানুষের শরীরের দ্রত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে এবং মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে কাঁকড়ার নীল রক্ত অতুলনীয়। এছাড়া এর শরীরের পেছনে থাকা ছোট্ট লেজটি দিয়ে তৈরি করা হয় ক্যান্সারের মহা ওষুধ। এখন চিকিৎসা শাস্ত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা একেকটি রাজ কাঁকড়ার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে পনের লক্ষ টাকা এবং প্রতি গ্যালন রক্তের দাম ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশী মূদ্রায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাময়িকী ও গবেষণাপত্রের বরাত দিয়ে জানান কক্সবাজারস্থ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশরাফুল হক।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা আইইউসিএন এর পর্যবেক্ষণেও বাংলাদেশে প্রাণিটির অবস্থান লাল তালিকায়।

সমুদ্র বিজ্ঞানী আশরাফুল হক বলেন, ৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পরেও প্রাণিটিকে বিস্তীর্ণ উপকূলজুড়ে সচরাচর দেখা যেত। এমনকি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের একদল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সীতাকুণ্ডের কুমিরা উপকুলে প্রাণিটিকে দেখেছেন। কিন্তু দামী এই প্রাণিটি সাম্প্রতিককালে প্রকৃতি থেকে এভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সন্দেহজনক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সমুদ্র বিজ্ঞানী আশরাফুল হক বলেন, ওষুধ শিল্পের জন্য প্রতি বছর কয়েক কোটি করে রাজ কাঁকড়া শিকারের কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চল থেকেই এই জীবন্ত ফসিলটি হারিয়ে গেছে। অনেক স্থানে এই প্রাণিটির বিলুপ্তির সাথে সাথে এর উপর নির্ভরশীল ওষূধ শিল্প কারখানাও বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, এখনও আমাদের বঙ্গোপসাগরের কিছু এলাকায় রাজ কাঁকড়ার আবাসস্থল টিকে আছে। বাংলাদেশ ছাড়াও প্রজাতি ভেদে ভারত, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্র উপকুল, ইন্দো-প্যাসিফিক, ইন্দোনেশিয়ান, আমেরিকান আটলান্টিক উপকূল এবং মেক্সিকো উপসাগরীয় অঞ্চলে হর্সশো ক্র্যাব পাওয়া যায়। তবে পুরো বিশ্বেই এটি বিপন্ন।

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।